ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আটক সাংবাদিকদের বিষয়ে ৬৩ বিশিষ্ট জনের উদ্বেগ প্রকাশ
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে ভাঙনের সুর; ‘রাজসাক্ষী’ বানিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ
টাকার বস্তার বিনিময়ে খুনিদের রাজসাক্ষী বানাচ্ছে ‘তাজুল সিন্ডিকেট’! নিজ সহকর্মীর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: আবু সাইয়ীদ সাগরসহ দেড় শতাধিক আইনজীবীর উপস্থিতিতে প্রস্তুতি সভা রূপ নিল মিলনমেলায়
ট্রাইবুনালে ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন: অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
‘ইউনূস সরকার আমাকে গৃহবন্দি করে রেখেছিল, এখন আমি সম্পূর্ণ চাপমুক্ত’: একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
‘শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা’
দীর্ঘ ১৬ বছর একাধারে ক্ষমতায় ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। প্রশাসনকে ব্যবহার করে বারবার কাঁরচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকেন তিনি। আর সেই ক্ষমতাকে ব্যবহার করে তার দলের নেতারা অবৈধভাবে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। এছাড়া তারা লুটপাট করেছেন দেশের বিপুল সম্পদ।
জানা গেছে, দেশে ঘটে যাওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও শেষে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ঘিরে সহিংসতায় ১ হাজার ৪২৩ জন নিহত হয়েছেন। আন্দোলন ঘিরে ২২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৮৭ জনের অঙ্গহানি হয়েছে। গুলি লেগে আংশিক বা সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন ৬৮৫ জন। ৯২ জনের দুই চোখেই গুলি লেগেছে, দুই চোখই নষ্ট হয়ে গেছে।
অবশেষ দুই
মাসের আন্দোলনে ৫ আগস্ট খুনি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। পরে তিনি পালিয়ে ভারত চলে যান। এরপর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা দেশ ছাড়েন, কেউ গ্রেপ্তার হন। এছাড়া অনেক নেতা আত্মগোপনে আছেন। অনেক নেতাকর্মীদের নামে গণহত্যার দায়ে হত্যা মামলা রয়েছে। এরপরও শেখ হাসিনা, তার দলের নেতারা দেশ ও নোবেল জয়ী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যা বারবার খুনি হাসিনার ফোনালাপেই প্রমাণ হয়েছে। এত লোক খুন করার পরও তার ভেতর কোনো অনুশোচনা নেই। নেটিজেনরা বলছেন, যারা অন্যায় করে ক্ষমা চাই, তাদের ক্ষমা করা যায়। কিন্তু খুনি হাসিনা হাজার হাজার মানুষকে খুন করেও কোনো অনুশোচনা করেনি। বরং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই
যাচ্ছে। তার কোনো ক্ষমা হতে পারে না। দ্রুত গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করতে হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য ভালো হবে। শবনম মুস্তারি নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা। আগে থেকেই তিনি হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ছিল। ক্ষমতা হারানোর পর বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেছে এই মহিলা। মেহেদী হাসান সুমন নামে একজন লিখেছেন, শেখ হাসিনার ভেতর এখনও কোনো অনুশোচনা নেই। বরং উল্টাপাল্টা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতেছে। দ্রুত এই মহিলাকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো উচিত। রেদুয়ান হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য শেখ হাসিনার ফোনালাপগুলোই প্রমাণ।
কতটুকু মানসিক অসুস্থ হলে বারবার একটা সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম মানুষ মনে হয় আর জন্ম নেয়নি। তীরহারা নদী নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগ মানে যাদের কোনো লজ্জা শরম কিছু নেই। শেখ হাসিনার লজ্জা থাকা দরকার যে- তার জন্য কত শত শত প্রাণ দিতে হয়েছে তাও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। দ্রুত তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।
মাসের আন্দোলনে ৫ আগস্ট খুনি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। পরে তিনি পালিয়ে ভারত চলে যান। এরপর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা দেশ ছাড়েন, কেউ গ্রেপ্তার হন। এছাড়া অনেক নেতা আত্মগোপনে আছেন। অনেক নেতাকর্মীদের নামে গণহত্যার দায়ে হত্যা মামলা রয়েছে। এরপরও শেখ হাসিনা, তার দলের নেতারা দেশ ও নোবেল জয়ী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যা বারবার খুনি হাসিনার ফোনালাপেই প্রমাণ হয়েছে। এত লোক খুন করার পরও তার ভেতর কোনো অনুশোচনা নেই। নেটিজেনরা বলছেন, যারা অন্যায় করে ক্ষমা চাই, তাদের ক্ষমা করা যায়। কিন্তু খুনি হাসিনা হাজার হাজার মানুষকে খুন করেও কোনো অনুশোচনা করেনি। বরং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই
যাচ্ছে। তার কোনো ক্ষমা হতে পারে না। দ্রুত গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করতে হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য ভালো হবে। শবনম মুস্তারি নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা। আগে থেকেই তিনি হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ছিল। ক্ষমতা হারানোর পর বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেছে এই মহিলা। মেহেদী হাসান সুমন নামে একজন লিখেছেন, শেখ হাসিনার ভেতর এখনও কোনো অনুশোচনা নেই। বরং উল্টাপাল্টা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতেছে। দ্রুত এই মহিলাকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো উচিত। রেদুয়ান হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য শেখ হাসিনার ফোনালাপগুলোই প্রমাণ।
কতটুকু মানসিক অসুস্থ হলে বারবার একটা সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম মানুষ মনে হয় আর জন্ম নেয়নি। তীরহারা নদী নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগ মানে যাদের কোনো লজ্জা শরম কিছু নেই। শেখ হাসিনার লজ্জা থাকা দরকার যে- তার জন্য কত শত শত প্রাণ দিতে হয়েছে তাও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। দ্রুত তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।



