বাকী জীবনটা জেলেই থাকব, এখানেই মারা যাব: নাভালনি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ অক্টোবর, ২০২৪

বাকী জীবনটা জেলেই থাকব, এখানেই মারা যাব: নাভালনি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ অক্টোবর, ২০২৪ |
রাশিয়ায় এক দশক ধরে সবচেয়ে বিশিষ্ট বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি বিশ্বাস করতেন, তিনি জেলের ভেতরেই মারা যাবেন। স্মৃতিকথায় এমনটিই লিখেছিলেন তিনি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক নাভালনি গত ফেব্রুয়ারিতে আর্কটিক সার্কেল জেলে মারা যান। উগ্রপন্থার অভিযোগে তিনি সেখানে ১৯ বছরের সাজা খাটছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ব্যাপকভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসাবেই দেখা হয়। আমেরিকার ‘দ্য নিউ ইয়র্কার’ ম্যাগাজিন এবং ব্রিটিশ ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকা নাভালনির স্মৃতিগ্রন্থ থেকে কিছু উদ্ধৃতি প্রকাশ করেছে। এ বইটি নাভালনির শেষ কয়েকটি বছরের দলিল। এতে আছে জেলে তার বন্দি সময় কাটানোর অনেক কথাও। বিবিসি জানায়, ২০২২ সালের ২২ মার্চে এই স্মৃতিগ্রন্থে নাভালনি লিখেছিলেন, আমার বাকী জীবনটা আমি জেলেই থাকব। এখানেই

মারা যাব। আমাকে বিদায় বলার জন্য কেউ পাশে থাকবে না… আমাকে ছাড়াই সব বার্ষিকী পালন হবে। আমি আর কখনও আমার নাতি-নাতনিদের দেখতে পাব না। এ বছরের শুরুর দিকে জেলের ভেতরে নাভালনির মৃত্যুতে সবাই স্তম্ভিত হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ সঞ্চার হয়েছিল। তার মৃত্যুর জন্য তাৎক্ষণিকভাবেই প্রেসিডেন্ট পুতিনকে দায়ী করেছিলেন অনেকে। ২০২০ সালের আগস্টে নাভালনি বিষপ্রয়োগের শিকার হয়েছিলেন। সাইবেরিয়ায় একটি সফর শেষে ফেরার পথে তাকে নোভিচক নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগ করা হয়। এরপর জার্মানিতে বিশেষ চিকিৎসা চলার সময় নাভালনি তার স্মৃতিকথা ‘প্যাট্রিয়ট’ লিখতে শুরু করেন। সুস্থ হওয়ার পর তিনি ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মস্কোয় ফিরে গেলে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে আটক করে কাস্টডিতে নেওয়া হয়। জীবনের বাকি দিনগুলো নাভালনি

জেলেই ছিলেন। সে সময়ও তিনি ডায়রিতে তার স্মৃতিকথা লিখে গেছেন। প্যাট্রিয়ট প্রকাশিত হবে আগামী ২২ অক্টোবরে। এই গ্রন্থ রাশিয়ান ভাষাতেও প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে এর যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
২ দিন বন্ধ থাকবে স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি পাকিস্তানের মাধ্যমে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান ১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ‘এরিয়া ৫১’এ ভয়ঙ্কর কাঁপন প্রাইজবন্ডের ড্র আজ, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা পরমাণু চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ-অবরোধ চলবে: ট্রাম্প একাত্তরের রণাঙ্গনে মুজিব বাহিনী: বিকৃত ইতিহাসের বিপরীতে দালিলিক সত্য শেখ হাসিনার অবিস্মরণীয় অবদান, পরমাণু যুগে বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ৫০১ প্রকৌশলীর অভিনন্দন ধাপে ধাপে মাশুল-ভাড়া বৃদ্ধি, আমদানি-রপ্তানিতে ব্যয়বৃদ্ধি: ভোক্তার নাভিশ্বাস চরমে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর জলাশয়ে মিলল রোহিঙ্গা গৃহবধূর নিথর দেহ ‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’ ধানপচা গন্ধে ভারী হাওরের বাতাস অস্থিরতার শঙ্কার মধ্যে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কী করছে হজ করতে সৌদি পৌঁছেছেন ৪০ হাজার ৫৯০ বাংলাদেশি লভ্যাংশ দিতে পারেনি অর্ধেকের বেশি ব্যাংক নতুন জোটে যোগ দিতে বিদেশি সরকারদের চাপ দেবে মার্কিন দূতাবাস ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, আইনি জটিলতার মুখে ট্রাম্প ‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’ ইরানে ফের সামরিক হামলার সম্ভাবনা প্রবল: মার্কিন সিনেটর পুরোনো ভোজ্যতেল নতুন দামে বিক্রি