ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রেমের টানে হুটহাট বাংলাদেশে উড়ে যাওয়া নাগরিকদের কঠোর বার্তা চীন সরকারের
দেড় মাসেই উন্নয়নের জোয়ারে পদ্মায় ভেসে গেল ৫২৭ কোটি টাকার প্রকল্প!
ডেঙ্গু ঠেকাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যুগান্তকারী সমাধান: বললেন লুঙ্গি লম্বা করে ও পায়জামা পরতে
সুস্থ অবস্থায় কারাগারে যাওয়ার ৯ দিন পর পরিবার পেল যুবলীগ নেতার মরদেহ, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
বাংলাদেশের পোশাক খাতে শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন-নিপীড়নের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্বেগ
ভারতে অনুপ্রবেশ, গুপ্ত অবস্থানরত পাসপোর্টহীন মার্কিন নৌসেনাসহ আরও বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার
অক্সফোর্ডে আন্তর্জাতিক সেমিনারে সজীব ওয়াজেদের চ্যালেঞ্জ: “১৪শ জনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করুক জাতিসংঘ”
ইমাম রইস উদ্দিনকে পরিকল্পিত মব তৈরি করে হত্যা করা হয়
গাজীপুরের কোনাবাড়ির আখলাদুল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রইস উদ্দিনকে পরিকল্পিত মব তৈরি করে বলাৎকারের অভিযোগ তুলে আঘাতের পর আঘাত করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন নিহত ইমামের স্ত্রী সাজেদা আক্তার।
শুক্রবার (৯ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে সাজেদা আক্তার বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩৯নং ওয়ার্ডের হায়দারাবাদ এলাকার আখলাদুল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব ছিলেন মাওলানা রইস উদ্দিন। গত ২৭ এপ্রিল সকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বলাৎকারের পরিকল্পিত ঘটনা সাজিয়ে একটি মব তৈরি করা হয়। সেখানে গাছের সাথে বেঁধে অকথ্য নির্যাতন করা হয়, পেটে, বুকে, পিঠে, তলপেটে, চোখের নিচে ও মাথায় আঘাতের পর আঘাত
করা হয়। অতঃপর মাথার চুল কেটে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেওয়া হয়। এমতাবস্থায় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে জোর করে জবানবন্দি আদায়ের লক্ষ্যে ভিডিও করা হয়। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা মারপিট করার পর পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। পরে তাকে পূবাইল থানায় আনা হয় এবং থানা থেকে গাজীপুর কোর্টে চালান করা হয়। গাজীপুর কোর্ট তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করে। জেলা কারাগারে ওই রাত সাড়ে ৩টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। অতঃপর জেলা কারাগার থেকে তার লাশ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়েছে- আমার স্বামীকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনের সাথে জড়িত
ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। উক্ত মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমার স্বামীর মৃত্যুর পেছনে থানা পুলিশ এবং কারা কর্তৃপক্ষের অবহেলা ছিল কি-না তা সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, গাজীপুর পুলিশ কমশিনারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। সুষ্ঠু তদন্ত করতে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রিজভী, ইকবাল হাসান, শাহীদুল আলম রিজভী, শহীদ মাওলানা রইস উদ্দিনের মা রহিমা বেগম, তার একমাত্র কন্যা সাইয়্যিদা মাহজাবিন মাহিরা, শ্যালক মিজানুর রহমান, হাফেজ মাওলানা ওমর
ফারুক, রইস উদ্দিনের ভগিনীপতি আব্বাস উদ্দিন, ভাগিনা আবু বকর সিদ্দিক আকিব, এরশাদ ও মোরশেদ প্রমুখ।
করা হয়। অতঃপর মাথার চুল কেটে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেওয়া হয়। এমতাবস্থায় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে জোর করে জবানবন্দি আদায়ের লক্ষ্যে ভিডিও করা হয়। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা মারপিট করার পর পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। পরে তাকে পূবাইল থানায় আনা হয় এবং থানা থেকে গাজীপুর কোর্টে চালান করা হয়। গাজীপুর কোর্ট তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করে। জেলা কারাগারে ওই রাত সাড়ে ৩টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। অতঃপর জেলা কারাগার থেকে তার লাশ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়েছে- আমার স্বামীকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনের সাথে জড়িত
ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। উক্ত মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমার স্বামীর মৃত্যুর পেছনে থানা পুলিশ এবং কারা কর্তৃপক্ষের অবহেলা ছিল কি-না তা সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, গাজীপুর পুলিশ কমশিনারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। সুষ্ঠু তদন্ত করতে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রিজভী, ইকবাল হাসান, শাহীদুল আলম রিজভী, শহীদ মাওলানা রইস উদ্দিনের মা রহিমা বেগম, তার একমাত্র কন্যা সাইয়্যিদা মাহজাবিন মাহিরা, শ্যালক মিজানুর রহমান, হাফেজ মাওলানা ওমর
ফারুক, রইস উদ্দিনের ভগিনীপতি আব্বাস উদ্দিন, ভাগিনা আবু বকর সিদ্দিক আকিব, এরশাদ ও মোরশেদ প্রমুখ।



