ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এখন আমাদের গ্যাস নাই, না খাইয়া কি মানুষ বাঁচে?” – জনতার দুর্ভোগ
চট্টগ্রামে ২৬ দিনে ১২ খুন : ইউনূসের ‘সংস্কার সরকার’ কি দেশকে জঙ্গলরাজে পরিণত করছে?
জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়
এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের
রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট,
চট্টগ্রাম বন্দর কার জন্য? এনসিটি ইস্যুতে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় দায়
দৌলতপুরে দয়াল বাবার আস্তানা বন্ধের দাবি
দৌলতপুরে তথাকথিত দয়াল বাবা কল্যাণপুরী তাছের আলীর আস্তানা স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবিতে রোববার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইমাম-ওলামা পরিষদ, হেফাজতে ইসলাম ও সর্বস্তরের জনগণ।
সভায় বক্তব্য দেন দৌলতপুর থানা ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ফারুক হোসেন সিরাজী, দৌলতপুর হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি আশরাফ আলী, ওলামা পরিষদের সম্পাদক হাবিবুর রহমান, জেলা ওলামা পরিষদের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লাদবী, ইমাম পরিষদের সভাপতি মাওলানা শামসুল হক।
বক্তারা বলেন, দৌলতপুর উপজেলাধীন চরদিয়াড় গ্রামে তথাকথিত দয়াল বাবা কল্যাণপুরী তাছের আলী দরবারে রিসালাতে মোজাদ্দেদিয়া নামে এক আস্তানা গড়ে তুলে। সেখানে তারা ধর্মের নামে ধর্মের অপব্যাখ্যা, ধর্ম-বিকৃতি, অসামাজিক কর্মকাণ্ড, মাদক কারবারি, ভূমি দখল, গুম-খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অশ্লীল কাজে লপ্তি
থাকে। যুব সমাজকে মাদকাসক্ত করে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। আরও বলনে, গত বছর তার আস্তানার ভেতরে হরিণগাছি গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের রাশেদসহ আরও একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং তার নামে দুটি মামলাও দায়ের করা হয়। ফলে আলেম সমাজ ও এলাকাবাসী তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলে। একপর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় তাদের এখান থেকে বিতাড়িত করা হয়।
থাকে। যুব সমাজকে মাদকাসক্ত করে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। আরও বলনে, গত বছর তার আস্তানার ভেতরে হরিণগাছি গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের রাশেদসহ আরও একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং তার নামে দুটি মামলাও দায়ের করা হয়। ফলে আলেম সমাজ ও এলাকাবাসী তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলে। একপর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় তাদের এখান থেকে বিতাড়িত করা হয়।



