পুতিনের সহচরী, মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা কে এই লাস্যময়ী? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ১১:০৬ অপরাহ্ণ

পুতিনের সহচরী, মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা কে এই লাস্যময়ী?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ১১:০৬ 213 ভিউ
সুন্দরী ও লাস্যময়ী মার্গারিটা সিমোনিয়ান একজন রাশিয়ান সাংবাদিক, টেলিভিশন প্রযোজক। তিনি প্রধানত রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষে তথ্য প্রচার ও প্রোপাগান্ডার নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি রাশিয়ার প্রভাবশালী রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘আরটি’ (সাবেক রাশিয়া টুডে) এবং সংবাদ সংস্থা ‘রসিয়া সেগোদন্যা’র প্রধান সম্পাদক। ৪৪ বছর বয়সি এই লাস্যময়ীকে আন্তর্জাতিক মহলে ‘পুতিনের প্রোপাগান্ডা বিভাগের প্রধান’ হিসেবে দেখা হয়। আর এ ভূমিকার কারণেই তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন। পেশাগত জীবন ও আরটি-এর নেতৃত্ব সিমোনিয়ান ২০০৫ সালে আরটি-এর প্রথম প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন। আরটি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম- যা ইংরেজি, আরবি এবং স্প্যানিশ ভাষায় সম্প্রচার করে এবং বিশ্বজুড়ে রাশিয়ান নীতির পক্ষে প্রচারণা চালানোর

জন্য পরিচিত। আরটি নিয়মিতভাবে পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সমালোচনা করে এবং রাশিয়ার পক্ষ থেকে বিশ্বমঞ্চে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে। প্রোপাগান্ডার ভূমিকা সিমোনিয়ানকে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হয়। তার নেতৃত্বে আরটি এমন অনেক কনটেন্ট তৈরি করেছে, যা পশ্চিমা গণমাধ্যম এবং দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার অবস্থানকে জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। বিশেষ করে, ইউক্রেনের সংঘাত, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ইস্যুতে রাশিয়ার ভূমিকাকে আরটিতে পক্ষপাতমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মার্গারিটা সিমোনিয়ানকে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়। এ নিষেধাজ্ঞা মূলত ইউক্রেনের যুদ্ধের সময় রাশিয়ার প্রোপাগান্ডা প্রচারের জন্য আরটি এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর ভূমিকার কারণে

জারি করা হয়। নিষেধাজ্ঞার ফলে সিমোনিয়ানের অর্থনৈতিক ও ভ্রমণ সংক্রান্ত কিছু স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবন আর্মেনিয়ান বংশোদ্ভূত মার্গারিটা সিমোনিয়ান রাশিয়ায় মূলত সাংবাদিকতা পেশার মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি রাশিয়ায় তার প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে সমর্থন এবং সমালোচনা দুই-ই পেয়েছেন। সমর্থকরা তাকে রাশিয়ার স্বার্থ রক্ষার এক দৃঢ় কণ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করে। তবে সমালোচকরা তাকে ভ্লাদিমির পুতিনের প্রোপাগান্ডার মুখপাত্র বলে অভিহিত করেন। মার্গারিটা সিমোনিয়ান রুশ প্রেসিডেন্টের প্রোপাগান্ডা যন্ত্রের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি এবং তার প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছেন। সূত্র: বিবিসি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ? নির্বাচন বৈধতা দিতে এক ব্যক্তির সাইনবোর্ডসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘পাশা’, একাই সাপ্লাই দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক! উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন হাজার হাজার প্রোফাইল ছবিতে একটাই কথা—“নো বোট, নো ভোট।” ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া আইনের শাসনের নির্লজ্জ চিত্র: ভুয়া মামলা ও আতঙ্কে বন্দী বাংলাদেশ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূস সাহেব ঈদ করবেন কোথায়! Plebiscite or Refounding? The Constitutional Limits of the Referendum in Bangladesh Former Bangladeshi Minister Ramesh Chandra Sen Dies in Custody