শাহবাগে পুলিশের বাধার মুখে সরকারি কর্মচারীরা, ছত্রভঙ্গে জলকামান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আরও খবর

অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ

‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ

লাইসেন্স নবায়ন নামঞ্জুর, তবুও বিটিআরসির ছত্রছায়ায় চুটিয়ে চলছে মেট্রোনেটের ব্যবসা!

আবারও ভুয়া শহীদ ও ভুয়া জুলাইযোদ্ধার নাম তালিকায়, ব্যাপক ঘাপলা-অনিয়মের সন্ধান

ইউনূসের স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম ছাড়, অথচ সবচেয়ে বেশী শর্ত

ট্টগ্রামে বার নির্বাচন: আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বাধাদান: জেএমবিএফ-এর নিন্দা, জাতিসংঘ-ইইউর হস্তক্ষেপ দাবি

‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’

শাহবাগে পুলিশের বাধার মুখে সরকারি কর্মচারীরা, ছত্রভঙ্গে জলকামান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ |
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়া সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায়ে ঐক্য পরিষদের মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। ৫০ শতাংশ মহার্ঘভাতা ও নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবিতে শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে এ মিছিল শুরু হয়। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছলে মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। বাধা পেরিয়ে কর্মচারীরা সামনে এগোনোর চেষ্টা করলে জলকামান দিয়ে পানি ছিটিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। এদিকে কর্মচারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাওয়ার পর পুলিশ আন্দোলনকারীদের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তাদের ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে যমুনায় যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। বিকাল সোয়া ৩টার দিকে তারা দাবি-দাওয়া নিয়ে যমুনায় যান। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ১১তম থেকে ২০তম গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী

ফোরামের সমন্বয়ক মাহমুদুল হাসান ও বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড সরকারি কর্মচারী সমিতির সমন্বয়ক রফিকুল আলম। সকাল ১০টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ শুরু করে সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। সমাবেশে সরকারি কর্মচারীরা বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা নিরলসভাবে মানুষের সেবা দিয়ে আসছে। তারা যৌক্তিক দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। অবিলম্বে ৭ দফা দাবি মেনে নিতে হবে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের দাবি-দাওয়া মেনে না নেওয়া হলে সারাদেশের সব সরকারি অফিসে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। এদিকে, সমাবেশ শেষে দাবি-দাওয়া নিয়ে হঠাৎ কর্মচারীরা

মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়ার ঘোষণা দেন। কর্মচারীদের সাত দফা দাবি ১. বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পে-কমিশন গঠন ও পে-স্কেল ব্যক্তবায়নের পূর্ব পর্যন্ত অন্তর্বতী সময়ের জন্য ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা (১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য) জানুয়ারি ২০২৫ থেকে কার্যকর করতে হবে। ২. যে সব কর্মচারী মূল বেতনের শেষ ধাপে উন্নিত হয়েছেন, তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করতে হবে। বেতন স্কেলের বৈষম্য নিরসনের জন্য ১০ ধাপে বেতন স্কেলে নির্ধারণসহ পে-কমিশনে কর্মচারী প্রতিনিধি রাখতে হবে। ৩. সচিবালয়ের ন্যায় সকল সরকারি, আধাসরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের সমপদগুলোর পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন করতে হবে এবং এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রনয়ন

করে কর্মচারীদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দূর করতে হবে। ৪. ২০১৫ সালে পে-স্কেলের গেজেটে প্রত্যাহারকৃত তিনটি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল ও সকল স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি/আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের স্থলে শতভাগ নির্ধারণ ও পেনশন গ্র্যাচুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ৫. বাজারমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুল্যস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে প্রদেয় সকল ভাতাদি পুনঃনির্ধারণ, ১১-২০ গ্রেডের রেশন ব্যবস্থার প্রর্বতন ও সরকার প্রদত্ত গৃহ ঋণ সুবিধা সহজীকরণ করতে হবে। ৬. ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড দিতে হবে। এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল

পদমর্যাদা দিতে হবে। ৭. উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত পদের পদধারীদের প্রকল্পের চাকরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড দেওয়ার অবকাশ নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয় হতে জারি করা বৈষম্যমূলক আদেশ ও আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
প্রতিকূলতার মাঝেও সাধারণ মানুষের পাশে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ: কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ ঈদের আগেই বিদ্যুৎ সংকটে চামড়া শিল্পনগরী: রপ্তানি বিপর্যয়ের শঙ্কায় ট্যানারি মালিকরা লাইসেন্স নবায়ন নামঞ্জুর, তবুও বিটিআরসির ছত্রছায়ায় চুটিয়ে চলছে মেট্রোনেটের ব্যবসা! আবারও ভুয়া শহীদ ও ভুয়া জুলাইযোদ্ধার নাম তালিকায়, ব্যাপক ঘাপলা-অনিয়মের সন্ধান “হাম হলে আয়ু বাড়ে”—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেপরোয়া মন্তব্যে ক্ষোভ, নেপথ্যে ইউনূস-নুরজাহানের টিকা ব্যর্থতা ধামাচাপার চেষ্টা? ইউনূসের স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম ছাড়, অথচ সবচেয়ে বেশী শর্ত পাকিস্তানে পুলিশ ফাঁড়ি উড়িয়ে দিলো অজ্ঞাত পক্ষ, ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত ‘এটা তোমার জন্য বাবা’, দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়ে উরবিলের বিশেষ উদযাপন ক্ষমতায় থাকা আর ক্ষমতা চর্চা করা এক কথা নয় ফ্যাক্ট চেক: ‘ভারতে হিন্দুরা মসজিদে বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে’ দাবিটি গুজব, ঘটনাস্থল বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধ না হলে কঠোর প্রতিরোধ, হুঁশিয়ারি ছাত্রদলের ট্টগ্রামে বার নির্বাচন: আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বাধাদান: জেএমবিএফ-এর নিন্দা, জাতিসংঘ-ইইউর হস্তক্ষেপ দাবি আকুর বড় অঙ্কের বিল দিয়েও ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ যেসব ভুলের কারণে ইরান যুদ্ধে হারতে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯ ‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’ যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিল ইরান ইরান কখনোই শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান