ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্য নিরাপত্তা: ১৮ মাস পরেও ভরসা সেই ‘হাসিনা আমলের’ মজুদ
টোল ও ত্রাণের টাকার হিসাব চাইলেন তারেক রহমান, উপদেষ্টাদের বিদেশ যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন
আ. লীগকে বাদ দিয়ে ইনক্লুসিভ ইলেকশন হতে পারে না : বদিউর রহমান
গণভোটে সরকারি চাকুরিজীবীরা কি রাষ্ট্রসৃষ্ট ‘দণ্ডনীয় অপরাধের’ মুখে?
ঢাকায় বাসার ভেতরে পড়েছিল একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ
অবৈধ’ সরকারের অধীনে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিলেন ৫০১ জন প্রকৌশলী
এপস্টেইন ফাইলে নাম ঋণখেলাপী বিএনপি নেতা মিন্টুর
সাংবাদিককে মারধর, বিএনপি নেতা বহিষ্কার
সাংবাদিক মিনহাজ আমানকে মারধর করার ঘটনায় বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ইকবাল হোসেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।
শুক্রবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ইকবাল হোসেন দলবল নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক মিনহাজ আমানকে শারীরিকভাবে আঘাত এবং লাঞ্ছিত করেছেন। যা দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য ইকবালকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।
প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জে অনুসারীদের নিয়ে বাস ভাঙচুরের পর চালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইকবালের বিরুদ্ধে। এ সময় ঘটনার প্রতিবাদ করতে
গিয়ে মারধরের শিকার হন বাসযাত্রী সাংবাদিক মিনহাজ। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার ওই বাস চালকের নাম মো. নয়ন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকার গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয় আসিয়ান পরিবহনের একটি বাস। সায়েদাবাদ এলাকায় যানজটে গাড়ির সামনে হঠাৎ একটি মোটরসাইকেল এসে থামলে দ্রুত ব্রেক করেন চালক। এতে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের ঝাঁকুনি লাগে। এ নিয়ে ওই বিএনপি নেতা চালককে ধমক দেন। তখন চালক পাল্টা তর্ক জুড়লে বিএনপি নেতা চালককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। পরে গাড়িটি সানারপাড় এলাকায় এলে আগে থেকেই সেখানে অপেক্ষমাণ ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক গাড়িটির গতিরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর করেন। পরে তারা
চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে এনে মারধর করেন। এ সময় লোকজন জড়ো হলে ইকবাল তার একটা ভিজিটিং কার্ড চালককে দিয়ে বলেন, তোর বাপেগরে জানাইস কে পিটাইছে।’ এরপর কর্মী বাহিনী নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন ইকবাল। পরে ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়নি। চালক বেপরোয়া গাড়ি চালাচ্ছিলেন। প্রতিবাদ করায় চালক আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলেন। তখন তাকে ভদ্র ভাষায় কথা বলতে বলেছি। ঘটনার সময় একজন সাংবাদিককে হেনস্তার বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিষয়টির জন্য তিনি ওই যাত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সাংবাদিককে হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশি জার্নালিস্ট ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)’। বিবৃতিতে মিনহাজ আমানকে একজন ফ্যাক্ট–চেকিং সাংবাদিক
উল্লেখ করে বিজেআইএমের আহ্বায়ন স্যাম জাহান ও সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান এ বিষয়ে মিনহাজ আমান নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল আমাকে ফোন করে ক্ষমা চেয়েছে। বাসায় আসতে চাচ্ছে, আমি না করে দিয়েছি। তিনি বলতে চাচ্ছেন, আমার ‘পরিচয়’ দেওয়ার দরকার ছিল। তাকে বলেছি আপনার লোক আপনারই সামনে একজন সাধারণ নাগরিকের গায়ে হাত দিয়েছে যে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। কোনো পরিচয়ের ইস্যু এটা না এবং দল হিসেবে বিএনপির কী ক্ষতি হচ্ছে সেটাও তার বোঝা উচিত। তিনি আরও বলেন, আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু সেই রক্তাক্ত ড্রাইভারের
বা সেই ভাঙা বাস মালিকের কী হবে; সে ব্যাপারে আমার জানা নাই। পুরো বিষয়টা থেকে শিক্ষণীয় হচ্ছে, বেইনসাফি হলে আওয়াজ করুন। নিরব থাইকেন না। আপনি একা না।
গিয়ে মারধরের শিকার হন বাসযাত্রী সাংবাদিক মিনহাজ। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার ওই বাস চালকের নাম মো. নয়ন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকার গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয় আসিয়ান পরিবহনের একটি বাস। সায়েদাবাদ এলাকায় যানজটে গাড়ির সামনে হঠাৎ একটি মোটরসাইকেল এসে থামলে দ্রুত ব্রেক করেন চালক। এতে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের ঝাঁকুনি লাগে। এ নিয়ে ওই বিএনপি নেতা চালককে ধমক দেন। তখন চালক পাল্টা তর্ক জুড়লে বিএনপি নেতা চালককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। পরে গাড়িটি সানারপাড় এলাকায় এলে আগে থেকেই সেখানে অপেক্ষমাণ ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক গাড়িটির গতিরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর করেন। পরে তারা
চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে এনে মারধর করেন। এ সময় লোকজন জড়ো হলে ইকবাল তার একটা ভিজিটিং কার্ড চালককে দিয়ে বলেন, তোর বাপেগরে জানাইস কে পিটাইছে।’ এরপর কর্মী বাহিনী নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন ইকবাল। পরে ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়নি। চালক বেপরোয়া গাড়ি চালাচ্ছিলেন। প্রতিবাদ করায় চালক আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলেন। তখন তাকে ভদ্র ভাষায় কথা বলতে বলেছি। ঘটনার সময় একজন সাংবাদিককে হেনস্তার বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিষয়টির জন্য তিনি ওই যাত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সাংবাদিককে হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশি জার্নালিস্ট ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)’। বিবৃতিতে মিনহাজ আমানকে একজন ফ্যাক্ট–চেকিং সাংবাদিক
উল্লেখ করে বিজেআইএমের আহ্বায়ন স্যাম জাহান ও সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান এ বিষয়ে মিনহাজ আমান নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল আমাকে ফোন করে ক্ষমা চেয়েছে। বাসায় আসতে চাচ্ছে, আমি না করে দিয়েছি। তিনি বলতে চাচ্ছেন, আমার ‘পরিচয়’ দেওয়ার দরকার ছিল। তাকে বলেছি আপনার লোক আপনারই সামনে একজন সাধারণ নাগরিকের গায়ে হাত দিয়েছে যে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। কোনো পরিচয়ের ইস্যু এটা না এবং দল হিসেবে বিএনপির কী ক্ষতি হচ্ছে সেটাও তার বোঝা উচিত। তিনি আরও বলেন, আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু সেই রক্তাক্ত ড্রাইভারের
বা সেই ভাঙা বাস মালিকের কী হবে; সে ব্যাপারে আমার জানা নাই। পুরো বিষয়টা থেকে শিক্ষণীয় হচ্ছে, বেইনসাফি হলে আওয়াজ করুন। নিরব থাইকেন না। আপনি একা না।



