ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের সংস্কারনামা : টাকা দিলেই ‘আওয়ামী’ বানিয়ে জেলে পাঠানো যায় এখন
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে হামলা চলমান; হাত পা ভেঙে দিলেও ভুক্তভোগীর মামলা নেয়নি পুলিশ, পরিবার নিয়ে ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি
ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
যে দেশে মৃত্যু সস্তা, জামিন অতি দুর্লভ : ইউনূসের দেড় বছর, কত পরিবার শেষ?
নির্বাচনে অস্ত্রই বিএনপির আসল ভাষা! নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুতের আলোচনা ফাঁস।
টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা
গত দেড় বছরে সংস্কারের গল্প বলে বলে দেশের ২০০ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিয়েছে লোভী ও দুর্নীতিবাজ ইউনুস। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউনুস ও তার সহযোগী বিএনপি-জামাত৷
পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতির পরিমাণ সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা: সিপিডি
দেশের পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যায় কৃষি ও বনায়নে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এ বন্যায় ১৪ হাজার ৪২১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। রোববার (৬ অক্টোবর) সিপিডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।
সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ১৪ হাজার ৪২১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যা জিডিপির দশমিক ২৬ শতাংশ। এরমধ্যে কৃষি ও বন খাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ ৫ হাজার ১৬৯ কোটি টাকা।
ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন, অবকাঠামো খাতে ৪ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা ও ঘরবাড়িতে ২ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা
ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলা হিসাবে নোয়াখালীতে বেশী ক্ষতি হয়েছে। এ জেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৪ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে কুমিল্লা জেলা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। তিনি বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণে সমন্বয়হীনতার ঘাটতি ছিল। এ কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধি থাকা দরকার ছিল কি না তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কোনো ব্যক্তি একাধিকবার ত্রাণ পেয়েছেন, আবার অনেকেই পাননি। এ ছাড়া, অনেকেই ত্রাণসামগ্রী বিক্রি করে দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এদিকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাত থেকে টানা ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও
নালিতাবাড়ী উপজেলার ৬০টি ইউনিয়নের লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছেন স্থানীয় প্রশাসনসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার থেকে শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত বন্যার পানিতে ডুবে নারী, বৃদ্ধ ও কিশোরসহ মোট ৭ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে।
ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলা হিসাবে নোয়াখালীতে বেশী ক্ষতি হয়েছে। এ জেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৪ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে কুমিল্লা জেলা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। তিনি বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণে সমন্বয়হীনতার ঘাটতি ছিল। এ কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধি থাকা দরকার ছিল কি না তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কোনো ব্যক্তি একাধিকবার ত্রাণ পেয়েছেন, আবার অনেকেই পাননি। এ ছাড়া, অনেকেই ত্রাণসামগ্রী বিক্রি করে দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এদিকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাত থেকে টানা ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও
নালিতাবাড়ী উপজেলার ৬০টি ইউনিয়নের লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছেন স্থানীয় প্রশাসনসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার থেকে শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত বন্যার পানিতে ডুবে নারী, বৃদ্ধ ও কিশোরসহ মোট ৭ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে।



