সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীনের ব্যাংক হিসাব জব্দ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীনের ব্যাংক হিসাব জব্দ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, তার স্ত্রী সিতারা আলমগীর ও ছেলে জয় আলমগীরের ব্যাংক হিসাব ৩০ দিনের জন্য জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মহীউদ্দীন খান আলমগীর বহুল আলোচিত ফারমার্স ব্যাংকেরও (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) সাবেক চেয়ারম্যান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক এই গোয়েন্দা বিভাগ থেকে সম্প্রতি চিঠি দিয়ে এই তিন জনের নামে কোনো হিসাব পরিচালিত হয়ে থাকলে তা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০২১ অনুযায়ী, ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চিঠিতে বলা হয়, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো অ্যাকাউন্ট থাকলে তার হিসাব খোলার শুরু থেকে এপর্যন্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
স্বস্তি সাধারণ করদাতাদের, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে আছে ইরান: ট্রাম্প নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগে মামলা, আসামি যারা দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪.৫৩ বিলিয়ন ডলার প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সেজে তদবির-নিয়োগ বাণিজ্য, অতঃপর… হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্ল্যান বি’-র ডাক ২০২৪ সালের নির্বাচনে কমলার হারের ‘অটোপ্সি রিপোর্ট’ প্রকাশ, যা উঠে এলো পানিতে ডুবে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু ‘ধর্ষকদের দ্রুত বিচার ও রায় নিশ্চিতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে’ বাল্যবিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিচ্ছে তালেবান সরকার রাশিয়া কেন বেলারুশে আরও পারমাণবিক অস্ত্র পাঠাল? অস্ট্রেলিয়া সিরিজে পাকিস্তানের ওয়ানডে দলে ফিরলেন বাবর হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছুঁইছুঁই মিরপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, বিএনপির নেতাকর্মীসহ আসামি শতাধিক বাংলাদেশ সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে জিম্বাবুয়ে বিশ্ববাজারে ফের কমল স্বর্ণের দাম হজ শেষ হওয়া পর্যন্ত ইরানে হামলা স্থগিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদির আহ্বান ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য নিহত বদলি-পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে কাড়ি কাড়ি টাকা কামাচ্ছিলেন তারা গরু কুরবানি কমছে, কারণ কী?