ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘এত নির্লজ্জ মিথ্যাচার কীভাবে করেন’—উপদেষ্টা রিজওয়ানাকে নাজনীন মুন্নী
৫৫০ কোটি টাকার অভিযোগ: ফয়েজ তৈয়্যব বিদেশে, গন্তব্য নেদারল্যান্ডস
আজ থেকে ধানমন্ডি ৩২ ও জেলা-উপজেলা কার্যালয়ে যাওয়ার নির্দেশ শেখ হাসিনার
৫ আগস্টের পর আমাদের অবস্থা খারাপ ছিল, কিন্তু এখন আওয়ামী লীগের জনসমর্থন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
“আওয়ামী লীগকে নিয়ে সবাই ভীতসন্ত্রস্ত বলেই ৬২ ভাগ মানুষের দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে।” — জাহাঙ্গীর কবির নানক
ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সবার আগে দেশত্যাগ ও আইসিটি খাতে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ
আওয়ামী লীগ-বিএনপি বিরোধ বাড়লে ‘নারীবিরোধী’ জামায়াত বড় সাফল্য পেতো: ব্রিটিশ এমপি রুপা হক
সাবেক বিচারপতি জিনাত আরা আইন কমিশনের চেয়ারম্যান
আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হয়েছেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জিনাত আরা। বুধবার তাকে নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০২০ সালে ১২ মার্চ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান তিনি। জিনাত আরা ছিলেন আপিল বিভাগের দ্বিতীয় নারী বিচারপতি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘আইন কমিশন আইন, ১৯৯৬ (১৯৯৬ সনের ১৯নং আইন) এর ধারা ৫-এর উপ-ধারা (১) ও (২)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, সরকার, সাবেক বিচারপতি জিনাত আরাকে নিয়োগের তারিখ হইতে পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করেছে। ওই পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের প্রাপ্য বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্ত হইবেন।’
জিনাত আরা বিএসসি ও এলএলবি
পাশের পর ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর বিচার বিভাগে মুনসেফ হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৯৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে পদোন্নতি পান। এরপর ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান। আর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর জিনাত আরা সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পাশের পর ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর বিচার বিভাগে মুনসেফ হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৯৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে পদোন্নতি পান। এরপর ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান। আর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর জিনাত আরা সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।



