ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু
জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা গোয়েন্দা নজরদারিতে: র্যাব
একাত্তরের রণাঙ্গনে মুজিব বাহিনী: বিকৃত ইতিহাসের বিপরীতে দালিলিক সত্য
শেখ হাসিনার অবিস্মরণীয় অবদান, পরমাণু যুগে বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ৫০১ প্রকৌশলীর অভিনন্দন
‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’
‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’
উদ্ধার হওয়া সেই লাশ বৃষ্টির, লিমনের লাশ দেশে আসবে ৪ মে
পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে অর্থ উপদেষ্টার সাম্প্রতিক মন্তব্যের জেরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। দ্রুত গেজেট প্রকাশসহ বেতন কাঠামো সংস্কারের দাবিতে সংগঠনটি কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।
সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সমাবেশে পরিষদের নেতারা চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়ে জানান, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে আরো বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘৩০ নভেম্বরের আগে সরকার যদি দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আন্দোলন কঠোর রূপ নেবে। আগামী ৫ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে মহাসমাবেশ ও টানা অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের
সভাপতি বাদিউল কবির গণমাধ্যমকে বলেন, যেহেতু এই অন্তর্বর্তী সরকারই পে কমিশন গঠন করেছে, তাই নতুন পে স্কেলও এই সরকারকেই দিতে হবে। নভেম্বরের ৩০ তারিখের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ জমা না পড়লে তারা কমিশনের ওপর চাপ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণেরও ইঙ্গিত দেন এই কর্মচারী নেতা। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি খায়ের আহমেদ মজুমদার গণমাধ্যমকে জানান, নতুন পে স্কেলের দাবিতে সব কর্মচারী সংগঠনকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য আলোচনা চলমান। ইতোমধ্যে কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের নেতৃত্বে ১২টি কর্মচারী সংগঠন এই দাবিতে আন্দোলনের জন্য জোটবদ্ধ হয়েছে। এদিকে একাধিক সরকারি কর্মচারী জানান, পে স্কেল ঝুলে থাকার কারণে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির প্রভাব তাদের জীবনমানকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে,
তাই এবার তারা কঠোর থেকে আরো কঠোর পথে হাঁটতে প্রস্তুত।
সভাপতি বাদিউল কবির গণমাধ্যমকে বলেন, যেহেতু এই অন্তর্বর্তী সরকারই পে কমিশন গঠন করেছে, তাই নতুন পে স্কেলও এই সরকারকেই দিতে হবে। নভেম্বরের ৩০ তারিখের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ জমা না পড়লে তারা কমিশনের ওপর চাপ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণেরও ইঙ্গিত দেন এই কর্মচারী নেতা। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি খায়ের আহমেদ মজুমদার গণমাধ্যমকে জানান, নতুন পে স্কেলের দাবিতে সব কর্মচারী সংগঠনকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য আলোচনা চলমান। ইতোমধ্যে কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের নেতৃত্বে ১২টি কর্মচারী সংগঠন এই দাবিতে আন্দোলনের জন্য জোটবদ্ধ হয়েছে। এদিকে একাধিক সরকারি কর্মচারী জানান, পে স্কেল ঝুলে থাকার কারণে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির প্রভাব তাদের জীবনমানকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে,
তাই এবার তারা কঠোর থেকে আরো কঠোর পথে হাঁটতে প্রস্তুত।



