ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের যা কিছু ‘অবশিষ্ট’ তা-ও শেষ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল মালয়েশিয়া
গোয়েন্দা মন্ত্রীর নিহতের খবর নিশ্চিত করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক
জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার ‘কঠিন প্রতিশোধ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
লারিজানি হত্যার প্রতিশোধে ইসরাইলে ক্লাস্টার বোমা হামলা ইরানের
কাবুলে হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ ও বর্বরতা ১৯৭১ এর মতোই
ভারতকে আরও এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের পথে রাশিয়া
ভারতের জন্য আবারও আধুনিক এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের বিষয়ে নতুন করে আলোচনায় বসেছে রাশিয়া। মস্কোর সামরিক রপ্তানি সংস্থা রোসোবোরোনএক্সপোর্টের প্রধান দিমিত্রি শুগায়েভ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ভারতের কাছে ইতোমধ্যেই আমাদের কয়েকটি এস-৪০০ ব্যবস্থা রয়েছে। এ খাতে আরও সহযোগিতার সুযোগ আছে, নতুন সরবরাহ নিয়েও আলোচনা চলছে।’
২০১৮ সালে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে ৫৫০ কোটি ডলারের এক চুক্তি সই হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতকে পাঁচ ইউনিট দূরপাল্লার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে তিনটি ইউনিট ইতিমধ্যেই ভারত পেয়েছে। তবে সরবরাহের সময়সূচি একাধিকবার পরিবর্তন হওয়ায় শেষ দুটি ইউনিট ২০২৬ ও ২০২৭ সালে
হাতে পাওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানে দুই নেতা একে অপরকে ‘প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেন। মোদি বলেন, কঠিন সময়েও ভারত-রাশিয়া ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে থেকেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও বুধবার এক বক্তব্যে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ উপেক্ষা করেই ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি ও অস্ত্র কিনে যাচ্ছে। এই অবস্থানকে মস্কো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারতের অস্ত্র আমদানির ৩৬ শতাংশ এসেছে রাশিয়া থেকে। একই সময়ে ফ্রান্স সরবরাহ করেছে ৩৩ শতাংশ এবং ইসরায়েল ১৩ শতাংশ।
হাতে পাওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানে দুই নেতা একে অপরকে ‘প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেন। মোদি বলেন, কঠিন সময়েও ভারত-রাশিয়া ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে থেকেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও বুধবার এক বক্তব্যে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ উপেক্ষা করেই ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি ও অস্ত্র কিনে যাচ্ছে। এই অবস্থানকে মস্কো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারতের অস্ত্র আমদানির ৩৬ শতাংশ এসেছে রাশিয়া থেকে। একই সময়ে ফ্রান্স সরবরাহ করেছে ৩৩ শতাংশ এবং ইসরায়েল ১৩ শতাংশ।



