ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের সংস্কারনামা : টাকা দিলেই ‘আওয়ামী’ বানিয়ে জেলে পাঠানো যায় এখন
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে হামলা চলমান; হাত পা ভেঙে দিলেও ভুক্তভোগীর মামলা নেয়নি পুলিশ, পরিবার নিয়ে ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি
ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
যে দেশে মৃত্যু সস্তা, জামিন অতি দুর্লভ : ইউনূসের দেড় বছর, কত পরিবার শেষ?
নির্বাচনে অস্ত্রই বিএনপির আসল ভাষা! নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুতের আলোচনা ফাঁস।
টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা
গত দেড় বছরে সংস্কারের গল্প বলে বলে দেশের ২০০ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিয়েছে লোভী ও দুর্নীতিবাজ ইউনুস। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউনুস ও তার সহযোগী বিএনপি-জামাত৷
‘দেশে না থাকা একজনকে আসামি করেছেন কেন’
অবশেষে গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসিমুল হককে জামিন দিয়েছেন আদালত। রোববার রিমান্ড ও জামিন শুনানি একসঙ্গে হয়। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড আবেদন নাকচ করে আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।
পাশাপাশি আদালতের বিচারক মামলার বাদী পুলিশ কর্মকর্তাকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘দেশে না থাকা একজনকে আসামি করেছেন কেন। আপনারা আর আগের মতো থাকবেন না। আপনারা পরিবর্তন হন।’
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের দিন গোদাগাড়ী থানায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় ৬নং আসামি হন নাসিম। গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে নাসিমকে পৌর এলাকার হাটপাড়ার বাসা থেকে আটকের পর ৩ সেপ্টেম্বর থানায় মামলাটি করেন গোদাগাড়ী থানার এসআই
রেজাউল করিম। মামলার অভিযোগে বলা হয়, থানায় হামলায় অংশ নেন নাসিম। থানায় ঢুকে লুটপাটও করেন। অন্যদিকে নাসিমের আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস গত ৪ সেপ্টেম্বর নথিপত্র উপস্থাপন করে আদালতে নাসিমের জামিনের আবেদন করেন। আইনজীবী আদালতকে বলেন, আসামি নাসিম ঘটনার দিন ওই সময়ে ছিলেন ভারতের হাসপাতালে। চিকিৎসার জন্য তিনি গত ৩ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পথে ভারতে যান। চিকিৎসা শেষে তিনি ১৩ আগস্ট একই পথে দেশে ফিরে আসেন। তিনি নাসিমের ভারতে যাওয়ার ভিসা, যাওয়া-আসার সময় পাসপোর্টে ইমিগ্রেশনের সিল এবং চিকিৎসকের কাগজপত্র আদালতে দাখিল করেন। ওই দিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, আসামির রিমান্ডের আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোদাগাড়ী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন। এ সময় আদালত শুনানির জন্য
রোববার দিন ধার্য করেন। পাশাপাশি ভারতে থাকা ব্যক্তি কিভাবে আসামি হলেন তার ব্যাখ্যা দিতে মামলার বাদী পুলিশের এসআই রেজাউল করিমকে আদালতে তলব করা হয়। নাসিমের আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস জানান, রোববার দুপুরে শুনানির সময় আদালতে দায়িত্বরত পুলিশের পরিদর্শক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামির রিমান্ড চান। আর আসামির আইনজীবী হিসেবে তিনি জামিন চান। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ এবং কয়েকজন আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। তবে শুনানির পর রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. লিটন হোসেন আসামি নাসিমকে জামিন দেন। আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস আরও জানান, ভারতে থাকা ব্যক্তিকে কিভাবে আসামি করা হলো- বিচারক বাদীর কাছে জানতে চান। তখন এসআই রেজাউল করিম আদালতকে বলেন, ৫০০-৬০০ জন ব্যক্তি থানায় হামলা
চালিয়েছিলেন। সবাইকে চেনা যায়নি। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া নাম নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই মামলা দায়ের করা হয়। এ সময় আদালত যাচাই-বাছাই করে আসামি করার জন্য পুলিশের এই এসআইকে নির্দেশ দেন। আদালত বলেন, আপনারা এখন আগের মতো থাকবেন না। আপনারা পরিবর্তন হন। গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ভারতে থাকা ব্যক্তি কিভাবে আসামি হয়েছেন তা তদন্তে জানা যাবে। তার সম্পৃক্ততা না পেলে অভিযোগপত্র থেকে নাম বাদ দেওয়া হবে।
রেজাউল করিম। মামলার অভিযোগে বলা হয়, থানায় হামলায় অংশ নেন নাসিম। থানায় ঢুকে লুটপাটও করেন। অন্যদিকে নাসিমের আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস গত ৪ সেপ্টেম্বর নথিপত্র উপস্থাপন করে আদালতে নাসিমের জামিনের আবেদন করেন। আইনজীবী আদালতকে বলেন, আসামি নাসিম ঘটনার দিন ওই সময়ে ছিলেন ভারতের হাসপাতালে। চিকিৎসার জন্য তিনি গত ৩ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পথে ভারতে যান। চিকিৎসা শেষে তিনি ১৩ আগস্ট একই পথে দেশে ফিরে আসেন। তিনি নাসিমের ভারতে যাওয়ার ভিসা, যাওয়া-আসার সময় পাসপোর্টে ইমিগ্রেশনের সিল এবং চিকিৎসকের কাগজপত্র আদালতে দাখিল করেন। ওই দিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, আসামির রিমান্ডের আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোদাগাড়ী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন। এ সময় আদালত শুনানির জন্য
রোববার দিন ধার্য করেন। পাশাপাশি ভারতে থাকা ব্যক্তি কিভাবে আসামি হলেন তার ব্যাখ্যা দিতে মামলার বাদী পুলিশের এসআই রেজাউল করিমকে আদালতে তলব করা হয়। নাসিমের আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস জানান, রোববার দুপুরে শুনানির সময় আদালতে দায়িত্বরত পুলিশের পরিদর্শক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামির রিমান্ড চান। আর আসামির আইনজীবী হিসেবে তিনি জামিন চান। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ এবং কয়েকজন আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। তবে শুনানির পর রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. লিটন হোসেন আসামি নাসিমকে জামিন দেন। আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস আরও জানান, ভারতে থাকা ব্যক্তিকে কিভাবে আসামি করা হলো- বিচারক বাদীর কাছে জানতে চান। তখন এসআই রেজাউল করিম আদালতকে বলেন, ৫০০-৬০০ জন ব্যক্তি থানায় হামলা
চালিয়েছিলেন। সবাইকে চেনা যায়নি। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া নাম নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই মামলা দায়ের করা হয়। এ সময় আদালত যাচাই-বাছাই করে আসামি করার জন্য পুলিশের এই এসআইকে নির্দেশ দেন। আদালত বলেন, আপনারা এখন আগের মতো থাকবেন না। আপনারা পরিবর্তন হন। গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ভারতে থাকা ব্যক্তি কিভাবে আসামি হয়েছেন তা তদন্তে জানা যাবে। তার সম্পৃক্ততা না পেলে অভিযোগপত্র থেকে নাম বাদ দেওয়া হবে।



