আবরার ফাহাদকে নিয়ে ছোট ভাইয়ের হৃদয়স্পর্শী স্ট্যাটাস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ October, ২০২৪

আবরার ফাহাদকে নিয়ে ছোট ভাইয়ের হৃদয়স্পর্শী স্ট্যাটাস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ October, ২০২৪ |
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ প্রকৌশলী বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ফেসবুকে ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস দেওয়ায় তাকে খুন করা হয়। আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ফেসবুকে একটি মর্মস্পর্শী স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। রোববার রাতে নিজের ফেসবুক ওয়ালে তিনি লেখেন, ২০১৯ সালের আজ অর্থাৎ ৬ অক্টোবর ভাইয়া ঢাকাতে যায়। ২৬ সেপ্টেম্বরে কুষ্টিয়াতে আসার পরই ইলিশ আর ভারতের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে দুটি পোস্ট দিয়েছিল। সেদিন আম্মু নিজে ভাইয়াকে গাড়িতে তুলে দিয়ে আসছিল। এরপর মাত্র ১৩-১৪ ঘণ্টার মধ্যে ওকে

তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতন করা হয়। আর ২০ ঘণ্টা পরই বাসায় আসে মৃত্যুর সংবাদ। সেদিন সকালে যাওয়ার আগে ৯টার দিকে আম্মু আমাকে ডেকেছিল। ‘ভাইয়া চলে যাচ্ছে, ওঠ’। কিন্তু ভাইয়া বলে, ‘না থাক, অনেক রাতে ঘুমাইছে ঘুমাতে দাও। আমি চলে গেলাম। তুই বেশিদিন থাকিস না, তাড়াতাড়ি ঢাকা চলে আসিস’। যাওয়ার আগের রাতে আম্মুকে ভাইয়া বলেছিল, ‘আম্মু অনেক ছারপোকা কামড়ায়। পিঠে একটু হাত বুলিয়ে দাও তো। কোনো দাগ হয়ে গেছে নাকি? আচ্ছা, তোমার কাছে কি এমন কোনো ওষুধ আছে, যা লাগালে আর কামড়াবে না আমাকে’। প্রসঙ্গেত, ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি ও গ্যাস চুক্তির বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস

দেন আবরার। ওই দিনই শেরেবাংলা হলের গেস্টরুমে আসামিরা সভা করে বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র আবরারকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। স্ট্যাটাসটি দেওয়ার সময় তিনি কুষ্টিয়ায় গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। পর দিন (৬ অক্টোবর) বিকালে তিনি বাড়ি থেকে বুয়েটের হলে ফেরেন। হলে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মাথায় রাত ৮টার দিকে আবরারসহ দ্বিতীয় বর্ষের সাত-আটজন ছাত্রকে শেরেবাংলা হলের দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে পাঠান তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাত-আটজন নেতা। তারা আবরার ফাহাদের মোবাইল নিয়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ঘেঁটে দেখেন। এ সময় আবরার শিবিরের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ আনা হয়। আবরার এসব অস্বীকার করলে শুরু হয় স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর চতুর্থ

বর্ষে অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আসেন। তারা আরেক দফা পেটান আবরারকে। মার খেয়ে একপর্যায়ে আবরার অচেতন হয়ে পড়লে কোলে করে মুন্নার কক্ষে (২০০৫ নং) নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে দোতলা ও নিচতলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় অচেতন আবরারকে নিয়ে যান তারা। অচেতন আবরারের চিকিৎসার জন্য হল প্রভোস্ট ও চিকিৎসককে খবর দেয় ছাত্রলীগের সেসব কর্মী। কিন্তু এরই মধ্যে প্রাণ হারান আবরার। চিকিৎসক এসে আবরারকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাড়তি ৬০,৪৩২ কোটি টাকা দেবে ফিফা, বাংলাদেশ কত পাবে শিক্ষাসহ ৩ সচিবকে সিনিয়র পদমর্যাদা দিল সরকার কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর দিল্লিতে আবারও জড়ো হওয়ার আহ্বান অভিজিৎ দীপকের গঙ্গা চুক্তি নবায়নে সিদ্ধান্ত হয়নি, ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধনের আশা হরমুজে ২ হাজার ৫০০ কনটেইনারসহ জাহাজডুবি জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দিন শুরু যেভাবে— নাশতা বানান, বাসনও মাজেন ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী বিশ্বজুড়ে ডিজেল সংকট থাকবে কতদিন, জানাল আইইএ ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন, দেশে ভরি কত? চাঁদাবাজী-ছিনতাইয়ের অভয়ারণ্যে বেঁচে ফেরাকে ‘কপাল জোরে বেঁচে গেলাম’ বললেন এভারেস্ট জয়ী বাবর আলী ‘জয় বাংলা’কে দাবিয়ে রাখা যাবে না’: আদালত চত্বরে জামিন পেয়েই গর্জে উঠলেন আইভী বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিশেষ ‘রেড জোন’ করা হবে, মিলবে ‘সবকিছু’ নোবেল জয়ের ২০ বছরে ইউনূস: অভিনন্দনের দিনেও হামে শিশুমৃত্যু থামেনি, সরকারি হিসাবেই ১,১৭০ ছাড়ালো শিশু মৃত্যুর সংখ্যা সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে হুথি ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা, যৌথ সহয়তা’র ‘মক্কা জোট’ যৌথ নিন্দা প্রকেশেই সীমিত টঙ্গীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কারখানা পুড়ে ছাই: মার্কিন ওষুধ-চুক্তির সাথে একসূত্রে গাঁথা? প্রশ্ন কর্মচারীদের নোয়াখালীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নোয়াখালীতে একদিনে দুই মৃত্যু: চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, সোনাইমুড়ীতে মাঠে মিলল প্রবাসীর মরদেহ যা দেখছেন চোখের সামনে, পর্দার পেছনের বাস্তবতা কেমন – সেটা কি জানেন?