ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিলার লাশ আর বিএনপি সরকারের নীরবতা, দুটোই নিশ্চুপ-নিথর হয়ে পড়ে আছে
উমামার মাইক, পাটোয়ারীর স্বপ্ন, আর একটা দেশ যেটা আবারো বিক্রি হতে বসেছে
জিরো টলারেন্সের সরকার, জিরো জবাবদিহির দেড় বছর
সহিংসতার শিকার সংখ্যার লড়াই নয়, প্রমাণভিত্তিক সত্যই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী
জামিলার লাশ আর বিএনপি সরকারের নীরবতা, দুটোই নিশ্চুপ-নিথর হয়ে পড়ে আছে
উত্তাল মার্চ, ১৯৭১ ৪ মার্চ
ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা?
ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতির ওপর হামলায় দুই উপদেষ্টার উদ্বেগ প্রকাশ
রাজধানীর বঙ্গ ইসলামিয়া সুপার মার্কেটে কাপড় দেখতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া ও জাগোনিউজ এর নিজস্ব প্রতিবেদক নাহিদ সাব্বির। এ হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ হাসান ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
শুক্রবার রাতে আহত দুই সাংবাদিকের খোঁজ নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে এসেছেন এই দুই উপদেষ্টা। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুতই আসামীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন নাহিদ ও আসিফ।
তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ হাসান বলেন, ছাত্র-জনতা বৈষম্যের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান করেছে। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উপর হামলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি গণ-অভ্যুত্থান
সফল করার পেছনে এক বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সত্য সংবাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা প্রকাশ করে গিয়েছেন। তাদের সহযোগিতা ছাড়া ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থানে সফলতা পাওয়া কঠিন হয়ে যেত। সাংবাদিকের ওপর এ হামলার ঘটনায় দ্রুতই আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এর আগে, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বঙ্গ ইসলামিয়া সুপার মার্কেটে হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া ও জাগো নিউজ এর নিজস্ব প্রতিবেদক নাহিদ সাব্বির। তাদেরকে দোকানে ডেকে নিয়ে কাউন্সিলর চামেলীর অনুসারীরা হাতুড়ি, রড, জিআই পাইপ দিয়ে হামলা করে রক্তাক্ত করে। হামলার ঘটনায় বিএনপির ২০নং ওয়ার্ড সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম স্বপন, শাহবাগ থানার
১৯ ও ২০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রোকসানা ইসলাম চামেলির স্বামী আবুল হোসেন টাবু, বিএনপির ২০নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক মাসুদ ইউসুফকে আসামী করে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই সাংবাদিক এখনও বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।
সফল করার পেছনে এক বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সত্য সংবাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকরা প্রকাশ করে গিয়েছেন। তাদের সহযোগিতা ছাড়া ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থানে সফলতা পাওয়া কঠিন হয়ে যেত। সাংবাদিকের ওপর এ হামলার ঘটনায় দ্রুতই আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এর আগে, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বঙ্গ ইসলামিয়া সুপার মার্কেটে হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া ও জাগো নিউজ এর নিজস্ব প্রতিবেদক নাহিদ সাব্বির। তাদেরকে দোকানে ডেকে নিয়ে কাউন্সিলর চামেলীর অনুসারীরা হাতুড়ি, রড, জিআই পাইপ দিয়ে হামলা করে রক্তাক্ত করে। হামলার ঘটনায় বিএনপির ২০নং ওয়ার্ড সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম স্বপন, শাহবাগ থানার
১৯ ও ২০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রোকসানা ইসলাম চামেলির স্বামী আবুল হোসেন টাবু, বিএনপির ২০নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক মাসুদ ইউসুফকে আসামী করে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই সাংবাদিক এখনও বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।



