আ. লীগ আমাদের নিষিদ্ধ করতে এসেছিল, আজকে তাদের পরিণতি কী? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ অক্টোবর, ২০২৪

আ. লীগ আমাদের নিষিদ্ধ করতে এসেছিল, আজকে তাদের পরিণতি কী?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ অক্টোবর, ২০২৪ |
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ আমাদের নিষিদ্ধ করতে এসেছিল, আজকে তাদের পরিণতি কী? তারা জাতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নিজেরাই নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। বিগত দুঃশাসনকালে কেউ ইসলাম চর্চা হতে দেখিনি বরং আমরা এমন দৃশ্য দেখেছি- যারা কোরআন-হাদিসের কথা বলেছেন তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বয়স্ক আলেমদের পায়ে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে কারাগার থেকে নিয়মিত আদালতে উঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে নগর উত্তর ছাত্রশিবির আয়োজিত সীরাতুন্নবী (স.) মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিবির সভাপতি বলেন, ‌‘আজকে বিচারবহির্ভূত হত্যার কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি। অথচ এ দেশে ইসলাম নিয়ে যারা কথা বলেছিলেন- জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, মীর কাশেম আলীসহ অনেককে

বিচারিক কায়দায় অবৈধভাবে বিচারিক কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করে তারা (আওয়ামী লীগ) প্রমাণ করেছে, এ দেশে তারাই প্রথম বিচারবহির্ভূত হত্যার যাত্রা শুরু করেছে।’ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, অপশাসনের অবসানের পর এক অনিশ্চিত যাত্রা থেকে এ জাতি মুক্তির যে আলোর দিশা পেয়ে আজ যে পথ চলছে, সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল ইসলামি ছাত্রশিবির এবং এ দেশের ছাত্র-জনতা। হাসিনা ফ্যাসিস্ট তার জুলুমে পাহাড়সম নির্যাতনে এ দেশের তাওহীদি জনতার ত্যাগ এবং মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে আমার হাসিনামুক্ত একটি দেশ পায়। তারা আমাদের জুলুম করেছে। তারা ছিল জালেম। জালিমদের জন্য আল্লাহ দুনিয়াকে সংকীর্ণ করে দেয়, যার প্রমাণ হাসিনা নিজেই। চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখার শিবিরের সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক

ছিলেন আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের খতিব সাইয়্যেদ আনোয়ার হোসাইন তাহের জাবিরী আল-মাদানী, প্রধান মুফাসির হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুফতি আমির হামজা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘ফোন ধরিস না কেন?’—ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলের টিকিট কাউন্টারে যুবদল নেতার হামলা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা নিরাপত্তাজনিত কারণে আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, জীবিকা হারিয়ে শঙ্কায় প্রবাসীরা ৭ মাসে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ || নিখোঁজ শিশুর অঙ্গ পাচার, ৭ মাস পর মাহফিলে ভিক্ষা করতে এসে বাবার সঙ্গে দেখা তিন মাসে ব্যাংকে কোটির বেশি টাকার হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ডাকসুর দেয়ালে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন: ছাত্র মৈত্রীর ক্ষোভ ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে এলো আরও ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল ‘মা মাটি মোহনা বিদেশিদের দেব না’ স্লোগানে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ রায় বহাল, ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে মব হামলায় ক্যাম্পাসছাড়া, পাননি প্রশাসনের সহায়তা: ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসীনের ডাকসুতে ছেঁড়া হলো জিন্নাহর ছবি, টাঙানো হলো রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি ঋণের সুদ কমলেও বিনিয়োগে গতি নেই আওয়ামী লীগের মিছিল মানেই পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্য রমরমা! ‘এআই মানুষকে ধ্বংস করতে পারে’: কেন থামছে না প্রযুক্তির দৌড় গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায় চেম্বার আদালতেও বহাল গৃহকর্মী তানিয়ার শরীরজুড়ে খুন্তির ছ্যাঁকা, মাথায় গুরুতর আঘাত, পচন ধরেছে দুই পায়ে নয় মাসের ব্যবধানে তিনগুণ বেশি দামে এলএনজি কিনছে সরকার হাতিয়ার সেই বিদ্যালয়ে আবারও ঝাঁজালো গন্ধ, অসুস্থ ২০ শিক্ষার্থী ময়মনসিংহ মেডিকেলের নতুন ভবনে আগুন, আতঙ্কে আহত কয়েকজন যুক্তরাজ্য ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে চুক্তি করল তিন দেশ ‘ভাতের জন্য সাগরে গেছিলো, সাত মাস হয়ে গেলো বুকের মানিক এখনও আসে না’