মেক্সিকোয় মাদক গ্যাংগুলোর সংঘর্ষে নিহত ১৯২ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ অক্টোবর, ২০২৪
     ৫:১৩ অপরাহ্ণ

মেক্সিকোয় মাদক গ্যাংগুলোর সংঘর্ষে নিহত ১৯২

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ অক্টোবর, ২০২৪ | ৫:১৩ 174 ভিউ
মেক্সিকোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিনালোয়া রাজ্যে মাদক গ্যাংগুলোর মধ্যে চলমান সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৯২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সিনালোয়া স্টেট পাবলিক সিকিউরিটি কাউন্সিল বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এ সহিংসতায় প্রায় ২০০টি হত্যাকাণ্ড এবং ২২৬টি নিখোঁজ ঘটনার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এছাড়াও সংঘর্ষে প্রায় ২০০ পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে, ১৮০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে এবং ২,০০০ মানুষ চাকরি হারিয়েছে। এ সহিংসতা শুরু হয় সিনালোয়া কার্টেলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং কুখ্যাত মাদক সম্রাট ইসমাইল ‘এল মায়ো’ জাম্বাদা গ্রেফতারের পর। জাম্বাদা গত ২৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের এল পাসো থেকে গ্রেফতার হওয়ার পর সিনালোয়া কার্টেলে ক্ষমতার ভারসাম্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। জাম্বাদার অনুগামীদের সঙ্গে এল চাপোর

(জোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমান) উত্তরসূরিরা, যাদেরকে ‘দ্য চাপিটোস’ অভিহিত করা হয়, তারা ক্ষমতা দখল করার জন্য নিজেদের মধ্যে এ সহিংস লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়। এ সংঘর্ষকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সিনালোয়ার গভর্নর রুবেন রোচা ময়া রাজ্যে গত সপ্তাহে ৫৯০ জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি তারা আমাদের সাহায্য করবে… ন্যাশনাল গার্ড, এয়ার ফোর্স, নেভি এবং স্টেট পুলিশ একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যারা আমাদের সহিংসতা কমাতে সাহায্য করেছে। তবে দুর্ভাগ্যবশত, আমরা এখনও বলতে পারছি না যে, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে’। চলমান এ সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সিনালোয়া অঞ্চলে স্থানীয় ব্যবসা এবং পরিবারগুলো প্রচণ্ড কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?