ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
জেলা কমিটি করছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘সিসিএস’
ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনমত গড়তে দেশের সব জেলায় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)’। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সিসিএসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে ভোক্তা অধিকার নিয়ে জেলা পর্যায়ে কাজ করতে ইচ্ছুক স্বেচ্ছাসেবীদের আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদনের লিংক : https://forms.gle/797HQ3SHFWeXE4Qq5
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নতুন বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন ও সেবা খাতে অনিয়ম প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি, জনমত গঠন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রমে সার্বিক সহায়তার উদ্দেশে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)’ দেশের জেলায় জেলায় ‘জেলা কমিটি’ করার উদ্যোগ নিয়েছে।’
‘এ জন্য ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠায় জেলা পর্যায়ে
কাজ করতে আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবী/সমাজসেবার মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সিসিএসের সদস্য ফর্ম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে অনুরোধ করা হলো।’ জেলা কমিটি করছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘সিসিএস’ প্রসঙ্গত, দেশে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির ২০১৩ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি ভোক্তা অধিকার সংস্থা- ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)। সংগঠনটি এতদিন শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করলেও এবার জেলা পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোপূর্বে প্রায় ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে সিসিএসের যুব শাখা ‘কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ’ (সিওয়াইবি)। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ‘করোনায় স্বেচ্ছাসেবী’ নামে প্ল্যাটফর্ম করে দেশের ৬৩টি জেলা ও ৩৪৫টি থানায় স্বেচ্ছাসেবী দল গঠন করে সিসিএস। এই
প্ল্যাটফর্মে প্রায় ১২ হাজার স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন। দেশে করোনায় মৃত্যু শূন্যের কোটায় এলে ‘করোনায় স্বেচ্ছাসেবী’কে স্থায়ী রূপ দিয়ে নাম দেওয়া হয় ‘সিসিএস স্বেচ্ছাসেবী’। ২০১৩ সাল থেকে সিসিএস কাজ শুরু করে এবং ২০১৬ সালে জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি সংস্থা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পায়। এর মধ্যে ভোক্তা অধিকার বিষয়ে সেমিনার, শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ, উচ্চ আদালতে একাধিক রিট পিটিশন দায়ের, ভোক্তাস্বার্থে মানববন্ধনসহ শতাধিক কর্মসূচি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কাজ করতে আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবী/সমাজসেবার মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সিসিএসের সদস্য ফর্ম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে অনুরোধ করা হলো।’ জেলা কমিটি করছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘সিসিএস’ প্রসঙ্গত, দেশে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির ২০১৩ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি ভোক্তা অধিকার সংস্থা- ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)। সংগঠনটি এতদিন শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করলেও এবার জেলা পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোপূর্বে প্রায় ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে সিসিএসের যুব শাখা ‘কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ’ (সিওয়াইবি)। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ‘করোনায় স্বেচ্ছাসেবী’ নামে প্ল্যাটফর্ম করে দেশের ৬৩টি জেলা ও ৩৪৫টি থানায় স্বেচ্ছাসেবী দল গঠন করে সিসিএস। এই
প্ল্যাটফর্মে প্রায় ১২ হাজার স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন। দেশে করোনায় মৃত্যু শূন্যের কোটায় এলে ‘করোনায় স্বেচ্ছাসেবী’কে স্থায়ী রূপ দিয়ে নাম দেওয়া হয় ‘সিসিএস স্বেচ্ছাসেবী’। ২০১৩ সাল থেকে সিসিএস কাজ শুরু করে এবং ২০১৬ সালে জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি সংস্থা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পায়। এর মধ্যে ভোক্তা অধিকার বিষয়ে সেমিনার, শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ, উচ্চ আদালতে একাধিক রিট পিটিশন দায়ের, ভোক্তাস্বার্থে মানববন্ধনসহ শতাধিক কর্মসূচি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।



