ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত হলেই সিট পেলেন রাবি শিবির সভাপতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৪
     ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ

ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত হলেই সিট পেলেন রাবি শিবির সভাপতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ | ১১:৪১ 161 ভিউ
গত ৮ বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে নির্যাতিত হন বর্তমান রাবি শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল মোহাইমিন। অবশেষে সেই হলেই এমফিলের শিক্ষার্থী হিসেবে আবাসিকতা পেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে হলে উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে জানান। সেখানে তিনি নির্যাতনের বিষয়ে তুলে ধরেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, "৮ বছর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ঘটে যাওয়া নির্মম নির্যাতনের স্মৃতিগুলো আজও আমার মনে তাজা। সেদিন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী তাণ্ডব, তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার নেতৃত্বে সেক্রেটারি ফয়সাল আহমেদ রুনুর ২২৯ নম্বর কক্ষে ঘটে যাওয়া নির্মমতার স্মৃতিগুলো আজও আমার

মনে অমলিন। সেই ভয়াবহ রাত সেই নির্যাতনের রক্তাক্ত অধ্যায় আজও আমাকে তাড়া করেক।" তিনি পোস্টে লিখেছেন, "আজ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলস্বরূপ ক্যাম্পাসগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী (নিষিদ্ধ) সংগঠন ছাত্রলীগের দখলমুক্ত। এই পরিবর্তন একদিনে আসেনি। অসংখ্য শিক্ষার্থীর সংগ্রাম, ত্যাগ, এবং সাহসের ফলেই ক্যাম্পাসগুলো আজ সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছে।" ফেসবুক পোস্টে আরও বলেন, "দীর্ঘ সময় পর সেই একই হলে নতুন পরিচয়ে ফিরেছি । এই নতুন স্বাধীনতার আলোয় বঙ্গবন্ধু হলে আবার ফিরে আসতে পেরে আমি আবেগে আপ্লুত। এমফিল শিক্ষার্থী হিসেবে এই হলে আমার জন্য বরাদ্দ হওয়া রুমটি আমার কাছে শুধু থাকার জায়গা নয়, বরং এটি অতীতের দুঃখকে জয় করার এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন এক

অধ্যায় রচনা করার সুযোগ।" বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হলগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু থাকার জায়গা নয়, বরং এটি জ্ঞানচর্চা, একাডেমিক উন্নয়ন, এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের একটি নিরাপদ ক্ষেত্র। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতাকে বিকশিত করার জন্য এগুলো হওয়া উচিত সহিংসতামুক্ত ও শান্তির আশ্রয়। তবে আজ আমি শুধু আমার নিজের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে যেন শিক্ষার্থীরা আর কখনো সহিংস রাজনীতি বা অন্যায় অত্যাচারের শিকার না হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য হলগুলো হবে জ্ঞানচর্চা ও বন্ধুত্বের নিরাপদ স্থান, ত্রাস ও বিভেদের নয়। প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্যে আসেন রাবি শাখা ছাত্র শিবিরের এই সভাপতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক

স্ট্যাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি এমফিল করছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?