চিরকুট লিখে এএসপি পলাশ সাহার আত্মহত্যা, কারণ জানালেন মেজো ভাই – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ মে, ২০২৫
     ৮:৪১ অপরাহ্ণ

চিরকুট লিখে এএসপি পলাশ সাহার আত্মহত্যা, কারণ জানালেন মেজো ভাই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ মে, ২০২৫ | ৮:৪১ 207 ভিউ
চট্টগ্রাম র‌্যাব কার্যালয়ের এএসপি পলাশ সাহার আত্মহত্যার কারণ জানিয়েছেন তার মেজো ভাই নন্দলাল সাহা। বুধবার চট্টগ্রাম র‌্যাব কার্যালয়ের নিজ অফিস থেকে পলাশ সাহার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত পলাশ সাহার লাশের পাশ থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। তিনি র‌্যাব-৭ এ কর্মরত ছিলেন। পলাশ সাহা গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার তারাশী গ্রামের মৃত বিনয় কৃষ্ণ সাহার ছেলে। এএসপি পলাশ সাহার মেজো ভাই নন্দ লাল সাহা বলেন, ২ বছর আগে ফরিদপুরের চৌধুরীপাড়ায় পলাশের বিয়ে হয়। বিয়ের ৬-৭ মাস পর থেকে তাদের পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। প্রতিদিন কিছু না কিছু নিয়ে পলাশের স্ত্রী সুস্মিতা সাহা পরিবারে ঝামেলা করত। আমার মা আরতি সাহা পলাশের সঙ্গে চট্টগ্রামে থাকত;

এটা পলাশের স্ত্রী মেনে নিতে পারত না। সে সব সময় মাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য পলাশকে চাপ প্রয়োগ করত। পলাশ কিছুতেই মাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে চাইত না। সে মা ও তার স্ত্রী দুজনকেই ভালোবাসতো। তিনি বলেন, বুধবার সকালে সামান্য বিষয় নিয়ে আমার মা আরতি সাহা ও ভাই পলাশ সাহার গায়ে হাত তোলে সুস্মিতা সাহা। এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি আমার ভাই। আর এ কারণেই আমার ভাই পলাশ সাহা আত্মহত্যা করেছে বলে আমাদের ধারণা। চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার র‍্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পে কর্মরত স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পলাশ সাহা অফিস কক্ষে নিজের ব্যবহৃত পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বুধবার বেলা

১১টা ৫০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়। চান্দগাঁও থানার ওসি আফতাব উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, র‌্যাব চান্দগাঁও কার্যালয়ের নিজ কক্ষ থেকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পলাশ সাহার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। র‌্যাব কর্মকর্তা পলাশ তার নিজের ব্যবহৃত অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন বলে জানান ওসি। এদিকে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, এএসপি পলাশ সাহার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তিনি কিভাবে মারা গেছেন- সেই বিষয়ে

এখনো নিশ্চিত নই। লাশ হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। লাশের পাশ থেকে উদ্ধার করা চিরকুটে লেখা আছে- ‘আমার মৃত্যুর জন্য মা এবং বউ- কেউ দায়ী না। আমিই দায়ী। কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না। বউ যেন সব স্বর্ণ নিয়ে যায় এবং ভালো থাকে। মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের ওপর। তারা যেন মাকে ভালো রাখে। স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য। দিদি যেন কোঅর্ডিনেট করে।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘দায়মুক্তি’ শীর্ষক আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয় ‘প্রোটোকল দিয়ে আমাকে বনবাসে দিয়ে গেল’: শেখ হাসিনা ‘প্রোটোকল দিয়ে আমাকে বনবাসে দিয়ে গেল’: শেখ হাসিনা প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি রাজশাহী–৪ আসনে ৩ লাখ ভোটারে ৭ লাখের বেশি ভোট! আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয় ভোটার ছিল না, কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে: শেখ হাসিনা জুলাই সনদ’ গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও তথ্যে বড় গরমিল, এক আসনে ভোট ২৪৪% সিলেট-৫: ভোটার ২৫৩৮, ভোট পড়ল ২৭৫৪! ফলাফলে ‘১০৮ শতাংশ’ ভোটের নজির ভোটের আগেই সিল, আগেই স্বাক্ষর— ভোটার ছাড়াই বৈধতার নাটক গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে- মির্জা ফখরুল প্রতারণা-প্রহসনের নির্বাচন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতি ‘ভোটার ছিল না ভোটকেন্দ্রে; কিন্তু ভোট ছিল গণনার টেবিলে! সর্বনিম্ন ভোটার টার্ণআউট, ফাঁকা ভোটকেন্দ্রগুলো, আওয়ামী লীগের আহ্বানে বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বাচন বর্জন আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: দেশের ভবিষ্যৎ ও দলের অবস্থান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সজীব ওয়াজেদ জয় আমি ঘরের মেয়ে ঘরেই আছি আমার ঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়া- রুমিন ফারহানা ইউনুসের সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা ⁨নোয়াখালিতে পোলিং অফিসার নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন ⁨সবচেয়ে বাজে কারচুপির নির্বাচন হয়েছে – জনগনের ক্ষোভ ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পূর্বে কেন্দ্রদখল করে ব্যালট ছিনতাইয়ের পর ধানের শীষ মার্কায় সিল জনগণের সমর্থন না পেয়ে ক্ষমতা দখলের নগ্ন প্রয়াস!