ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ফিরবেই, তবে পুরনো নাকি নতুন নেতৃত্বে— এটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন”: মাসুদ কামাল
সংস্কারের মুখোশে দমন : অবৈধ ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি
এবার জেলা পরিষদে নেতা-কর্মী বসিয়ে লুটপাটের প্ল্যান তারেকের
আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা
থার্টি পার্সেন্টের সরকার!
ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির
সীমান্তে বন্দুকযুদ্ধে দুই নারীসহ নিহত ১৪
ভারতের ছত্তিশগড়ের গারিয়াবন্ধ জেলার ওড়িশা সীমান্তে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১৪ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই সংঘর্ষের বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে বলে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই নারী নকশালও রয়েছেন, যাদের সোমবার অভিযানের সময় হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন মাওবাদী রয়েছেন যার মাথার মূল্য এক কোটি টাকা নির্ধারিত ছিল। এছাড়া, বন্দুকযুদ্ধ এখনও চলছে।
মঙ্গলবার ভোরে ছত্তিশগড় ও ওড়িশা সীমান্তে মাইনপুর থানা এলাকার একটি জঙ্গলে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। এর আগে সোমবার একই অভিযানে দুই নারী মাওবাদী নিহত এবং কোবরা বাহিনীর একজন জওয়ান আহত হন। নতুন সংঘর্ষে আরও ১২ মাওবাদী নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযানে
ছত্তিশগড়ের জেলা রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি), কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ), কোবরা ইউনিট এবং ওড়িশার বিশেষ অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) অংশ নিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ১৯ জানুয়ারি রাতে অভিযানের সূচনা হয়। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পাওয়া যায় যে ছত্তিশগড়ের কুলারিঘাট সংরক্ষিত বনে মাওবাদীদের উপস্থিতি রয়েছে। এই এলাকা ওড়িশার নুয়াপাড়া জেলার সীমান্ত থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে। এই অভিযান মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর চলমান লড়াইয়ে একটি বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস
ছত্তিশগড়ের জেলা রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি), কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ), কোবরা ইউনিট এবং ওড়িশার বিশেষ অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) অংশ নিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ১৯ জানুয়ারি রাতে অভিযানের সূচনা হয়। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পাওয়া যায় যে ছত্তিশগড়ের কুলারিঘাট সংরক্ষিত বনে মাওবাদীদের উপস্থিতি রয়েছে। এই এলাকা ওড়িশার নুয়াপাড়া জেলার সীমান্ত থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে। এই অভিযান মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর চলমান লড়াইয়ে একটি বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস



