মসজিদে মশার কয়েল ব্যবহার করা কি জায়েজ? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ

মসজিদে মশার কয়েল ব্যবহার করা কি জায়েজ?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ১০:০৬ 325 ভিউ
প্রশ্ন : কুরআন-হাদিসের আলোকে মসজিদে কয়েল ব্যবহারের বিধান কী? এতে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচা গেলেও কয়েলের দুর্গন্ধের কারণে অনেকের সমস্যা হয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর সমাধান কী? উত্তর : ইসলামি শরিয়তে মসজিদে দুর্গন্ধযুক্ত যে কোনো কিছুই নিষিদ্ধ। দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ার কারণে পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি খেয়ে মসজিদে আসতে হাদিসে নিষেধ করা হয়েছে। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) পেঁয়াজ ও রসুন খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদে আমরা তা খেলে তিনি বলেন, ‘যে এসব দুর্গন্ধযুক্ত উদ্ভিদের অংশ খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায়, ফেরেশতারাও সেসব জিনিসে কষ্ট পান’। [সহিহ মুসলিম, ১১৩৪]। এ হাদিসের ভিত্তিতে আলেমরা

যে কোনো দুর্গন্ধযুক্ত জিনিস মসজিদে প্রবেশ করানোকে নাজায়েজ বলেছেন। কারণ, তা মসজিদে বিদ্যমান মানুষ ও ফেরেশতাদের কষ্টের কারণ হয়। অতএব, মসজিদে দুর্গন্ধযুক্ত কয়েল জ্বালানো জায়েজ হবে না। মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য দুর্গন্ধমুক্ত কয়েল বা স্প্রে-জাতীয় কোনো কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে। তথ্যসূত্র : সহিহ বুখারি, ৮৫৩; সুনানু আবি দাউদ, ৩৮২৪ আবুল বাশার মুহাম্মদ মুশাহিদ, জৈন্তাপুর, সিলেট

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে আর কতদিন বাকি? আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান ক্ষেপণাস্ত্র ‘প্রলয়’এর সফল উৎক্ষেপণ সূচনা হলো আমার নতুন অধ্যায়: রুমিন ফারহানা খিলগাঁও ফ্লাইওভারে কাভার্ডভ্যানের চাপায় পুলিশ সদস্য নিহত মণি সিংহের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ক্ষেপণাস্ত্র ‘প্রলয়’এর সফল উৎক্ষেপণ হরভজনের চোখে টি২০ বিশ্বকাপের সেরা চার দল এবার নতুন রূপে আসছেন হুমা কুরেশি ওজন কমায় লাউ নিউ-জার্সিতে হাসপাতালের পানিতে মরণঘাতী ব্যাকটেরিয়া, মৃত ২ প্রেমের প্রস্তাবে ‘না’, অতঃপর বন্দুক হামলা ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা। গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম — “যুদ্ধের আগেই বাঙালি সৈনিকদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটা ছড়ায় গেছে, বঞ্চনাটা এত বেশি হয়েছে যে কোন বাঙালি সৈনিক এর (মুক্তিযুদ্ধের) বাইরে থাকেনি” –বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান চৌধুরী ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে মিছিলে খালেদা জিয়ার উপস্থিতি ও শেখ হাসিনার ওপর প্রাণঘাতী হামলা রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা