নাসরুল্লাহ হত্যায় তদন্তের মুখে কুদস ফোর্স প্রধান ইসমাইল কানি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ October, ২০২৪

নাসরুল্লাহ হত্যায় তদন্তের মুখে কুদস ফোর্স প্রধান ইসমাইল কানি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ October, ২০২৪ |
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি বর্তমানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আছেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র। ইসরাইলের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ নেতা সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহ নিহতের পর ইরান বড় ধরনের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিষয়ে গভীর তদন্ত শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) মিডল ইস্ট আইয়ের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইসরাইলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হন। যা ছিল ইসরাইল বিরোধী জোট ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধ অক্ষের জন্য এক বড় ধাক্কা। এ ঘটনার পর থেকেই ইরান সরকার সন্দেহ করছে যে, তাদের নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার

মধ্যেই বড় ধরনের ফাঁকফোকর রয়েছে। ওই হামলার পেছনে ইসরাইল কীভাবে হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বের গতিবিধি এবং অবস্থান নির্ধারণ করতে সক্ষম হলো, তা নিয়েই গভীর অনুসন্ধান চলছে। ইসমাইল কানি, যিনি ২০২০ সালে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির স্থলাভিষিক্ত হন। নাসরুল্লাহর হত্যার ঘটনার পর থেকে তিনি লেবাননেই অবস্থান করছিলেন। তবে সম্প্রতি তার সঙ্গে দুই দিনের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকেই গুঞ্জন ওঠে যে, তিনি আহত বা নিহত হয়েছেন। তবে ইরানের সূত্র জানায় যে, ইসমাইল কানি সুস্থ আছেন এবং হামলার শিকার হননি। এ নিয়ে বাগদাদ, তেহরান এবং বৈরুতের ১০টি সূত্র মিডল ইস্ট আইকে নিশ্চিত করেছে যে, কানি ও তার

টিম নজরদারির মধ্যে আছেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই সূত্রগুলোর মধ্যে শিয়া নেতারা এবং হিজবুল্লাহ ও আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাও রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরাইলি হামলায় হিজবুল্লাহর সামরিক শীর্ষ নেতৃত্বের একটি বড় অংশ ধ্বংস হওয়ার পর, ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সন্দেহের মুখে পড়েছে। গত ৪ অক্টোবর আরেকটি ইসরাইলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর শূরা কাউন্সিলের বৈঠকে অংশ নেওয়া হাশেম সাফিয়েদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই বৈঠকে ইসমাইল কানিও উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু তিনি শেষ মুহূর্তে তার অংশগ্রহণ বাতিল করেন। সূত্র জানিয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষের মধ্যে ব্যাপক সন্দেহ তৈরি হয়েছে যে, তাদের নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইসরাইলি গোয়েন্দাদের দ্বারা ফাঁস হয়েছে। বিশেষ

করে কুদস ফোর্সের লেবানন-সংক্রান্ত ইউনিটগুলোতে এই সন্দেহ আরও প্রবল। এসব ঘটনায় ইরানে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যে বড় ধরনের ফাঁকফোকর রয়েছে তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সরাসরি তত্ত্বাবধানে তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলমান এবং ইরান এই ফাঁকফোকরের উৎস সঠিকভাবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। এদিকে কানির বর্তমান অবস্থান নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে যে, তিনি এখন তেহরানে অথবা এখনও লেবাননে অবস্থান করছেন। এই ঘটনার পর ইরান তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কঠোর তদন্ত চালাচ্ছে এবং শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বিশ্বাসঘাতকতা বা নিরাপত্তা লঙ্ঘন হয়েছে কিনা, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।সূত্র: মিডল ইস্ট আই

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের