ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেহরি থেকে তুলে নিয়ে মারধর, জঙ্গিদের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাবি হলে ঢুকে ছাত্রীদের নির্যাতনসহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বরখাস্ত: সাড়ে ১৬ বছর পর ডিসি কোহিনূরকে পুনর্বহাল
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দোহাই দিয়ে আজ থেকে বন্ধ দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী
৮দিন আগেই সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আকস্মিক বন্ধ ঘোষনা; জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়?
মানবাধিকার, মতপ্রকাশের ন্যুনতম স্বাধীনতাও আজ লঙ্ঘিত
কুবি শিক্ষকককে অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে বিকাশ-এটিএমের টাকা উত্তোলন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং: ছাদে নিয়ে নবীনদের অপমান, তদন্তে প্রশাসন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ফের র্যাগিংয়ের ঘটনায় উত্তপ্ত ক্যাম্পাস। বাংলা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীরা এবার বড় ভাই-বোনদের হাতে র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী নবীনদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার ছাদে নিয়ে গিয়ে মানসিকভাবে হেনস্তা করেন।
বিষয়টি জানতে পেরে প্রক্টরিয়াল বডি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে এবং উভয় পক্ষকে লিখিতভাবে ঘটনার বিবরণ দিতে বলে।
এর আগে গত ১ জুলাই ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের দিনও একই বিভাগের বিরুদ্ধে নবীনদের র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল।
র্যাগিংয়ের শিকার এক শিক্ষার্থী জানান, “প্রথম দিনেই দেখি দুজন মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ভেঙে পড়ছে। সবাই তো নতুন,
আন্তরিক ব্যবহারেই তো ভালোবাসা অর্জন করা যায়।” অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের দাবি, “আমরা কোনো র্যাগ দিইনি। পরিচিত হওয়ার জন্য তাদের ডেকেছিলাম, ক্লাস খালি না থাকায় ছাদে নিয়ে যাই। এমনকি খাওয়াইছি।” তবে প্রতিবেদকের কাছে থাকা প্রমাণ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য মতে, পরিচিতি পর্বের আড়ালে চলে মানসিক চাপে ফেলা ও অপমানজনক আচরণ। এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকি বলেন, “প্রক্টরিয়াল বডি বিষয়টি দেখছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, “লিখিতভাবে দুই পক্ষের বক্তব্য নিয়ে তদন্ত চলছে। এরপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এদিকে, এর আগের দিন (২ জুলাই) মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ ওঠে। নবাগত শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে দরজা
বন্ধ করে গালিগালাজ, বেঞ্চে দাঁড় করিয়ে অপমান এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠে। এমনকি এক ডায়ালাইসিস রোগী শিক্ষার্থীর হাতে থাকা ক্যানোলা জোর করে খুলে দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে শয়ন দাস নামে এক শিক্ষার্থীর নাম জানা গেছে। এ ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত চলাকালে অভিযুক্তদের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
আন্তরিক ব্যবহারেই তো ভালোবাসা অর্জন করা যায়।” অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের দাবি, “আমরা কোনো র্যাগ দিইনি। পরিচিত হওয়ার জন্য তাদের ডেকেছিলাম, ক্লাস খালি না থাকায় ছাদে নিয়ে যাই। এমনকি খাওয়াইছি।” তবে প্রতিবেদকের কাছে থাকা প্রমাণ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য মতে, পরিচিতি পর্বের আড়ালে চলে মানসিক চাপে ফেলা ও অপমানজনক আচরণ। এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকি বলেন, “প্রক্টরিয়াল বডি বিষয়টি দেখছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, “লিখিতভাবে দুই পক্ষের বক্তব্য নিয়ে তদন্ত চলছে। এরপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এদিকে, এর আগের দিন (২ জুলাই) মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ ওঠে। নবাগত শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে দরজা
বন্ধ করে গালিগালাজ, বেঞ্চে দাঁড় করিয়ে অপমান এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠে। এমনকি এক ডায়ালাইসিস রোগী শিক্ষার্থীর হাতে থাকা ক্যানোলা জোর করে খুলে দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে শয়ন দাস নামে এক শিক্ষার্থীর নাম জানা গেছে। এ ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত চলাকালে অভিযুক্তদের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।



