ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্যাস সংকটে লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকিতে : ইউনুসের অদক্ষতার মাসুল গুনছে সাধারণ মানুষ
“ড. মুহাম্মদ ইউনূস জীবনে কোনদিন ট্যাক্স দিয়েছে? জিজ্ঞেস করেন! ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া— এটা সে খুব ভালো জানে” –জননেত্রী শেখ হাসিনা
“দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের মানুষ; কিন্তু বলবে কে? সত্য কথা বললে জেলে যেতে হয়” – জনতার ক্ষোভ
বাংলাদেশ : বাতাসে এখন শুধু লাশের গন্ধ
লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি?
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
এক্সপ্রেসওয়ের কুড়িল টোল প্লাজার ব্যারিকেড ভাঙচুর, মারধর
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কুড়িল টোল প্লাজায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় টোল প্লাজায় দায়িত্বরত কর্মীদের মারধরও করা হয়।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
সকাল ৯টার কিছু সময় পড়ে ঘটনাটি ঘটে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, ৩০ থেকে ৪০ জনকে নিয়ে একটি পিকআপ টোল প্লাজায় আসে। পিকআপটি টোল বুথে এলে সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে আগতদের তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে পাঞ্জাবি পরিহিত এক যুবক টোল প্লাজার ব্যারিকেড বার ভেঙে ফেলেন। এর অল্প সময় পরই প্লাজার কর্মীদের সঙ্গে তারা হাতাহাতিতে জড়ান। এ সময় টোল বুথের ভেতরে থাকা এক কর্মীকে মারধরও করেন পিকআপে থাকা কয়েকজন যুবক।
এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম আখতার বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, আমরা লোকজন ভর্তি পিকআপ অ্যালাউ করি না। টোল প্লাজায় তাদের এ কথা বলা হয়। কিন্তু তারা মানতে চাননি। এ সময় সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে পিকআপে আসা লোকজনের তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তারা হাতাহাতি-মারামারি করেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পরে পুলিশ এসে তাদের নিয়ে গেছে।
এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম আখতার বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, আমরা লোকজন ভর্তি পিকআপ অ্যালাউ করি না। টোল প্লাজায় তাদের এ কথা বলা হয়। কিন্তু তারা মানতে চাননি। এ সময় সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে পিকআপে আসা লোকজনের তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে তারা হাতাহাতি-মারামারি করেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পরে পুলিশ এসে তাদের নিয়ে গেছে।



