ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আটক সাংবাদিকদের বিষয়ে ৬৩ বিশিষ্ট জনের উদ্বেগ প্রকাশ
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে ভাঙনের সুর; ‘রাজসাক্ষী’ বানিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ
টাকার বস্তার বিনিময়ে খুনিদের রাজসাক্ষী বানাচ্ছে ‘তাজুল সিন্ডিকেট’! নিজ সহকর্মীর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: আবু সাইয়ীদ সাগরসহ দেড় শতাধিক আইনজীবীর উপস্থিতিতে প্রস্তুতি সভা রূপ নিল মিলনমেলায়
ট্রাইবুনালে ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন: অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
‘ইউনূস সরকার আমাকে গৃহবন্দি করে রেখেছিল, এখন আমি সম্পূর্ণ চাপমুক্ত’: একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
যৌথবাহিনীর অভিযান ১৫ দিনে ১৮৫ অস্ত্র উদ্ধার গ্রেফতার ৮৪
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া ১৮৫টি অস্ত্র যৌথবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও এ ঘটনায় গত ১৫ দিনে ৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ১৮৫টি। এ সময় ৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১১টি রিভলভার, ৫৬টি পিস্তল, ১১টি রাইফেল, ২৫টি শটগান, ৫টি পাইপগান, ২০টি শুটারগান, ১৩টি এলজি, ২৫টি বন্দুক, একটি একে-৪৭, দুটি গ্যাসগান, একটি চাইনিজ রাইফেল, তিনটি এয়ারগান, চারটি এসবিবিএ, চারটি এসএমজি, দুটি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার ও দুটি
ত্রি-কোয়াটার। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশে দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন থানায় অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালায়। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। ৩ সেপ্টেম্বর ছিল অস্ত্র-গোলাবারুদ জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালান। যৌথ অভিযানে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কোস্টগার্ড এবং র্যাব।
ত্রি-কোয়াটার। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশে দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন থানায় অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালায়। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। ৩ সেপ্টেম্বর ছিল অস্ত্র-গোলাবারুদ জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালান। যৌথ অভিযানে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কোস্টগার্ড এবং র্যাব।



