ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুনাহকে তুচ্ছজ্ঞান করার পরিণতি
হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
ঈদুল ফিতরের কতদিন পর শাওয়ালের রোজা রাখতে হবে?
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেশজুড়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন
শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতে রেকর্ড মুসল্লি
মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় জুমাতুল বিদা পালিত
যে বছর রমজান আসবে দুবার, ঈদ হবে ৩টি
মসজিদে মশার কয়েল ব্যবহার করা কি জায়েজ?
প্রশ্ন : কুরআন-হাদিসের আলোকে মসজিদে কয়েল ব্যবহারের বিধান কী? এতে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচা গেলেও কয়েলের দুর্গন্ধের কারণে অনেকের সমস্যা হয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর সমাধান কী?
উত্তর : ইসলামি শরিয়তে মসজিদে দুর্গন্ধযুক্ত যে কোনো কিছুই নিষিদ্ধ। দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ার কারণে পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি খেয়ে মসজিদে আসতে হাদিসে নিষেধ করা হয়েছে। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) পেঁয়াজ ও রসুন খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদে আমরা তা খেলে তিনি বলেন, ‘যে এসব দুর্গন্ধযুক্ত উদ্ভিদের অংশ খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায়, ফেরেশতারাও সেসব জিনিসে কষ্ট পান’। [সহিহ মুসলিম, ১১৩৪]।
এ হাদিসের ভিত্তিতে আলেমরা
যে কোনো দুর্গন্ধযুক্ত জিনিস মসজিদে প্রবেশ করানোকে নাজায়েজ বলেছেন। কারণ, তা মসজিদে বিদ্যমান মানুষ ও ফেরেশতাদের কষ্টের কারণ হয়। অতএব, মসজিদে দুর্গন্ধযুক্ত কয়েল জ্বালানো জায়েজ হবে না। মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য দুর্গন্ধমুক্ত কয়েল বা স্প্রে-জাতীয় কোনো কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে। তথ্যসূত্র : সহিহ বুখারি, ৮৫৩; সুনানু আবি দাউদ, ৩৮২৪ আবুল বাশার মুহাম্মদ মুশাহিদ, জৈন্তাপুর, সিলেট
যে কোনো দুর্গন্ধযুক্ত জিনিস মসজিদে প্রবেশ করানোকে নাজায়েজ বলেছেন। কারণ, তা মসজিদে বিদ্যমান মানুষ ও ফেরেশতাদের কষ্টের কারণ হয়। অতএব, মসজিদে দুর্গন্ধযুক্ত কয়েল জ্বালানো জায়েজ হবে না। মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য দুর্গন্ধমুক্ত কয়েল বা স্প্রে-জাতীয় কোনো কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে। তথ্যসূত্র : সহিহ বুখারি, ৮৫৩; সুনানু আবি দাউদ, ৩৮২৪ আবুল বাশার মুহাম্মদ মুশাহিদ, জৈন্তাপুর, সিলেট



