ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
মার্কিন ইহুদিদের ৩৭ শতাংশ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে
দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। উদ্দেশ্য সেখানকার শাসক গোষ্ঠী ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নির্মূল করা। আর এই আগ্রাসনে শুরু থেকেই দৃঢ় সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সরবরাহ করা অস্ত্রে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে পুরো গাজা উপত্যকা।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইসরাইলি আগ্রাসনে গাজায় ৪৪ হাজার ১৭৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত হয়েছে এক লাখ ৪ হাজার ৪৭৩ ফিলিস্তিনি। এদিকে, হামাস নির্মূলে আগ্রাসন চালালেও ইসরাইলের নিজের করা এক জরিপে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী মার্কিন-ইহুদি তরুণদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র
সংগঠন হামাসের প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছে। জরিপটি করেছে ইসরাইলের প্রবাসীকল্যাণ ও ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলা-বিষয়ক মন্ত্রণালয়। জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ‘আমি হামাসের প্রতি সহানুভূতিশীল’—এ বক্তব্যকে ‘সমর্থন’ বা ‘শক্ত সমর্থন’ দিয়েছেন ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ মার্কিন-ইহুদি তরুণ। ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে ওই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাসকারী ইহুদি তরুণদের মধ্যে ৭ শতাংশ। এদিকে জরিপে অংশগ্রহণকারী মার্কিন–ইহুদি তরুণদের বড় একটি অংশ এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে যে, ইসরাইল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। এ হার ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাসকারী ইহুদি তরুণদের মধ্যে এ হার ১০ শতাংশ। বিস্ময়কর হল- মার্কিন-ইহুদি তরুণদের উল্লেখযোগ্য অংশ শুধু যে হামাসের প্রতিই
সহানুভূতিশীল তা নয়, তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ (৬৬ শতাংশ) সার্বিকভাবে ফিলিস্তিনি জনগণের ব্যাপারেও সহানুভূতিশীল। জরিপে এও দেখা গেছে, এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ইসরাইলপন্থী মনোভাব পোষণ করে, যেমন ৬২ শতাংশ মার্কিন-ইহুদি তরুণ নিজেদের ইহুদিবাদী বলে বিবেচনা করেন। অন্যদিকে ৮৪ শতাংশ বলেছে, ‘একটি ইহুদি রাষ্ট্র’ হিসেবে ইসরাইলের টিকে থাকার অধিকার রয়েছে।
সংগঠন হামাসের প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছে। জরিপটি করেছে ইসরাইলের প্রবাসীকল্যাণ ও ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলা-বিষয়ক মন্ত্রণালয়। জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ‘আমি হামাসের প্রতি সহানুভূতিশীল’—এ বক্তব্যকে ‘সমর্থন’ বা ‘শক্ত সমর্থন’ দিয়েছেন ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ মার্কিন-ইহুদি তরুণ। ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে ওই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাসকারী ইহুদি তরুণদের মধ্যে ৭ শতাংশ। এদিকে জরিপে অংশগ্রহণকারী মার্কিন–ইহুদি তরুণদের বড় একটি অংশ এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে যে, ইসরাইল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। এ হার ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাসকারী ইহুদি তরুণদের মধ্যে এ হার ১০ শতাংশ। বিস্ময়কর হল- মার্কিন-ইহুদি তরুণদের উল্লেখযোগ্য অংশ শুধু যে হামাসের প্রতিই
সহানুভূতিশীল তা নয়, তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ (৬৬ শতাংশ) সার্বিকভাবে ফিলিস্তিনি জনগণের ব্যাপারেও সহানুভূতিশীল। জরিপে এও দেখা গেছে, এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ইসরাইলপন্থী মনোভাব পোষণ করে, যেমন ৬২ শতাংশ মার্কিন-ইহুদি তরুণ নিজেদের ইহুদিবাদী বলে বিবেচনা করেন। অন্যদিকে ৮৪ শতাংশ বলেছে, ‘একটি ইহুদি রাষ্ট্র’ হিসেবে ইসরাইলের টিকে থাকার অধিকার রয়েছে।



