আখাউড়ায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ

আখাউড়ায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৯:২৮ 197 ভিউ
২০১৪ সালে উপজেলা নির্বাচনে আখাউড়ায় একটি ভোটকেন্দ্রে গুলিতে এক ব্যক্তির নিহতের ঘটনায় সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাভোকেড আনিসুল হক ও বিজিবির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কসহ ৯ জনকে আসামি করে আদালতে একটি হত্যার এজাহার দায়ের হয়েছে। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন আহমেদ এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভূক্তের জন্য আখাউড়ার থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আখাউড়া পৌরসভার কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি বাহার মিয়া বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ গুলিতে আবদুল হাদিস মিয়া (৪২) নিহত হন। হাদিস মিয়া বাহার মিয়ার আপন ছোট ভাই। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- আখাউড়া

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল (৫২), তৎকালীন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সরাইল ১২ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এরশাদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম ভূইয়া (৬৮), তাকজিল খলিফার আপন ভাই আখাউড়া স্থল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফোরকান আহমেদ খলিফা (৫৮), আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর মিয়া (৬০), উপজেলার তারাগনের জুয়েল খান (৪৫), নাহিদ খান (৩৫), উপজেলা শ্রমিক লীগ নেতা নাছির মিয়া (৪৫)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ আখাউড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় আবুল কাশেম ভূইয়া আওয়ামী লীগ

মনোনীত চেয়ারম্যানপ্রার্থী ছিলেন। নিহত হাদিস মিয়া তারাগন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৩০০ গজ দূরে অবস্থান কর ছিলেন। ভোটকেন্দ্রের কাছাকাছি বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের অবস্থানের বিষয়টি মামলার আসামিরা সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক পৌর মেয়র তাকজিল খলিফাকে মুঠোফোনে জানান। আনিসুল ও তাকজিল খলিফা কাজল সে সময় নিহত হাদিসসহ অন্যদের দেখামাত্রই গুলি করার জন্য বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ককে নির্দেশ দেন। বিজিবির তৎকালীন অধিনায়ক ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি রাইফেল নিয়ে গুলি করে। বুকের ডান পাশে একটি গুলিবিদ্ধ হলে হাদিছ মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাদিস মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। মামলার আইনজীবী নুরুজ্জামান লস্কর জানান, দ্রুত বিচার ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের

ধারাসহ হত্যার অভিযোগে এই এজাহার দায়ের করা হয়। আদালত এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভূক্ত করার জন্য আখাউড়ার থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে নিহত হাদিসের বড় ভাই মামলার বাদী আখাউড়া পৌর কাউন্সিলর মো. বাহার মিয়া বলেন, আমার ভাইকে সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এতদিন আমরা ভয়ে মামলা করতে পারিনি। দোষীদের বিরুদ্ধে আজ মামলা করেছি, আশা করছি আদালতে ন্যায়বিচার পাব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেয়া বিভিন্ন দেশের উদাহরণ কতোটা সত্য? কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার-পুলিশ মুখোমুখি: ‘শিবির ট্রেনিংপ্রাপ্ত’ ক্যাডারদের আনসার বাহিনীতে ঢুকে পড়ার অভিযোগ স্প্যানিশ এজেন্সিয়া ইএফইকে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: আমি কাউকে হত্যার নির্দেশ দিইনি ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪০০, ভোটদান নিয়ে শঙ্কায় ভোটাররা মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ খরাসহ বিবিধ সংকটে স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্য, চরম উদ্বেগে উদ্যোক্তারা ডাবল সুপার ওভারের অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা মতামত || উভলিঙ্গ নির্বাচন ভোট জালিয়াতির সব আয়োজন সম্পন্ন, এবার ভোটকেন্দ্র নিষিদ্ধ মোবাইলফোন ‘নিরীহ উপদেষ্টারা’ কেন আতঙ্কে? আশিক চৌধুরীর ফোপর দালালি আর বাস্তবতার নির্মম ফারাক শেষবেলা ইউনূসের হরিলুট, একের পর এক দেশবিক্রির চুক্তি ⁨নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটকে কেন্দ্র করে টঙ্গীতে বিএনপির কাছে গণতন্ত্র মানেই সন্ত্রাস ভোটের নামে মব, নির্বাচনের নামে নৈরাজ্য ⁨প্রচারণা চালানোর সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপির হামলার শিকার ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী; নির্বাচনের নামে মৎস্যন্যায়ের সাক্ষী হলো গোটা দেশ! ভোট দিতে না যাওয়াও আপনার আমার গণতান্ত্রিক অধিকার জামায়াতে ইসলামী বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার চোখ উপড়ে ফেলছে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ নির্বাচন নির্বাচন খেলায় পিছিয়ে নেই পীরসাহেব চরমোনাইয়ের দলও মিডিয়া থেকে নিউজ গায়েব কেন? ঘটনার সত্যতা কি? মিডিয়া কি নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে?