ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারাবন্দী নেতাদের পরিবারের পাশে ইফতার সামগ্রী নিয়ে যুবলীগ নেতা জনি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ পার্বতীপুর উপজেলা শাখা, দিনাজপুর এর উদ্যোগে পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন।
বাবার মৃত্যুর পর অবশেষে মুক্তি মিলল ছেলের: জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি ফিরলেন সামি
শরীয়তপুরে মিরপুর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির বাড়িতে হামলা, বৃদ্ধ বাবাসহ আহত একাধিক
হাইকোর্ট থেকে ৬ বার জামিন হলেও বারবার গ্রেফতার হয়েছেন জেল গেটে – আজ মৃত্যু। এটা হত্যাকান্ড!
নওগাঁয় আজব কাণ্ড: মোট ভোটারের চেয়ে ৮৩৬ ভোট বেশি!
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরির সময় তীব্র বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন ২, আহত ৩: জঙ্গি বা জামায়াত-শিবির ধারণা
আধিপত্যের দ্বন্দ্বে টেঁটা বল্লমে ক্ষতবিক্ষত ৫০ জন
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ বিরোধে জড়িত হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার স্থানীয় দুটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। ওই দুই গোষ্ঠীর মাঝে দীর্ঘদিন ধরেই গ্রাম্য আধিপত্যের দ্বন্দ্ব বিরাজমান বলে জানা গেছে।
গরুর খড় খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার উত্তর সাঙ্গর গ্রামের আলাউদ্দিন মিয়া ও নুরুল হুদা গোষ্ঠীর লোকজন এ সংঘর্ষে জড়ার। গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারে প্রভাবশালী পরিবার দুটির মাঝে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলমান। সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মাঝে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে সংঘর্ষে লিপ্তদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেক দিন ধরেই গ্রাম্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ দুই গোষ্ঠীর মাঝে বিরোধ চলমান। কয়েকদিন আগে গরুর খড় খাওয়ার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধ উস্কে ওঠে। এ সময় উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নেন। এর আগেই ঘটনার দিন দুপুরে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আহতদের মধ্যে কাওছার মিয়া, শফিকুল ইসলাম, আলী সমেদ, কুদরত মিয়া, তকদির মিয়া, আরজু মিয়া, জসিম মিয়া, আলামিন
মিয়া, বাহুল মিয়া, নয়ন মিয়া, মন্নাফ মিয়া, কুদ্দুছ মিয়া, জমসের মিয়া, মিজান মিয়া, বাবুল মিয়া, আফজাল মিয়া, মাহফজুল মিয়া, আবু লায়েকের পরিচয় জানা গেছে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি গরুর খড় খাওয়ানো নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই সংঘর্ষে জড়ায় উভয়পক্ষ। ঘটনাস্থলে চার রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে সংঘর্ষে লিপ্তদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেক দিন ধরেই গ্রাম্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ দুই গোষ্ঠীর মাঝে বিরোধ চলমান। কয়েকদিন আগে গরুর খড় খাওয়ার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধ উস্কে ওঠে। এ সময় উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নেন। এর আগেই ঘটনার দিন দুপুরে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আহতদের মধ্যে কাওছার মিয়া, শফিকুল ইসলাম, আলী সমেদ, কুদরত মিয়া, তকদির মিয়া, আরজু মিয়া, জসিম মিয়া, আলামিন
মিয়া, বাহুল মিয়া, নয়ন মিয়া, মন্নাফ মিয়া, কুদ্দুছ মিয়া, জমসের মিয়া, মিজান মিয়া, বাবুল মিয়া, আফজাল মিয়া, মাহফজুল মিয়া, আবু লায়েকের পরিচয় জানা গেছে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি গরুর খড় খাওয়ানো নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই সংঘর্ষে জড়ায় উভয়পক্ষ। ঘটনাস্থলে চার রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।



