ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
ফয়েজ তৈয়বের ইশারায় সংবাদ সম্মেলন বানচালের চেষ্টা? মধ্যরাতে সাংবাদিক সোহেলকে তুলে নিল ডিবি
প্রধান উপদেষ্টা ড ইউনুসের বিশেষ সহকারী ও নেদারল্যান্ডসের নাগরিক ফয়েজ আহমদ তৈয়বের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করে মধ্যরাতে সাংবাদিক হেনস্থার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সাধারণ স্মার্টফোন ব্যবসায়ীদের একটি সংবাদ সম্মেলন বানচাল করতেই তাঁর প্ররোচনায় দৈনিক ভোরের কাগজের অনলাইন এডিটর মিজানুর রহমান সোহেলকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর রাজধানীর নতুন বাড্ডার বাসা থেকে সাংবাদিক সোহেলকে আটক করা হয়। আটকের বিষয়টি স্বীকার করেছেন ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেলকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।
তবে ভুক্তভোগী পরিবার ও ব্যবসায়ী মহলের দাবি, এই আটকের নেপথ্যে রয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়ব।
জানা যায়, সাধারণ স্মার্টফোন বিক্রেতাদের ব্যবসায়িক ক্ষতির আশঙ্কাকে আমলে না নিয়ে এবং কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই ফয়েজ তৈয়ব ও একটি বিশেষ সিন্ডিকেট ‘এনইআইআর’ (NEIR) কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। এই আয়োজনে ব্যবসায়ীদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছিলেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেল। আয়োজকদের দাবি, ফয়েজ তৈয়ব সাধারণ ব্যবসায়ীদের আন্দোলন দমাতে এবং সংবাদ সম্মেলনটি ভণ্ডুল করতেই পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করেছেন। সাংবাদিক সোহেলকে আটকের মাধ্যমে মূলত ব্যবসায়ীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। আটকের সময় সোহেলের স্ত্রীকে পুলিশ জানিয়েছিল, ডিবি প্রধান কেবল কথা বলার জন্য তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।
কিন্তু মধ্যরাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ফয়েজ তৈয়বের ইন্ধন স্পষ্ট বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, পুলিশকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করার এই অভিযোগ সত্য হলে, ফয়েজ তৈয়বের সকল কার্যক্রম বর্জনের ডাক দেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন ক্ষুব্ধ গণমাধ্যমকর্মীরা।
জানা যায়, সাধারণ স্মার্টফোন বিক্রেতাদের ব্যবসায়িক ক্ষতির আশঙ্কাকে আমলে না নিয়ে এবং কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই ফয়েজ তৈয়ব ও একটি বিশেষ সিন্ডিকেট ‘এনইআইআর’ (NEIR) কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। এই আয়োজনে ব্যবসায়ীদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছিলেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেল। আয়োজকদের দাবি, ফয়েজ তৈয়ব সাধারণ ব্যবসায়ীদের আন্দোলন দমাতে এবং সংবাদ সম্মেলনটি ভণ্ডুল করতেই পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করেছেন। সাংবাদিক সোহেলকে আটকের মাধ্যমে মূলত ব্যবসায়ীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। আটকের সময় সোহেলের স্ত্রীকে পুলিশ জানিয়েছিল, ডিবি প্রধান কেবল কথা বলার জন্য তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।
কিন্তু মধ্যরাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ফয়েজ তৈয়বের ইন্ধন স্পষ্ট বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, পুলিশকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করার এই অভিযোগ সত্য হলে, ফয়েজ তৈয়বের সকল কার্যক্রম বর্জনের ডাক দেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন ক্ষুব্ধ গণমাধ্যমকর্মীরা।



