ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারখানা বন্ধের মিছিল বাড়ছেঃ ক্রুড ওয়েল সংকটে এবার বন্ধ হলো দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি
ধানমন্ডিতে আদি-চিরায়ত রূপে ফিরল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’- হাজারো বাঙালির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উদযাপন
সাগরে ইলিশের প্রাচুর্য হলেও সাধারণের নাগালের বাইরে: গত বছরের চেয়ে দাম বেড়েছে ১৫%
১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
‘শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা’
দীর্ঘ ১৬ বছর একাধারে ক্ষমতায় ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। প্রশাসনকে ব্যবহার করে বারবার কাঁরচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকেন তিনি। আর সেই ক্ষমতাকে ব্যবহার করে তার দলের নেতারা অবৈধভাবে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। এছাড়া তারা লুটপাট করেছেন দেশের বিপুল সম্পদ।
জানা গেছে, দেশে ঘটে যাওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও শেষে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ঘিরে সহিংসতায় ১ হাজার ৪২৩ জন নিহত হয়েছেন। আন্দোলন ঘিরে ২২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৮৭ জনের অঙ্গহানি হয়েছে। গুলি লেগে আংশিক বা সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন ৬৮৫ জন। ৯২ জনের দুই চোখেই গুলি লেগেছে, দুই চোখই নষ্ট হয়ে গেছে।
অবশেষ দুই
মাসের আন্দোলনে ৫ আগস্ট খুনি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। পরে তিনি পালিয়ে ভারত চলে যান। এরপর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা দেশ ছাড়েন, কেউ গ্রেপ্তার হন। এছাড়া অনেক নেতা আত্মগোপনে আছেন। অনেক নেতাকর্মীদের নামে গণহত্যার দায়ে হত্যা মামলা রয়েছে। এরপরও শেখ হাসিনা, তার দলের নেতারা দেশ ও নোবেল জয়ী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যা বারবার খুনি হাসিনার ফোনালাপেই প্রমাণ হয়েছে। এত লোক খুন করার পরও তার ভেতর কোনো অনুশোচনা নেই। নেটিজেনরা বলছেন, যারা অন্যায় করে ক্ষমা চাই, তাদের ক্ষমা করা যায়। কিন্তু খুনি হাসিনা হাজার হাজার মানুষকে খুন করেও কোনো অনুশোচনা করেনি। বরং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই
যাচ্ছে। তার কোনো ক্ষমা হতে পারে না। দ্রুত গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করতে হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য ভালো হবে। শবনম মুস্তারি নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা। আগে থেকেই তিনি হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ছিল। ক্ষমতা হারানোর পর বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেছে এই মহিলা। মেহেদী হাসান সুমন নামে একজন লিখেছেন, শেখ হাসিনার ভেতর এখনও কোনো অনুশোচনা নেই। বরং উল্টাপাল্টা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতেছে। দ্রুত এই মহিলাকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো উচিত। রেদুয়ান হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য শেখ হাসিনার ফোনালাপগুলোই প্রমাণ।
কতটুকু মানসিক অসুস্থ হলে বারবার একটা সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম মানুষ মনে হয় আর জন্ম নেয়নি। তীরহারা নদী নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগ মানে যাদের কোনো লজ্জা শরম কিছু নেই। শেখ হাসিনার লজ্জা থাকা দরকার যে- তার জন্য কত শত শত প্রাণ দিতে হয়েছে তাও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। দ্রুত তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।
মাসের আন্দোলনে ৫ আগস্ট খুনি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। পরে তিনি পালিয়ে ভারত চলে যান। এরপর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা দেশ ছাড়েন, কেউ গ্রেপ্তার হন। এছাড়া অনেক নেতা আত্মগোপনে আছেন। অনেক নেতাকর্মীদের নামে গণহত্যার দায়ে হত্যা মামলা রয়েছে। এরপরও শেখ হাসিনা, তার দলের নেতারা দেশ ও নোবেল জয়ী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যা বারবার খুনি হাসিনার ফোনালাপেই প্রমাণ হয়েছে। এত লোক খুন করার পরও তার ভেতর কোনো অনুশোচনা নেই। নেটিজেনরা বলছেন, যারা অন্যায় করে ক্ষমা চাই, তাদের ক্ষমা করা যায়। কিন্তু খুনি হাসিনা হাজার হাজার মানুষকে খুন করেও কোনো অনুশোচনা করেনি। বরং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই
যাচ্ছে। তার কোনো ক্ষমা হতে পারে না। দ্রুত গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করতে হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য ভালো হবে। শবনম মুস্তারি নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, শেখ হাসিনা একজন মানসিক বিকারগ্রস্ত মহিলা। আগে থেকেই তিনি হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ছিল। ক্ষমতা হারানোর পর বদ্ধ উন্মাদ হয়ে গেছে এই মহিলা। মেহেদী হাসান সুমন নামে একজন লিখেছেন, শেখ হাসিনার ভেতর এখনও কোনো অনুশোচনা নেই। বরং উল্টাপাল্টা যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতেছে। দ্রুত এই মহিলাকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো উচিত। রেদুয়ান হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য শেখ হাসিনার ফোনালাপগুলোই প্রমাণ।
কতটুকু মানসিক অসুস্থ হলে বারবার একটা সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম মানুষ মনে হয় আর জন্ম নেয়নি। তীরহারা নদী নামে একজন লিখেছেন, আওয়ামী লীগ মানে যাদের কোনো লজ্জা শরম কিছু নেই। শেখ হাসিনার লজ্জা থাকা দরকার যে- তার জন্য কত শত শত প্রাণ দিতে হয়েছে তাও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। দ্রুত তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক।



