ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন
চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে
সাবেক বিচারপতি জিনাত আরা আইন কমিশনের চেয়ারম্যান
আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হয়েছেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জিনাত আরা। বুধবার তাকে নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০২০ সালে ১২ মার্চ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান তিনি। জিনাত আরা ছিলেন আপিল বিভাগের দ্বিতীয় নারী বিচারপতি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘আইন কমিশন আইন, ১৯৯৬ (১৯৯৬ সনের ১৯নং আইন) এর ধারা ৫-এর উপ-ধারা (১) ও (২)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, সরকার, সাবেক বিচারপতি জিনাত আরাকে নিয়োগের তারিখ হইতে পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করেছে। ওই পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের প্রাপ্য বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্ত হইবেন।’
জিনাত আরা বিএসসি ও এলএলবি
পাশের পর ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর বিচার বিভাগে মুনসেফ হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৯৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে পদোন্নতি পান। এরপর ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান। আর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর জিনাত আরা সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পাশের পর ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর বিচার বিভাগে মুনসেফ হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৯৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে পদোন্নতি পান। এরপর ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান। আর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর জিনাত আরা সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।



