ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
সাদিক কায়েমের তীব্র সমালোচনা রাশেদ খাঁনের
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘টাল্টিবাল্টি’ করবেন না, প্যাকেট করে লন্ডনে পাঠিয়ে দেবে: বিএনপিকে পাটওয়ারী
সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ ১৩ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
সাড়ে ৯ বছর আগে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ছাত্রদল নেতা নুরুজ্জামান জনিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’র নামে হত্যার অভিযোগে সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা ইয়াকুব আলী আজ মঙ্গলবার খিলগাঁও থানায় এ মামলা করেন। এতে সাবেক সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৪৯ নেতাকেও আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয়ে আসামি আছে আরও ২০ জন।
মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ডিবির সাবেক উপ-কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, খিলগাঁও থানার এসআই মো. আলাউদ্দিন, ডিবি রমনা জোনের এসআই দীপক কুমার দাস, ডিবির রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসান আরাফাত, জাহিদুল হক তালুকদার, ডিবির পরিদর্শক
ওহিদুজ্জামান, এস এম শাহরিয়ার হাসান, ডিবির এসআই শিহাব উদ্দিন, বাহাউদ্দিন ফারুকী, জাহাঙ্গির হোসেন, ডিবির কনস্টেবল মো. সোলাইমান ও আবু সায়েদ। নিহত জনি খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনি নিহত হন। এর আগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এজাহারে বলা হয়, আসামিরা ২০১৫ সালের ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত বেআইনিভাবে হেফাজতে রেখে নির্যাতন ও গুলি করে জনিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তাঁর বাবা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করতে থানায় গেলে তাকে মিথ্যা মামলা এবং ক্রসফায়ারে হত্যার ভয় দেখানো হয়। এ ছাড়া আসামিরা দীর্ঘদিন বাদীকে এবং তাঁর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানোর কারণে মামলা করতে পারেননি। তাই
বিলম্বে মামলা দায়ের করা হলো।
ওহিদুজ্জামান, এস এম শাহরিয়ার হাসান, ডিবির এসআই শিহাব উদ্দিন, বাহাউদ্দিন ফারুকী, জাহাঙ্গির হোসেন, ডিবির কনস্টেবল মো. সোলাইমান ও আবু সায়েদ। নিহত জনি খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনি নিহত হন। এর আগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এজাহারে বলা হয়, আসামিরা ২০১৫ সালের ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত বেআইনিভাবে হেফাজতে রেখে নির্যাতন ও গুলি করে জনিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তাঁর বাবা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করতে থানায় গেলে তাকে মিথ্যা মামলা এবং ক্রসফায়ারে হত্যার ভয় দেখানো হয়। এ ছাড়া আসামিরা দীর্ঘদিন বাদীকে এবং তাঁর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানোর কারণে মামলা করতে পারেননি। তাই
বিলম্বে মামলা দায়ের করা হলো।



