ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না
২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা
সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ
বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা
জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত
‘শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা’
দীর্ঘ ১৬ বছর একাধারে ক্ষমতায় ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। প্রশাসনকে ব্যবহার করে বারবার কাঁরচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকেন তিনি। আর সেই ক্ষমতাকে ব্যবহার করে তার দলের নেতারা অবৈধভাবে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। এছাড়া তারা লুটপাট করেছেন দেশের বিপুল সম্পদ।
জানা গেছে, দেশে ঘটে যাওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও শেষে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ঘিরে সহিংসতায় ১ হাজার ৪২৩ জন নিহত হয়েছেন। আন্দোলন ঘিরে ২২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৮৭ জনের অঙ্গহানি হয়েছে। গুলি লেগে আংশিক বা সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন ৬৮৫ জন। ৯২ জনের দুই চোখেই গুলি লেগেছে, দুই চোখই নষ্ট হয়ে গেছে।
অবশেষ দুই
মাসের আন্দোলনে ৫ আগস্ট খুনি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। পরে তিনি পালিয়ে ভারত চলে যান। এরপর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা দেশ ছাড়েন, কেউ গ্রেপ্তার হন। এছাড়া অনেক নেতা আত্মগোপনে আছেন। অনেক নেতাকর্মীদের নামে গণহত্যার দায়ে হত্যা মামলা রয়েছে। এরপরও শেখ হাসিনা, তার দলের নেতারা দেশ ও নোবেল জয়ী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যা বারবার খুনি হাসিনার ফোনালাপেই প্রমাণ হয়েছে। এত লোক খুন করার পরও তার ভেতর কোনো অনুশোচনা নেই। নেটিজেনরা বলছেন, যারা অন্যায় করে ক্ষমা চাই, তাদের ক্ষমা করা যায়। কিন্তু খুনি হাসিনা হাজার হাজার মানুষকে খুন করেও কোনো অনুশোচনা করেনি। বরং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই
যাচ্ছে। তার কোনো ক্ষমা হতে পারে না। দ্রুত গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করতে হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য ভালো হবে। শবনম মুস্তারি নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা। আগে থেকেই তিনি হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ছিল। ক্ষমতা হারানোর পর বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেছে এই মহিলা। মেহেদী হাসান সুমন নামে একজন লিখেছেন, শেখ হাসিনার ভেতর এখনও কোনো অনুশোচনা নেই। বরং উল্টাপাল্টা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতেছে। দ্রুত এই মহিলাকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো উচিত। রেদুয়ান হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য শেখ হাসিনার ফোনালাপগুলোই প্রমাণ।
কতটুকু মানসিক অসুস্থ হলে বারবার একটা সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম মানুষ মনে হয় আর জন্ম নেয়নি। তীরহারা নদী নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগ মানে যাদের কোনো লজ্জা শরম কিছু নেই। শেখ হাসিনার লজ্জা থাকা দরকার যে- তার জন্য কত শত শত প্রাণ দিতে হয়েছে তাও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। দ্রুত তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।
মাসের আন্দোলনে ৫ আগস্ট খুনি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। পরে তিনি পালিয়ে ভারত চলে যান। এরপর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা দেশ ছাড়েন, কেউ গ্রেপ্তার হন। এছাড়া অনেক নেতা আত্মগোপনে আছেন। অনেক নেতাকর্মীদের নামে গণহত্যার দায়ে হত্যা মামলা রয়েছে। এরপরও শেখ হাসিনা, তার দলের নেতারা দেশ ও নোবেল জয়ী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যা বারবার খুনি হাসিনার ফোনালাপেই প্রমাণ হয়েছে। এত লোক খুন করার পরও তার ভেতর কোনো অনুশোচনা নেই। নেটিজেনরা বলছেন, যারা অন্যায় করে ক্ষমা চাই, তাদের ক্ষমা করা যায়। কিন্তু খুনি হাসিনা হাজার হাজার মানুষকে খুন করেও কোনো অনুশোচনা করেনি। বরং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই
যাচ্ছে। তার কোনো ক্ষমা হতে পারে না। দ্রুত গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করতে হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য ভালো হবে। শবনম মুস্তারি নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা। আগে থেকেই তিনি হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ছিল। ক্ষমতা হারানোর পর বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেছে এই মহিলা। মেহেদী হাসান সুমন নামে একজন লিখেছেন, শেখ হাসিনার ভেতর এখনও কোনো অনুশোচনা নেই। বরং উল্টাপাল্টা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতেছে। দ্রুত এই মহিলাকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো উচিত। রেদুয়ান হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য শেখ হাসিনার ফোনালাপগুলোই প্রমাণ।
কতটুকু মানসিক অসুস্থ হলে বারবার একটা সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম মানুষ মনে হয় আর জন্ম নেয়নি। তীরহারা নদী নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগ মানে যাদের কোনো লজ্জা শরম কিছু নেই। শেখ হাসিনার লজ্জা থাকা দরকার যে- তার জন্য কত শত শত প্রাণ দিতে হয়েছে তাও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। দ্রুত তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।



