ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না সাদ্দামের
চানখারপুলের রায় ‘পূর্বনির্ধারিত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নয়, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ধ্বংসযজ্ঞ: ছাত্রলীগ
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শিক্ষা কী, জানালেন মান্না
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণ পরিবর্তন আশা করলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শিক্ষা হলো- গায়ের জোরে গুন্ডামি করে রাজনীতি হয় না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত এক যোগদান সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মান্না বলেন, জনগণের রায়ের সঙ্গে যদি না যান, তাহলে কোনো আপস না। চাঁদাবাজি, দখলবাজি যারা শুরু করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেই হবে। বানানো মামলা দেওয়া শুরু হয়ে গেছে, এগুলো বন্ধ করতে হবে। গায়ের জোরে গুন্ডামি করে রাজনীতি হয় না, এটাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শিক্ষা।
সংস্কার প্রস্তাবনা ও কমিশনের কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা
বলেছি, সবার সঙ্গে কথা বলেই সংস্কার প্রস্তাবগুলো করতে হবে। আপনারা প্রস্তাব দেবেন, সবার আলোচনা, ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব হবে। আপনি কমিশনের প্রধান নিজের মতো নিজে প্রস্তাব দেবেন, তা হবে না। যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, তা নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহম্মদ ইউনূস নির্বাচন আয়োজন ও সংস্কারের জন্য যৌক্তিক সময়ের বেশি নেবেন না উল্লেখ করে মান্না বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, উনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন। অন্যদের মতো ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখবেন না।’ তবে সরকার সংস্কার প্রশ্নে যৌক্তিক সময় দিতে হবে জানিয়ে মান্না বলেন, ‘এখন বলছি, যে সময়টা লাগবে তা দিতে হবে। আমরা
কি জানতাম এত বড় একটা অভ্যুত্থান হবে? আমরা জানতাম, দেড় মাস পুলিশ থাকবে না? পুলিশ সংস্কার ছাড়া কীভাবে নির্বাচন করবেন? নির্বাচন কমিশন সংস্কার মানে কী, পুরো নির্বাচন ব্যবস্থারই সংস্কার! তাই এই সরকারকে সময় দিতে হবে। এই সরকার যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে দেশ ব্যর্থ হবে।’ এ সময় তিনি দ্রব্যমূল্য কমানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জিনিসের দাম কমেনি। এখন কি সিন্ডিকেট আছে? সমন্বয়কেরাও এখন সরকারকে দ্রব্যমূল্য নিয়ে প্রশ্ন করছে। এখনো কেন কমছে না?’ রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট আছে, তার কাজ কী? প্রেসিডেন্ট এখন না থাকলে কী হয়? প্রধানমন্ত্রী যা বলবে তাই করবে? তাকে কিছু ক্ষমতা দেন।’ যোগদান অনুষ্ঠানে বরিশাল, যশোর, পটুয়াখালীর বিশিষ্ট
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং কামরাঙ্গীরচরসহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠক দলটিতে যোগ দিয়েছেন। যোগদান করা নতুন নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে দলে স্বাগত জানান দলের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। যোগদান অনুষ্ঠানে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।
বলেছি, সবার সঙ্গে কথা বলেই সংস্কার প্রস্তাবগুলো করতে হবে। আপনারা প্রস্তাব দেবেন, সবার আলোচনা, ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব হবে। আপনি কমিশনের প্রধান নিজের মতো নিজে প্রস্তাব দেবেন, তা হবে না। যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, তা নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহম্মদ ইউনূস নির্বাচন আয়োজন ও সংস্কারের জন্য যৌক্তিক সময়ের বেশি নেবেন না উল্লেখ করে মান্না বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, উনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন। অন্যদের মতো ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখবেন না।’ তবে সরকার সংস্কার প্রশ্নে যৌক্তিক সময় দিতে হবে জানিয়ে মান্না বলেন, ‘এখন বলছি, যে সময়টা লাগবে তা দিতে হবে। আমরা
কি জানতাম এত বড় একটা অভ্যুত্থান হবে? আমরা জানতাম, দেড় মাস পুলিশ থাকবে না? পুলিশ সংস্কার ছাড়া কীভাবে নির্বাচন করবেন? নির্বাচন কমিশন সংস্কার মানে কী, পুরো নির্বাচন ব্যবস্থারই সংস্কার! তাই এই সরকারকে সময় দিতে হবে। এই সরকার যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে দেশ ব্যর্থ হবে।’ এ সময় তিনি দ্রব্যমূল্য কমানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জিনিসের দাম কমেনি। এখন কি সিন্ডিকেট আছে? সমন্বয়কেরাও এখন সরকারকে দ্রব্যমূল্য নিয়ে প্রশ্ন করছে। এখনো কেন কমছে না?’ রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট আছে, তার কাজ কী? প্রেসিডেন্ট এখন না থাকলে কী হয়? প্রধানমন্ত্রী যা বলবে তাই করবে? তাকে কিছু ক্ষমতা দেন।’ যোগদান অনুষ্ঠানে বরিশাল, যশোর, পটুয়াখালীর বিশিষ্ট
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং কামরাঙ্গীরচরসহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠক দলটিতে যোগ দিয়েছেন। যোগদান করা নতুন নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে দলে স্বাগত জানান দলের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। যোগদান অনুষ্ঠানে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।



