ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৩০ কার্যদিবসের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: ইনকিলাব মঞ্চ
দেশকে অন্ধকার থেকে বাঁচান’: ২০২৬-এর নতুন বছরে ঐক্যের ডাক শেখ হাসিনার
এখনও ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভোট আওয়ামী লীগের’— নির্বাচনের সমীকরণ জানালেন সাধারণ জনতা
কুড়িগ্রামে শীতে কাপছে গরিবের প্রাণ এত তীব্র শীতেও কম্বল দিলো না গরিবের রক্তচোষা-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং
ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে
কারাগার এখন মৃত্যুকূপ! অবৈধ ইউনুস সরকারের শাসনে আওয়ামী লীগ নিধনের নামে পরিকল্পিত হত্যা শুরু হয়েছে!
রাষ্ট্র ঝুঁকিতে, বাংলাদেশকে উগ্রবাদী রাষ্ট্রে ঠেলে দেওয়ার নীলনকশা
যৌথবাহিনীর অভিযান ১৫ দিনে ১৮৫ অস্ত্র উদ্ধার গ্রেফতার ৮৪
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া ১৮৫টি অস্ত্র যৌথবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও এ ঘটনায় গত ১৫ দিনে ৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ১৮৫টি। এ সময় ৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১১টি রিভলভার, ৫৬টি পিস্তল, ১১টি রাইফেল, ২৫টি শটগান, ৫টি পাইপগান, ২০টি শুটারগান, ১৩টি এলজি, ২৫টি বন্দুক, একটি একে-৪৭, দুটি গ্যাসগান, একটি চাইনিজ রাইফেল, তিনটি এয়ারগান, চারটি এসবিবিএ, চারটি এসএমজি, দুটি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার ও দুটি
ত্রি-কোয়াটার। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশে দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন থানায় অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালায়। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। ৩ সেপ্টেম্বর ছিল অস্ত্র-গোলাবারুদ জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালান। যৌথ অভিযানে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কোস্টগার্ড এবং র্যাব।
ত্রি-কোয়াটার। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশে দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন থানায় অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালায়। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। ৩ সেপ্টেম্বর ছিল অস্ত্র-গোলাবারুদ জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালান। যৌথ অভিযানে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কোস্টগার্ড এবং র্যাব।



