ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খামেনির শেষ বিদায়ে যোগ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
শহীদ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা চলাকালে ট্রাম্পের কটাক্ষ
খামেনির ‘রক্তের বদলা’ নেওয়ার শপথ ইরানের
ভারতের আদালতে ১৬টি নথি জমা দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম ব্যক্তি
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’, ১৮৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এল যে ভয়াবহ তথ্য
নোটিশ ছাড়াই ভারতে ভাঙা হলো তিন মসজিদ ও মাজার
পশ্চিম তীরে ১০০ স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরাইল
ইয়ম কিপুর পালন ইসরাইলজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা
চলমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যেই ১৯৭৩ সালের পর এই প্রথমবার ইয়ম কিপুর পালন করছে ইসরাইল। এ নিয়ে ইসরাইলি বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
কেননা দেশটি ফিলিস্তিনের হামাস ও লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘর্ষে মুখোমুখি রয়েছে।
এ বিষয়ে শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সীমান্ত এলাকাগুলোতেও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।
হিব্রু বর্ষের প্রথম মাসকে ‘তিশরেই’ বলা হয়। ইহুদি ধর্মবিশ্বাস মতে, এ মাসের প্রথম দিন মহাপ্রভু পরবর্তী এক বছরের ভাগ্যলিখনের খাতা খোলেন। তাই এদিন থেকেই ইহুদিরা বিশেষ প্রার্থনা করেন।
তিশরেই মাসের দশম দিনের মাথায় পালিত হয় পাপমুক্তির দিন বা ‘ইয়ম কিপুর’। এই দিন শেষে প্রভু
ইহুদিদের ভাগ্যলিখন শেষে খাতা বন্ধ করেন। ইয়ম কিপুরের দিনটি ইহুদিরা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সমষ্টিগতভাবে নিবিড় প্রার্থনা, অনুশোচনা, উপবাস ও সংযমের মাধ্যমে পালন করে থাকেন। ইহুদি ধর্মমতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাবান এই দিনটি ইসরাইলে সরকারিভাবে ছুটি থাকে। অত্যাবশ্যকীয় সীমিত কিছু সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকে। ১৯৭৩ সালে এই ইয়ম কিপুর পালনকালে মিশর এবং সিরিয়া ইসরাইলে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। যা ইয়ম কিপুর যুদ্ধ বা আরব-ইসরাইল যুদ্ধ নামে পরিচিত। সেই যুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে এবারের ইয়ম কিপুর উদযাপন একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। কারণ ইসরাইল এ বছরও আরেক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িত রয়েছে। এ নিয়ে ইসরাইলি সরকার তার জনগণকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে এবং এই বিশেষ ধর্মীয়
দিনটিতে যে কোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে বলেছে। সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
ইহুদিদের ভাগ্যলিখন শেষে খাতা বন্ধ করেন। ইয়ম কিপুরের দিনটি ইহুদিরা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সমষ্টিগতভাবে নিবিড় প্রার্থনা, অনুশোচনা, উপবাস ও সংযমের মাধ্যমে পালন করে থাকেন। ইহুদি ধর্মমতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাবান এই দিনটি ইসরাইলে সরকারিভাবে ছুটি থাকে। অত্যাবশ্যকীয় সীমিত কিছু সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকে। ১৯৭৩ সালে এই ইয়ম কিপুর পালনকালে মিশর এবং সিরিয়া ইসরাইলে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। যা ইয়ম কিপুর যুদ্ধ বা আরব-ইসরাইল যুদ্ধ নামে পরিচিত। সেই যুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে এবারের ইয়ম কিপুর উদযাপন একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। কারণ ইসরাইল এ বছরও আরেক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িত রয়েছে। এ নিয়ে ইসরাইলি সরকার তার জনগণকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে এবং এই বিশেষ ধর্মীয়
দিনটিতে যে কোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে বলেছে। সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল



