ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্বগৌরবে অপতথ্য ও বিতর্কের জবাব দিচ্ছে পদ্মা সেতু: হয়ে উঠেছে স্থানীয় জিডিপি, উন্নয়ন ও ভরসার প্রতীক
ফিলিপ সাংমার ১৪ দিনের জেল
রাত পোহালেই ঈদ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা
দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশ ও বিশ্বের মুসলমানদের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে ৫ বাংলাদেশি: প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশ ও শ্রীলংকায় বন্দর সুবিধা পেতে চায় ভারত
বাংলাদেশ ও শ্রীলংকায় দুটি অতিরিক্ত বন্দর তৈরি করে সামুদ্রিক শক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে ভারত বলে জানিয়েছেন দেশটির বন্দর, নৌপরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।
বুধবার নতুন এনডিএ সরকারের প্রথম ১০০ দিনে নিজ মন্ত্রণালয়ের কৃতিত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে এ কথা জানান সোনোয়াল। তিনি আরও জানান, তার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভারতীয় একটি সংস্থা শিগগিরই বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম মোংলা বন্দরের উন্নয়ন করবে। খবর মিন্টের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের চাবাহার এবং মিয়ানমারের সিতওয়েতে ইতিমধ্যে বন্দর সুবিধা তৈরি করেছে ভারত। সামুদ্রিক বিশ্বে নিজেদের উপস্থিতিকে আরও জোরদার করবে দেশটি।
সোনোয়াল বলেন, ‘আমরা মেরিটাইম সেক্টরে বৈশ্বিক নেতা হতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, বিগত ১০০ দিনে তার
সরকার মহারাষ্ট্রের ভাধাবনে ৭৬ হাজার ২২০ কোটি রুপির একটি বিশাল বন্দর নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। এটি ভারতের বন্দর অবকাঠামোকে আরও প্রসারিত করবে এবং অন্তত ১২ লাখ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৯ সালের মধ্যে এই বন্দরের প্রথম ধাপ চালু করা সম্ভব হবে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের গালাথিয়া উপসাগরেও আরেকটি মেগা বন্দর প্রস্তাব করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সোনোয়াল। ৪৪ হাজার কোটি রুপির এ প্রকল্পটি সরকারি ও বেসরকারি যৌথ অংশীদারত্বের মাধ্যমে তৈরি করা হবে।
সরকার মহারাষ্ট্রের ভাধাবনে ৭৬ হাজার ২২০ কোটি রুপির একটি বিশাল বন্দর নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। এটি ভারতের বন্দর অবকাঠামোকে আরও প্রসারিত করবে এবং অন্তত ১২ লাখ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৯ সালের মধ্যে এই বন্দরের প্রথম ধাপ চালু করা সম্ভব হবে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের গালাথিয়া উপসাগরেও আরেকটি মেগা বন্দর প্রস্তাব করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সোনোয়াল। ৪৪ হাজার কোটি রুপির এ প্রকল্পটি সরকারি ও বেসরকারি যৌথ অংশীদারত্বের মাধ্যমে তৈরি করা হবে।



