ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর
অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা”
ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ
ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই
রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস
সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য
তিন সভায় অনুপস্থিত থেকেও পরিচালক পদে বহাল শেখ সোহেল-আ জ ম নাছিররা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, পরপর তিন সভায় বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া উপস্থিত না থাকলে শূন্য হয়ে যাবে পরিচালকদের পদ। কিন্তু সবশেষ তিন বোর্ডসভায় অংশ না নিলেও শেখ সোহেল, আ জ ম নাছির সহ বেশ কয়েকজনের পরিচালক পদ শূন্য হয়নি।
জানা গেছে, মূলত আইনের মারপ্যাঁচে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে যাওয়া আওয়ামী লীগ ঘেঁষা পরিচালকদের পদ শূন্য হচ্ছে না। কেননা তাদের অনেকেই অসুস্থতার কারণে ছুটি নিয়েছেন।
দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিসিবির পরিচালক পদ ছাড়তে হয়েছে আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি এবং জালাল ইউনুসকে। তাদের জায়গা নিয়েছেন ফারুক আহমেদ ও নাজমুল আবেদীন ফাহিম। এদিকে পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন
সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়। অন্যদিকে সরকার পতনের পর থেকেই লাপাত্তা ইসমাইল হায়দার মল্লিক, ওবেদ নিজাম, আ জ ম নাছির উদ্দিন, গাজী গোলাম মোর্ত্তজা, শেখ সোহেলসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী বোর্ড পরিচালক। কিন্তু আইনের ফাঁকফোকরের কারণে টানা তিন বোর্ডসভায় অনুপস্থিত এসব পরিচালকের পদ শূন্য হয়নি। এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘একটা ইমার্জেন্সি মিটিংসহ চারটি মিটিং হয়েছে। এখন সময় এসেছে যারা নেই তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। এ মুহূর্তে তাদের জায়গায় আমরা কাউকে নিতে পারছি না। কারণ জেলা পর্যায়ের কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে, এখন পর্যন্ত নতুন কমিটি করেনি। ক্লাবগুলো এখনও অগোছালো। নির্বাচন করতে চাইলে পদ খালি হতে হবে, নির্বাচন ওভাবেই করতে হবে।
ওই জায়গাগুলো পূরণ করার জন্য আরও কিছু সময় লাগবে।’
সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়। অন্যদিকে সরকার পতনের পর থেকেই লাপাত্তা ইসমাইল হায়দার মল্লিক, ওবেদ নিজাম, আ জ ম নাছির উদ্দিন, গাজী গোলাম মোর্ত্তজা, শেখ সোহেলসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী বোর্ড পরিচালক। কিন্তু আইনের ফাঁকফোকরের কারণে টানা তিন বোর্ডসভায় অনুপস্থিত এসব পরিচালকের পদ শূন্য হয়নি। এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘একটা ইমার্জেন্সি মিটিংসহ চারটি মিটিং হয়েছে। এখন সময় এসেছে যারা নেই তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। এ মুহূর্তে তাদের জায়গায় আমরা কাউকে নিতে পারছি না। কারণ জেলা পর্যায়ের কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে, এখন পর্যন্ত নতুন কমিটি করেনি। ক্লাবগুলো এখনও অগোছালো। নির্বাচন করতে চাইলে পদ খালি হতে হবে, নির্বাচন ওভাবেই করতে হবে।
ওই জায়গাগুলো পূরণ করার জন্য আরও কিছু সময় লাগবে।’



