ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
আস্থাহীনতার চাপেই আর্থিক খাত: ব্যাংক পুনর্গঠন ও পুঁজিবাজারে অস্থিরতার দ্বৈত সংকট
জাতীয় দলের অধিনায়কদের জন্য বিসিবির প্রিভিলেজ কার্ড
তেলসহ অর্থনৈতিক সংকট সামাল না দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে:সাংবাদিক মাহবুব কামাল
শেখ হাসিনা ভারতের ‘মেহমান’, আওয়ামী লীগ রাজনীতির ‘বাস্তবতা’: গৌতম লাহিড়ী
তিন সভায় অনুপস্থিত থেকেও পরিচালক পদে বহাল শেখ সোহেল-আ জ ম নাছিররা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, পরপর তিন সভায় বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া উপস্থিত না থাকলে শূন্য হয়ে যাবে পরিচালকদের পদ। কিন্তু সবশেষ তিন বোর্ডসভায় অংশ না নিলেও শেখ সোহেল, আ জ ম নাছির সহ বেশ কয়েকজনের পরিচালক পদ শূন্য হয়নি।
জানা গেছে, মূলত আইনের মারপ্যাঁচে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে যাওয়া আওয়ামী লীগ ঘেঁষা পরিচালকদের পদ শূন্য হচ্ছে না। কেননা তাদের অনেকেই অসুস্থতার কারণে ছুটি নিয়েছেন।
দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিসিবির পরিচালক পদ ছাড়তে হয়েছে আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি এবং জালাল ইউনুসকে। তাদের জায়গা নিয়েছেন ফারুক আহমেদ ও নাজমুল আবেদীন ফাহিম। এদিকে পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন
সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়। অন্যদিকে সরকার পতনের পর থেকেই লাপাত্তা ইসমাইল হায়দার মল্লিক, ওবেদ নিজাম, আ জ ম নাছির উদ্দিন, গাজী গোলাম মোর্ত্তজা, শেখ সোহেলসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী বোর্ড পরিচালক। কিন্তু আইনের ফাঁকফোকরের কারণে টানা তিন বোর্ডসভায় অনুপস্থিত এসব পরিচালকের পদ শূন্য হয়নি। এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘একটা ইমার্জেন্সি মিটিংসহ চারটি মিটিং হয়েছে। এখন সময় এসেছে যারা নেই তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। এ মুহূর্তে তাদের জায়গায় আমরা কাউকে নিতে পারছি না। কারণ জেলা পর্যায়ের কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে, এখন পর্যন্ত নতুন কমিটি করেনি। ক্লাবগুলো এখনও অগোছালো। নির্বাচন করতে চাইলে পদ খালি হতে হবে, নির্বাচন ওভাবেই করতে হবে।
ওই জায়গাগুলো পূরণ করার জন্য আরও কিছু সময় লাগবে।’
সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়। অন্যদিকে সরকার পতনের পর থেকেই লাপাত্তা ইসমাইল হায়দার মল্লিক, ওবেদ নিজাম, আ জ ম নাছির উদ্দিন, গাজী গোলাম মোর্ত্তজা, শেখ সোহেলসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী বোর্ড পরিচালক। কিন্তু আইনের ফাঁকফোকরের কারণে টানা তিন বোর্ডসভায় অনুপস্থিত এসব পরিচালকের পদ শূন্য হয়নি। এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘একটা ইমার্জেন্সি মিটিংসহ চারটি মিটিং হয়েছে। এখন সময় এসেছে যারা নেই তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। এ মুহূর্তে তাদের জায়গায় আমরা কাউকে নিতে পারছি না। কারণ জেলা পর্যায়ের কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে, এখন পর্যন্ত নতুন কমিটি করেনি। ক্লাবগুলো এখনও অগোছালো। নির্বাচন করতে চাইলে পদ খালি হতে হবে, নির্বাচন ওভাবেই করতে হবে।
ওই জায়গাগুলো পূরণ করার জন্য আরও কিছু সময় লাগবে।’



