ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জনতার ভিড় থেকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ঢিল: ধোঁয়াশায় পুলিশ, স্থানীয়দের দাবি, ‘জনতা অতিষ্ট’
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৫ ঘণ্টার আন্দোলনেই ঢাবি-তে সরকারের বিজিবি মোতায়েন
ইউনূসসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিবাসন চুক্তি ও আশ্বাস সত্ত্বেও থামছে না বাংলাদেশি আটক, মালয়শিয়ায় নতুন করে আটক ২৯০ জন
বন্যা দুর্গত এলাকায় সরকারি সাহায্য না পৌঁছালেও খাদ্য সাহায্য নিয়ে পৌঁছেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ
ফের সংসদ ভবনের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা
শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
‘ফার্মের মুরগি’ এই ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি এখন শিক্ষামন্ত্রী
বরিশালে কাগজে থাকলেও বাস্তবে নেই পুলিশ
৩১ আগস্ট শুক্রবার রাত ১০টা। হঠাৎ বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় হাজির ১৫-২০ জন স্কুলছাত্র। সেখানে তারা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এরপর থানায় ঢুকে খুঁজতে থাকে ওসিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের। সেই সঙ্গে চলতে থাকে চিল্লাপাল্লা-গালাগাল। খবর পেয়ে থানায় হাজির হন সেনা সদস্যরা। সেই সঙ্গে সাংবাদিকরাও ভিড় করেন সেখানে। তখন স্কুলছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নগরীতে দুদল ছাত্রের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটলে ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশের সহায়তা চায় তারা। তবে সেখান থেকে বলা হয়, ঘটনাস্থলে যেতে পারবে না পুলিশ। তাদের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বলা হয়।
শুধু এই ঘটনাই নয়, বুধবার রাতে প্রায় ৪ ঘণ্টাব্যাপী হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে সরকারি ব্রজমোহন কলেজে (বিএম
কলেজ)। এ সময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষ ও ভাঙচুর চলাকালে স্থানীয় এবং শিক্ষার্থীরা পুলিশি সহায়তা চান। তবে সেখানে যাননি পুলিশের কোনো সদস্য। এভাবে বরিশালে চাইলেও কেউ পান না পুলিশি সহায়তা। অথচ কাগজে-কলমে থানায়, ফাঁড়িতে উপস্থিত রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু তারা জনগণের কোনো কাজে আসছেন না। চলমান পরিস্থিতিতে যেমন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মানুষ। আর দিনে সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করায় তীব্র যানজটে নাকাল হচ্ছেন নগরবাসী। ৫৮ বর্গকিলোমিটার বরিশাল নগরীতে যানবাহন বেড়েছে কয়েকগুণ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর রূপাতলী, নথুল্লাবাদ, নতুনবাজার, বাংলাবাজার, বটতলা, হাতেম আলী চৌমাথা, সদর রোড, বাজার
রোড, চকবাজারসহ বেশিরভাগ সড়কে যানজট লেগেই থাকে। দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে যানজট বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বরিশাল জেলা সমন্বয়ক মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে পুলিশের আন্তরিকতায় যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। আমরা দেখেছি ফাইন করা বা মামলা দেওয়ার ক্ষেত্রে যতটা আগ্রহ থাকে চালকদের নিয়মে আনতে তেমন কোনো ভূমিকা দেখা যায় না। শুধু মামলা দিলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থা একটা নিয়মে আনতে হবে।’ সচেতন নাগরিক সমাজের বরিশাল জেলা সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার পতনের প্রথম সপ্তাহ কিছুটা এলোমেলোভাবে চললেও এখন তো দেশ স্বাভাবিক ভাবেই চলছে। তারপরও বরিশাল ট্রাফিক বিভাগ কেন নিষ্ক্রিয়? নগরীর
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখতে ট্রাফিক পুলিশের একটা বড় ভূমিকা থাকে। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশের নীরব ভূমিকায় বরিশালে দিনদিন বাড়ছে অবৈধ যানবাহন। যা বন্ধ করা দরকার।’ যানজট নিরসনের বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) তানভির আরাফাত বলেন, ‘অবৈধ গাড়ি আটক করলেও অনেকে জোট বেঁধে প্রতিবাদ করেন কেন গাড়ি আটক করা হয়েছে। তবে শিগগিরই আমরা জোরদারভাবে আইনি ব্যবস্থা নেব। আশা করি এতে যানজট কমবে।’ সার্বিক বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘রোববারের (আগামীকাল) আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব সমস্য তুলে ধরা হবে।’
কলেজ)। এ সময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষ ও ভাঙচুর চলাকালে স্থানীয় এবং শিক্ষার্থীরা পুলিশি সহায়তা চান। তবে সেখানে যাননি পুলিশের কোনো সদস্য। এভাবে বরিশালে চাইলেও কেউ পান না পুলিশি সহায়তা। অথচ কাগজে-কলমে থানায়, ফাঁড়িতে উপস্থিত রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু তারা জনগণের কোনো কাজে আসছেন না। চলমান পরিস্থিতিতে যেমন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মানুষ। আর দিনে সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করায় তীব্র যানজটে নাকাল হচ্ছেন নগরবাসী। ৫৮ বর্গকিলোমিটার বরিশাল নগরীতে যানবাহন বেড়েছে কয়েকগুণ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর রূপাতলী, নথুল্লাবাদ, নতুনবাজার, বাংলাবাজার, বটতলা, হাতেম আলী চৌমাথা, সদর রোড, বাজার
রোড, চকবাজারসহ বেশিরভাগ সড়কে যানজট লেগেই থাকে। দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে যানজট বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বরিশাল জেলা সমন্বয়ক মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে পুলিশের আন্তরিকতায় যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। আমরা দেখেছি ফাইন করা বা মামলা দেওয়ার ক্ষেত্রে যতটা আগ্রহ থাকে চালকদের নিয়মে আনতে তেমন কোনো ভূমিকা দেখা যায় না। শুধু মামলা দিলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থা একটা নিয়মে আনতে হবে।’ সচেতন নাগরিক সমাজের বরিশাল জেলা সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার পতনের প্রথম সপ্তাহ কিছুটা এলোমেলোভাবে চললেও এখন তো দেশ স্বাভাবিক ভাবেই চলছে। তারপরও বরিশাল ট্রাফিক বিভাগ কেন নিষ্ক্রিয়? নগরীর
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখতে ট্রাফিক পুলিশের একটা বড় ভূমিকা থাকে। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশের নীরব ভূমিকায় বরিশালে দিনদিন বাড়ছে অবৈধ যানবাহন। যা বন্ধ করা দরকার।’ যানজট নিরসনের বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) তানভির আরাফাত বলেন, ‘অবৈধ গাড়ি আটক করলেও অনেকে জোট বেঁধে প্রতিবাদ করেন কেন গাড়ি আটক করা হয়েছে। তবে শিগগিরই আমরা জোরদারভাবে আইনি ব্যবস্থা নেব। আশা করি এতে যানজট কমবে।’ সার্বিক বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘রোববারের (আগামীকাল) আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব সমস্য তুলে ধরা হবে।’



