ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক
জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায়
শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি
একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
বিলাসী প্রকল্প জনগণের উপকারে আসছে না: উপদেষ্টা ফাওজুল
জনগণ সরাসরি উপকৃত হয় না- এরকম প্রকল্প গ্রহণ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।তিনি বলেন, বিগত সরকার অসংখ্য মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যেগুলো বিলাসী প্রকল্প।যা এখন জনগণের সরাসরি উপকারে আসছে না।
শনিবার বিকালে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র ও প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে কক্সবাজার হিল ডাউন সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপদেষ্টা বলেন, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ দেশের কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য যথাসময়ে কয়লা আমদানি করা হবে।
তিনি বলেন, মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে যে বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে- তা একটি বিলাসী প্রকল্প।
প্রকল্প গ্রহণকালে প্রথমে ৩৬ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে তা ৫৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। অথচ এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র ১২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি প্ল্যান্ট করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নকালে মেগা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগগুলো তদন্ত করা হবে।ইতোমধ্যে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের এমডি আবুল কালাম আজাদকে প্রকল্প থেকে বাদ দিয়ে নতুন এমডি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে শনিবার দুপুরে উপদেষ্টা কক্সবাজার থেকে সড়কপথে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে গিয়ে পৌঁছান।পরে তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে বিদ্যুৎ উপদেষ্টা কেন্দ্রের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্ভাব্য কয়লা সংকট কিভাবে কাটিয়ে
ওঠা যায়- তা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন।
প্রকল্প গ্রহণকালে প্রথমে ৩৬ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে তা ৫৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। অথচ এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র ১২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি প্ল্যান্ট করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নকালে মেগা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগগুলো তদন্ত করা হবে।ইতোমধ্যে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের এমডি আবুল কালাম আজাদকে প্রকল্প থেকে বাদ দিয়ে নতুন এমডি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে শনিবার দুপুরে উপদেষ্টা কক্সবাজার থেকে সড়কপথে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে গিয়ে পৌঁছান।পরে তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে বিদ্যুৎ উপদেষ্টা কেন্দ্রের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্ভাব্য কয়লা সংকট কিভাবে কাটিয়ে
ওঠা যায়- তা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন।



