ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাই দাঙ্গার নায়করা নির্বাচনে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৃত্যুর প্রহর গুনছে
নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক
যে দেশে সংখ্যালঘু মানেই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক : রক্তের দাগ মোছে না, ইতিহাসও ভোলে না
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘দায়মুক্তি’ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি ১০ মানবাধিকার সংস্থার
আবদুল মান্নান খানের মৃত্যুতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শোক
ঈদের মতো ভিড় টার্মিনালে, রিকুইজিশনে বাস সংকট
তপশিলের পর গুলির ঘটনা ৩৪টি, অস্ত্র উদ্ধার ১১৩৯
ইসরাইলি পণ্য বয়কটের ডাক জবি শিক্ষার্থীদের
ইসরাইলি পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। লেবানন ও ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’ আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ আহ্বান জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, দীর্ঘদিন ইসরাইলি দখলদাররা ফিলিস্তিনে আগ্রাসন চালাচ্ছে। আমরা প্রত্যেকে মানুষ। আমরা চাই না একটি প্রাণ ঝরে যাক। আমরা আজ এখানে মুক্তভাবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করছি, কিন্তু আমার ফিলিস্তিনের ভাইয়েরা তাদের মুক্তির গান গাইতে পারে না। আমরা তাদের স্বাধীনতা চাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম বলেন, ইসরাইল আজ ফিলিস্তিনকে শেষ করে এখন লেবাননের দিকে হাত বাড়িয়েছে। সুন্নিদের দমনের পর তারা শিয়াদের ধরেছে। তারা মারার সময় দেখে
মুসলিমদের মারছি, কিন্তু আমরা সুন্নি আর শিয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে পড়ে আছি।ইসরাইলের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের আরব ও মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা এখানে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে পারব না। আমরা যা পারি তা হলো ইসরাইলি চিহ্নিত পণ্যগুলোকে ব্যবহার না করা। আমরা ইসরাইলের পণ্য না খেলে মরব না। এটা হবে আমাদের প্রতিবাদ। ‘হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ মাসুদ বলেন, মানবতা আজ ভূলুণ্ঠিত। আমরা নির্বাক তাকিয়ে আছি। আমাদের কাছে ট্যাংক নাই, গোলাবারুদ নাই, যা আছে তা হলো প্রতিবাদের ভাষা। ফিলিস্তিন ও লেবাননের হামলার প্রতিবাদে দাঁড়িয়েছি। ফিলিস্তিন ও লেবাননে মানবাধিকার আজ ভূলুণ্ঠিত, কিন্তু পশ্চিমারা চুপ। আমরা চাই ফিলিস্তিনের
মানুষও সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদে বাস করুক। আমরা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মুসলিমদের মারছি, কিন্তু আমরা সুন্নি আর শিয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে পড়ে আছি।ইসরাইলের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের আরব ও মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা এখানে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে পারব না। আমরা যা পারি তা হলো ইসরাইলি চিহ্নিত পণ্যগুলোকে ব্যবহার না করা। আমরা ইসরাইলের পণ্য না খেলে মরব না। এটা হবে আমাদের প্রতিবাদ। ‘হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ মাসুদ বলেন, মানবতা আজ ভূলুণ্ঠিত। আমরা নির্বাক তাকিয়ে আছি। আমাদের কাছে ট্যাংক নাই, গোলাবারুদ নাই, যা আছে তা হলো প্রতিবাদের ভাষা। ফিলিস্তিন ও লেবাননের হামলার প্রতিবাদে দাঁড়িয়েছি। ফিলিস্তিন ও লেবাননে মানবাধিকার আজ ভূলুণ্ঠিত, কিন্তু পশ্চিমারা চুপ। আমরা চাই ফিলিস্তিনের
মানুষও সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদে বাস করুক। আমরা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাই। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।



