ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি
রাস্তা থেকে যুদ্ধবিমান আর টকশো থেকে যুদ্ধাপরাধী: দুই প্রতিবেশী, দুই বাস্তবতা
দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছেন ইউনূস
জুলাই সনদ, এনসিপি আর শেষ বিকেলের আনুগত্য: হিসাব মিলে গেলে যখন নীতিও মেলে
ভোটার তাড়ানো, জাল ভোট, আগাম সিল: সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবির ভয়াবহ প্রতিবেদন
সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ
যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে।
পাচার অর্থ ফেরাতে বিদেশে ৭১ চিঠি দুদকের
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ৭১টি মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যার মধ্যে ২৭টি এমএলএআরের বিষয়ে জবাব পেয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার দুদকের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এ সময় বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরে দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, আজ দুদকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন ছাড়া কমিশনের প্রতিরোধ, মানিলন্ডারিং ও গোয়েন্দা শাখার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইইউ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন- ইউরোপীয় ইউনিয়নের হেড অব ডেভেলপমেন্ট
কো-অপারেশন মিচে ক্রিজা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার অব ইনক্লুসিভ গভর্নেন্স পাবলো পাদিন, মিস নাদের তানিজা ও কিশোয়ার আমিন। তিনি বলেন, দুদকের শীর্ষ কর্মকর্তারা সভায় কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার সম্পদ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল তাদের পক্ষ থেকে দুদককে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
কো-অপারেশন মিচে ক্রিজা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার অব ইনক্লুসিভ গভর্নেন্স পাবলো পাদিন, মিস নাদের তানিজা ও কিশোয়ার আমিন। তিনি বলেন, দুদকের শীর্ষ কর্মকর্তারা সভায় কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার সম্পদ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল তাদের পক্ষ থেকে দুদককে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।



