‘গভর্নমেন্ট অফ দ্য মাফিয়া বাই দ্য মাফিয়া ফর দ্য মাফিয়া’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ September, ২০২৪

আরও খবর

‘গভর্নমেন্ট অফ দ্য মাফিয়া বাই দ্য মাফিয়া ফর দ্য মাফিয়া’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ September, ২০২৪ |
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, লাখো শহিদের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্র-রাজনীতি শাসন প্রশাসন হওয়ার কথা ছিল গভর্নমেন্ট অফ দ্য পিপল বাই দ্য পিপল ফর দ্যা পিপল। অথচ গত ১৫ বছর বাংলাদেশে মাফিয়া শাসন চালু করা হয়েছিল। দেশে বিদেশে পলাতক স্বৈরাচার বিনাভোটের সরকারের পরিচয় হয়ে উঠেছিল গভর্নমেন্ট অফ দ্যা মাফিয়া বাই দ্য মাফিয়া ফর দ্য মাফিয়া। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার ঢাকায় বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই মাফিয়া চক্র দেশকে সর্বক্ষেত্রে ভঙ্গুর করে দিয়েছিল। দেশকে সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর ঋণ নির্ভর এবং পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। মাফিয়া চক্র দেশের

ব্যাংকগুলো দেউলিয়া করে দিয়েছে। গত দেড় দশকে দেশ থেকে ১৭ লক্ষ কোটি টাকার বেশি পাচার করে দিয়েছে। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের বীর ছাত্র-জনতা নারী শিশু কৃষক শ্রমিক সব শ্রেণি পেশার মানুষ সর্বস্তরের জনগণ বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের জনগণ বন্দুকের সামনে বুক পেতে দিতে রাজি তবুও স্বৈরশাসন মেনে নিতে রাজি নয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের গনতন্ত্রকামী বীর জনগণকে জানাই আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা শহিদি মৃত্যুবরন করেছেন, যারা আহত হয়েছেন, হাত পা চোখ হারিয়েছেন কিংবা চিরতরে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আজীবন তাদের এই আত্মত্যাগ এবং অবদান শ্রদ্ধার

সঙ্গে স্মরণ করবে। হতাহতদের প্রতিটি পরিবারের প্রতি অবশ্যই রাষ্ট্র যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে। তিনি বলেন, ৫ ই আগষ্টের পতিত স্বৈরাচারের বেপরোয়া দুর্নীতি আর লুটপাটের কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বর্তমানে ১০০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশে আজ যে শিশুটি জন্ম নিয়েছে কোনো কারণ ছাড়াই সেই শিশুটিরও মাথা পিছু ঋণ কমপক্ষে দেড় লক্ষ টাকা। তারেক রহমান বলেন, হাজারো শহিদের রক্তস্নাত এই রাজপথে আজ আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির অর্থ ছাত্র-জনতার কাঙ্খিত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রাপথে বাংলাদেশের পক্ষের শক্তিকে হয়তো আরও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। আরও কিছু পথ পাড়ি দিতে হবে। তবে সেই পথ সন্ত্রাস-সংঘর্ষ-প্রতিশোধ কিংবা প্রতিহিংসার নয়। সেই পথ হবে ধৈর্য-সহনশীলতা

এবং সমঝোতার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এআইকে এই ৫টি প্রশ্ন করবেন না ইলিশের নামে ‘রুপালি ধোঁকা’ ব্রাজিল-ভারত ম্যাচের সম্ভাব্য একাদশ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬০৮ ভেঙে পড়েছে ফ্রান্সের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ উত্তাল রাজপথ একদিনেই ইলন মাস্কের সম্পদ বাড়ল ৬১ বিলিয়ন ডলার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন ফের উত্তপ্ত দিল্লি, যন্তর মন্তরে পুলিশি হামলা যুবভারতীতে সাম্বা ঝড় সামলানোর পরীক্ষা ‘শঙ্খ সকাল প্রকৃতি’ নাটকে মৌ নির্বাচনের আগেরদিন গ্রেপ্তার করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি, বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ নেতার জয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র প্রতিবেদন: ৫টি এলপিজি কোম্পানির সিন্ডিকেট, পকেট কাটছে ভোক্তার ২৪টি এসি চালাতে ৭ কোটি টাকার সাবস্টেশন, ই-জিপির শর্তের তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারের নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ ইউনূস আমলের নীতিমালা সংশোধনীর ফাঁদে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ আউটসোর্স কর্মীর চাকরি ঝুঁকিতে জুলাই-আগস্টে সিলেটের থানা থেকে লুটের অস্ত্র মিলছে নদীর পাড়, চা বাগানে-জংলায়, জড়িতরা অধরা পদ্মার চর পেরিয়ে সোনা যাচ্ছে ভারতে, ঢুকছে হেরোইন-ফেনসিডিল ব্যান্ডউইথ ব্যবসার সিন্ডিকেট: ৩ প্রতিষ্ঠানের জোট- বাজার দখলের চেষ্টা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের নাভিশ্বাস চরমে, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ২১০৫ কোটি টাকার বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প! দলের নারী নেত্রীরা এমন হলে তাদের পুরুষ নেতাদের কী অবস্থা- প্রশ্ন মামুনুল হকের জুলাইতে আন্দোলন করে কোটা সংস্কারের পর পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের নারীরা