ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামালপুরে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতা-কর্মীর গণআত্মসমর্পণ, আদালতের কারাগারে পাঠানোর আদেশ
বরিশালেও বেড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব: ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ২০৬
নানি-নাতির আলোচিত প্রেম, এলাকাজুড়ে তোলপাড়!
গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপিকে হেলিকপ্টারে নেওয়া হলো ঢাকায়
ফেনীর ২৮ পাম্পেই মিলছে না অকটেন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম আটক
ফের ৬ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী
যুবদল নেতা বললেন, রাস্তায় আ.লীগকে দেখলে পিটিয়ে মারবেন
কুষ্টিয়ার মিরপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের রাস্তায় দেখলে পিটিয়ে মেরে ফেলার নির্দেশনা দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন স্থানীয় যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক। তিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী রব্বানের ভাগনে।
১ মিনিট ২ সেকেন্ডর ওই ভিডিও রফিকুল নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। এর পর ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
পাঁচদিন আগে দেওয়া বক্তব্যটি আজ মঙ্গলবার সাড়ে ১১টার দিকেও রফিকুলের আইডিতে দেখা গেছে। ভিডিওতে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে রফিকুলকে বলতে শোনা যায়, ‘যদি কখনও কোনো আওয়ামী লীগকে দেখেন রাস্তায় পিটিয়ে মারবেন। ওই .. বাচ্চারা আমাদের রাস্তায় বের হতে দেইনি, বাজারে যেতে দেইনি। আমাদের বাজার পর্যন্ত করতে দেইনি।
এতো জঘন্য রাজনীতি করে তাঁরা।’ যুবদল নেতা রফিকুল আরও বলেন, ‘বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের কাউকে তিনজন এক সঙ্গে বসতে দেওয়া হয়নি। বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে, আমাদের নামে গায়েবি ও নাশকতা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই অনেক কষ্ট করেছি। তাই আপনাদের অনুরোধ করে বলব, আপনারা দলের ভেতর কোনো গ্রুপিং করবেন না। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজনীতি করবেন।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের নিমতলা বাজারে স্থানীয় বিএনপি অফিসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় নেতা-কর্মীদের এমন নির্দেশনা দেন রফিকুল ইসলাম। তিনি যখন বক্তব্য দেন তখন তার সামনে নেতা-কর্মীরা বসা ছিলেন। বক্তব্যের সময় অনেকে হাতে তালি দেন। সেই সভায় দেওয়া তাঁর
বক্তব্যের ভিডিও তিনি নিজেই ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। এমন বক্তৃতার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১৫ থেকে ১৬ বছর আমরা নির্যাতনের শিকার হয়েছি। সবার নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে থাকতে পারিনি। ঘুমাতে দেয়নি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসতে দেয়নি। নির্যাতনের শেষ নেই। সেই কষ্টের জায়গা থেকে আবেগে এই কথা (পিটিয়ে মারা) বলেছি। আবার এইটুকু না বললেও হয় না, বলতে হয়। নেতা-কর্মীদের ধরে রাখতে গেলে বলতে হয়।’ তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হক বলেন, ‘বিএনপি এই ধরনের বক্তব্যকে সমর্থন করে না। আমাদের এমন কোনো নির্দেশনাও নেই। এটার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এতো জঘন্য রাজনীতি করে তাঁরা।’ যুবদল নেতা রফিকুল আরও বলেন, ‘বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের কাউকে তিনজন এক সঙ্গে বসতে দেওয়া হয়নি। বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে, আমাদের নামে গায়েবি ও নাশকতা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই অনেক কষ্ট করেছি। তাই আপনাদের অনুরোধ করে বলব, আপনারা দলের ভেতর কোনো গ্রুপিং করবেন না। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজনীতি করবেন।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের নিমতলা বাজারে স্থানীয় বিএনপি অফিসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় নেতা-কর্মীদের এমন নির্দেশনা দেন রফিকুল ইসলাম। তিনি যখন বক্তব্য দেন তখন তার সামনে নেতা-কর্মীরা বসা ছিলেন। বক্তব্যের সময় অনেকে হাতে তালি দেন। সেই সভায় দেওয়া তাঁর
বক্তব্যের ভিডিও তিনি নিজেই ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। এমন বক্তৃতার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১৫ থেকে ১৬ বছর আমরা নির্যাতনের শিকার হয়েছি। সবার নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে থাকতে পারিনি। ঘুমাতে দেয়নি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসতে দেয়নি। নির্যাতনের শেষ নেই। সেই কষ্টের জায়গা থেকে আবেগে এই কথা (পিটিয়ে মারা) বলেছি। আবার এইটুকু না বললেও হয় না, বলতে হয়। নেতা-কর্মীদের ধরে রাখতে গেলে বলতে হয়।’ তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হক বলেন, ‘বিএনপি এই ধরনের বক্তব্যকে সমর্থন করে না। আমাদের এমন কোনো নির্দেশনাও নেই। এটার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



