আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. ইউনূসের চিঠি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৩:৩০ অপরাহ্ণ

আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. ইউনূসের চিঠি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৩:৩০ 237 ভিউ
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এ ঘটনায় মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগে গতকাল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. ইউনূস। বৈঠক চলাকালে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর ফোন করে সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের ক্ষমা ঘোষণার বিষয়টি ড. ইউনূসকে জানান। তাৎক্ষণিক এ তথ্য সম্পাদকদের জানান তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ২৮ আগস্ট আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপে ৫৭ জনকে ক্ষমা করার অনুরোধ করেছিলেন ড. ইউনূস। নোবেল বিজয়ী ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব ড. ইউনূসের

প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমিরাত সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। ক্ষমাপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের শিগগিরই দেশে ফেরত পাঠানো হবে। গত জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে আমিরাতে বিক্ষোভ করেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি। এর দায়ে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন মেয়াদে ৫৭ বাংলাদেশিকে কারাদণ্ড দেন দেশটির ফেডারেল আদালত। তাদের মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন, ৫৩ জনকে ১০ বছর এবং বাকি একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত আবু জাফর জানান, ৫৭ বাংলাদেশির সাজা প্রত্যাহার এবং আমিরাত থেকে নির্বাসনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। কোনো ধরনের অর্থ ব্যয় ছাড়াই এসব প্রবাসী মুক্ত হয়েছেন। এখন তারা কীভাবে কারাগার থেকে বের হবেন, সে বিষয়ে কাজ করছে দূতাবাস। সাজাপ্রাপ্তদের

মুক্ত করার বিষয়ে আইনগত সহায়তা দিতে আমিরাতে স্বেচ্ছায় নিয়োজিত ছিলেন ওলোরা আফরিন নামে এক বাংলাদেশি আইনজীবী। তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে এক সপ্তাহের মধ্যে ৫৭ বাংলাদেশির মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে তারা আবার দেশটিতে আসতে পারবেন কিনা, সে বিষয়ে আমিরাত সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষা করতে হবে। এ ছাড়া যাদের মামলা তদন্তাধীন, সেগুলোও দ্রুত নিষ্পত্তির আশা করছেন তিনি। গতকাল আমিরাতের বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষমা ঘোষণার পর তাদের সাজা বাস্তবায়ন বন্ধ রেখেছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল। সেই সঙ্গে ৫৭ জনকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরুর আদেশও দেওয়া হয়েছে। আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল ড. হামাদ আল শামসি বলেন, দেশে বসবাসরত সব বাসিন্দাকে আইন ও নিয়মকানুনের

প্রতি সম্মান জানাতে হবে। মতপ্রকাশের অধিকার আমিরাতে রাষ্ট্র ও আইনি কাঠামো দ্বারা সুরক্ষিত– সবাইকে তা মানতে হবে। গতকাল দুপুরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, আশা করছি, ক্ষমা পাওয়া ৫৭ বাংলাদেশি আমিরাতে কাজ করতে পারবেন। আমিরাতের পক্ষ থেকে প্রবাসপ্রত্যাশীদের আইনকানুন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেয়া বিভিন্ন দেশের উদাহরণ কতোটা সত্য? কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার-পুলিশ মুখোমুখি: ‘শিবির ট্রেনিংপ্রাপ্ত’ ক্যাডারদের আনসার বাহিনীতে ঢুকে পড়ার অভিযোগ স্প্যানিশ এজেন্সিয়া ইএফইকে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: আমি কাউকে হত্যার নির্দেশ দিইনি ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪০০, ভোটদান নিয়ে শঙ্কায় ভোটাররা মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ খরাসহ বিবিধ সংকটে স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্য, চরম উদ্বেগে উদ্যোক্তারা ডাবল সুপার ওভারের অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা মতামত || উভলিঙ্গ নির্বাচন ভোট জালিয়াতির সব আয়োজন সম্পন্ন, এবার ভোটকেন্দ্র নিষিদ্ধ মোবাইলফোন ‘নিরীহ উপদেষ্টারা’ কেন আতঙ্কে? আশিক চৌধুরীর ফোপর দালালি আর বাস্তবতার নির্মম ফারাক শেষবেলা ইউনূসের হরিলুট, একের পর এক দেশবিক্রির চুক্তি ⁨নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটকে কেন্দ্র করে টঙ্গীতে বিএনপির কাছে গণতন্ত্র মানেই সন্ত্রাস ভোটের নামে মব, নির্বাচনের নামে নৈরাজ্য ⁨প্রচারণা চালানোর সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপির হামলার শিকার ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী; নির্বাচনের নামে মৎস্যন্যায়ের সাক্ষী হলো গোটা দেশ! ভোট দিতে না যাওয়াও আপনার আমার গণতান্ত্রিক অধিকার জামায়াতে ইসলামী বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার চোখ উপড়ে ফেলছে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ নির্বাচন নির্বাচন খেলায় পিছিয়ে নেই পীরসাহেব চরমোনাইয়ের দলও মিডিয়া থেকে নিউজ গায়েব কেন? ঘটনার সত্যতা কি? মিডিয়া কি নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে?