ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাংলাদেশ নিয়ে বক্তব্যের নিন্দা ভাষানী অনুসারী পরিষদের
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এর বাংলাদেশ নিয়ে বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভাষানী অনুসারী পরিষদ। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি।
ভাষানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও সদস্য সচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশার্থে এক যুক্ত বিবৃতি প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার ভারতের লখনৌতে অনুষ্ঠিত সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের যৌথ সম্মেলনে রাজনাথ সিংহ বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি উল্লেখ করে তার সামরিক কর্মকর্তাদের চলমান ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণের পরামর্শের পাশাপাশি ঘটনা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেন। ভাষানী অনুসারী পরিষদ মনে করেন, রাজনাথ সিং এর এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার প্রতি
হুমকিস্বরূপ। বাংলাদেশ-ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে স্বৈরাচার পতন পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভারতের কাছ থেকে সহযোগিতা প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে এ পরিবর্তিত পরিস্থিতে এ ধরণের নেতিবাচক বক্তব্য দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। তার এ বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিষয়ে কথা বলার সময় ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন আছে বলে নেতৃদ্বয় মনে করেন।
হুমকিস্বরূপ। বাংলাদেশ-ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে স্বৈরাচার পতন পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভারতের কাছ থেকে সহযোগিতা প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে এ পরিবর্তিত পরিস্থিতে এ ধরণের নেতিবাচক বক্তব্য দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। তার এ বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিষয়ে কথা বলার সময় ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন আছে বলে নেতৃদ্বয় মনে করেন।



