ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক
জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায়
শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি
একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে, নাগরিকদের সতর্ক করলো যুক্তরাজ্য
বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটি বাংলাদেশে অবস্থানরত ও আগত ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের মতে, বাংলাদেশে ব্রিটিশ নাগরিক ও যুক্তরাজ্যের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে হামলার ঝুঁকি রয়েছে।
গত জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যেখানে অনেক তরুণ প্রাণ হারান। সেই অস্থির পরিস্থিতির রেশ এখনও রয়ে গেছে, যা যুক্তরাজ্যকে তাদের নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দিতে বাধ্য করেছে। ব্রিটিশ সরকারের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটতে পারে, যা প্রাণহানির কারণ হতে পারে।
বিশেষ করে গণপরিবহন ব্যবস্থায় হামলার আশঙ্কা বেশি বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাজ্য। এছাড়া
জনসমাগমপূর্ণ এলাকা, ধর্মীয় উপাসনালয়, রাজনৈতিক সমাবেশ এবং বিদেশীদের উপস্থিতি রয়েছে এমন স্থানগুলোতে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে বলে সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে। এছাড়া অপরাধ ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরগুলোতে অপরাধের মাত্রা বেশি। ব্রিটিশ নাগরিকদের মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীদের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপের ফলে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা কমে গিয়েছিল। তবে গত জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, যা নতুন করে হামলার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যুক্তরাজ্যের কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশ নিরাপত্তা বিশ্লেষণ করে নাগরিকদের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে, যাতে সন্ত্রাসী হামলার পরিস্থিতিতে
কী করণীয় তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কারণ যুক্তরাজ্যের এই সতর্কতা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
জনসমাগমপূর্ণ এলাকা, ধর্মীয় উপাসনালয়, রাজনৈতিক সমাবেশ এবং বিদেশীদের উপস্থিতি রয়েছে এমন স্থানগুলোতে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে বলে সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে। এছাড়া অপরাধ ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরগুলোতে অপরাধের মাত্রা বেশি। ব্রিটিশ নাগরিকদের মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীদের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপের ফলে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা কমে গিয়েছিল। তবে গত জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, যা নতুন করে হামলার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যুক্তরাজ্যের কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশ নিরাপত্তা বিশ্লেষণ করে নাগরিকদের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে, যাতে সন্ত্রাসী হামলার পরিস্থিতিতে
কী করণীয় তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কারণ যুক্তরাজ্যের এই সতর্কতা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।



