‘বৈষম্য নিরসনে নতুন করে সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

‘বৈষম্য নিরসনে নতুন করে সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
‘ছাত্র-জনতার বিপ্লবে গঠিত সরকারকে অবশ্যই রাষ্ট্র সংস্কারে মনোনিবেশ করতে হবে। দেশের সব বৈষম্য রোধকল্পে নতুন করে সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে। ওই সংবিধানে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং নাগরিক সমতা নিশ্চয়তার বিধান করতে হবে।’ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ন্যায়ভিত্তিক-নেতৃত্বশীল রাষ্ট্রের রূপরেখা: সংস্কার নাকি নতুন সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ পলিসি ডিসকোর্স (বিপিডি)। এতে বক্তব্য দেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক সহকারী পরিচালক জিয়াউল হক শামীম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রুবায়েত ফেরদৌস, ইসলামিক স্টাডিজের শিক্ষক মো. জহিরুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ, ট্যুরিজম বিভাগের শিক্ষক কামরুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক

সহযোগী অধ্যাপক ফরিদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক তুহিন খান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মাহবুব আহমেদ জাকারিয়া, মেজর (বরখাস্ত) মোহসিনুল করীম, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের মহাসচিব মোস্তফা তারেক, গণঅধিকার পরিষদের (একাংশ) যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান প্রমুখ। গোলটেবিল বৈঠকে অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘ক্ষমতার জোক স্বৈরাচার তৈরি হতে বাধ্য। সংসদে একদলীয় ব্যবস্থা কায়েম হয়েছে। রাষ্ট্র কোনো প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে না পারলে ওই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। গত ১৫ বছরে সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এখানে প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠীর

অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সমস্ত পৃথিবীর ইন্টেলেকচ্যুয়াল জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর যেন কোনো বিপ্লবের মূল চেতনা চুরি হয়ে না যায়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সংবিধানকে সংস্কার করতে হবে। বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের বলেন, ‘জাতিকে মুক্ত করতে হলে নতুন করে সংবিধান লিখতে হবে। বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র চলছে। ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে ধারণ করে নতুন সংবিধান লিখতে হবে। যে সংবিধানে সব বৈষম্য কমিয়ে এনে সত্যিকারে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক হতে পারে।’ গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে। এখানে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা দেওয়ার জন্য সংবিধান সংস্কার বা পরিবর্তন করা যেতে পারে।

বাংলাদেশে এখনো স্বৈরাচারের দোসর প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। তাই পরিবারতন্ত্র ও শ্রেণি-গোষ্ঠীকে প্রমোট করার ব্যবস্থা বাদ দিয়ে গণমুখী সংবিধান গড়ে তুলতে হবে।’ ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতায়’ যারা আহত ও নিহত হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা। এ ছাড়া অনেকে নতুন সংবিধান গড়ার পরিবর্তে কুরআনকে সংবিধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরামর্শ দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ বুকে পাঁচটা তারকা আর কারও নেই: ব্রুনো গিমারেস মেসির গোলে প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ ‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয় বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!