শাহবাগে পুলিশের বাধার মুখে সরকারি কর্মচারীরা, ছত্রভঙ্গে জলকামান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
     ৫:৫০ অপরাহ্ণ

শাহবাগে পুলিশের বাধার মুখে সরকারি কর্মচারীরা, ছত্রভঙ্গে জলকামান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ | ৫:৫০ 268 ভিউ
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়া সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায়ে ঐক্য পরিষদের মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। ৫০ শতাংশ মহার্ঘভাতা ও নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবিতে শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে এ মিছিল শুরু হয়। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছলে মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। বাধা পেরিয়ে কর্মচারীরা সামনে এগোনোর চেষ্টা করলে জলকামান দিয়ে পানি ছিটিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। এদিকে কর্মচারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাওয়ার পর পুলিশ আন্দোলনকারীদের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তাদের ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে যমুনায় যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। বিকাল সোয়া ৩টার দিকে তারা দাবি-দাওয়া নিয়ে যমুনায় যান। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ১১তম থেকে ২০তম গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী

ফোরামের সমন্বয়ক মাহমুদুল হাসান ও বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড সরকারি কর্মচারী সমিতির সমন্বয়ক রফিকুল আলম। সকাল ১০টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ শুরু করে সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। সমাবেশে সরকারি কর্মচারীরা বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা নিরলসভাবে মানুষের সেবা দিয়ে আসছে। তারা যৌক্তিক দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। অবিলম্বে ৭ দফা দাবি মেনে নিতে হবে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের দাবি-দাওয়া মেনে না নেওয়া হলে সারাদেশের সব সরকারি অফিসে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। এদিকে, সমাবেশ শেষে দাবি-দাওয়া নিয়ে হঠাৎ কর্মচারীরা

মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়ার ঘোষণা দেন। কর্মচারীদের সাত দফা দাবি ১. বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পে-কমিশন গঠন ও পে-স্কেল ব্যক্তবায়নের পূর্ব পর্যন্ত অন্তর্বতী সময়ের জন্য ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা (১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য) জানুয়ারি ২০২৫ থেকে কার্যকর করতে হবে। ২. যে সব কর্মচারী মূল বেতনের শেষ ধাপে উন্নিত হয়েছেন, তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করতে হবে। বেতন স্কেলের বৈষম্য নিরসনের জন্য ১০ ধাপে বেতন স্কেলে নির্ধারণসহ পে-কমিশনে কর্মচারী প্রতিনিধি রাখতে হবে। ৩. সচিবালয়ের ন্যায় সকল সরকারি, আধাসরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের সমপদগুলোর পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন করতে হবে এবং এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রনয়ন

করে কর্মচারীদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দূর করতে হবে। ৪. ২০১৫ সালে পে-স্কেলের গেজেটে প্রত্যাহারকৃত তিনটি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল ও সকল স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি/আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের স্থলে শতভাগ নির্ধারণ ও পেনশন গ্র্যাচুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ৫. বাজারমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুল্যস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে প্রদেয় সকল ভাতাদি পুনঃনির্ধারণ, ১১-২০ গ্রেডের রেশন ব্যবস্থার প্রর্বতন ও সরকার প্রদত্ত গৃহ ঋণ সুবিধা সহজীকরণ করতে হবে। ৬. ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড দিতে হবে। এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল

পদমর্যাদা দিতে হবে। ৭. উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত পদের পদধারীদের প্রকল্পের চাকরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড দেওয়ার অবকাশ নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয় হতে জারি করা বৈষম্যমূলক আদেশ ও আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাতীয় নির্বাচন স্থগিতের দাবি ১৩৫ সাংবাদিকের সাভার-আশুলিয়ার সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ৮০ বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধকে জেলে পচিয়ে মারাই যদি শাসনের নমুনা হয় গ্রামীণের সুযোগ-সুবিধা ঘিরে প্রশ্ন Losing His Wife. Losing His Newborn. Losing Justice. দেশ আজ ক্লান্ত, দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত, দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা। জামায়াতের ইতিহাস বিকৃতি, নিজের ফাঁদে বিএনপি হাসিনা সরকারের মতো সরকার আর আসবে না’—ভিডিওতে নাগরিকের আক্ষেপ বিশেষজ্ঞ বাদ দিয়ে, জনমত উপেক্ষা করে গণমাধ্যমে শিকল পরানোর ষড়যন্ত্র স্মরণকালের ভয়াবহতম রক্তাক্ত নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ ইউনূসের দুঃশাসন: দেড় বছরে ‘মব’ হামলায় নিহত ২৫৯ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের পর এবার জাতীয় ভোটেও জালিয়াতির নীল নকশায় জামায়াত ভোটের আগে পাকিস্তান থেকে ঢুকছে অস্ত্র, উদ্দেশ্য সহিংসতা বাংলাদেশ যদি মৌলবাদীদের হাতে পড়ে, দিল্লি কি নিরাপদ থাকবে? বাংলাদেশকে দুর্বল রাষ্ট্রে পরিণত করার ভূরাজনৈতিক নকশা ড. ইউনুস সরকারের আমলে বাংলাদেশ ‘বাটপারিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’ গণভোট, রাষ্ট্রীয় পক্ষপাত ও অবৈধ ইউনূস সরকার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এক ভয়াবহ সতর্ক সংকেত জামায়াতকে যারা ইসলামী দল বলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে : চরমোনাই পীর রঙিন বিপ্লব’-এর পর বাংলাদেশ কি ইসলামি একনায়কতন্ত্রের পথে? নতুন বইয়ে সতর্কবার্তা ইবনে সিনায় শত কোটি টাকার ‘হরিলুট’: কাঠগড়ায় জামায়াত নেতা ডা. তাহের