নাহিদ ভুঁইয়া
আরও খবর
৫ আগস্ট ও শেখ হাসিনার ‘তৃতীয় পথ’: একটি কৌশলগত ও মানবিক মূল্যায়ন
হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও)
বাংলাদেশে কি একটা নিরব গণহত্যা চলছে?
ইউনূসের পথেই তারেক রহমানঃ নাম-না-জানা দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাতারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
হাওয়া ভবন বাজেট ১০১: বাজেটের “আকার” বেড়েছে কিন্তু “উকার” কমেছে
ড. আসিফ নজরুল- আপনার এক অঙ্গে কতো রূপ?
গনতন্ত্র ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে সংসদ ভবন চত্ত্বরে বিদেশী কোন দেশের স্বাধীনতা দিবস পালন হলে কি হতো?
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বহু বছর ধরে সবচেয়ে বহুল প্রচারিত ও কার্যত সফল রাজনৈতিক মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডাগুলোর একটি ছিল যে দলটি নাকি বাংলাদেশকে ভারতের কাছে ‘বিক্রি করে দিয়েছে’। এই নোংরা মিথ্যাকে এতোবার, এতো জোরে এবং এতো পরিকল্পিতভাবে প্রচার করা হয়েছে যে, অনেকের কাছে সেটিই যেন প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত হয়েছে। অথচ, এই গুরুতর অভিযোগের পক্ষে কখনো একটিও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি ভারতবিদ্বেষ পূজি করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করা জামাত-বিএনপিসহ অন্যান্য দলগুলো।
ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী, পরীক্ষিত মিত্র ও কৌশলগত সহযোগী হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে তো দূরের কথা রাষ্ট্রীয়ভবে কোথাও কখনও ভারত কিংবা অন্য দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের নজির
তৈরি হয়নি। অথচ, আজকে জাতীয় সংসদের ভেতরে অন্য দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। পাতানো ভোটের ভাগ-বাটোয়ারার সংসদের মেনি বিড়ালগুলো আবার সদলবলে গিয়ে সেখানে হাজিরাও দিয়েছে। গদগদ ভাষায় তাদের কফিলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এসেছে। জাতীয় সংসদ কেবল একটি ভবন নয়; এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং জনগণের স্বাধীন ইচ্ছার সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতীক। সেই সংসদের ভেতরে অন্য একটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস পালন নিছক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়; এটি রাষ্ট্রের বর্তমান প্রতীকী মর্যাদা সম্পর্কেও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করে। যে পরাশক্তির বিরোধিতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, ইউনূস-বিএনপি-জামাত-ওয়াকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজ বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষেই সে পরাশক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়েছে। জুলাই দাঙ্গার আড়ালে দেশকে সত্যিকার অর্থেই বেচে
দিয়েছে। বাণিজ্য চুক্তি থেকে শুরু করে আজকের উদযাপন এগুলো সবই দেশ বেচার সাক্ষ্য, প্রামাণ্য দলিল। আমাদের আঞ্চলিক একটা কথা আছে, ‘মাইরও খাবে, ওষুধের টাকাও দিবে’। উপনিবেশ যেহেতু হয়েছে তাহলে নিজের সংসদে বিউগল বাজিয়ে ঔপনিবেশিকের স্বাধীনতা দিবসও পালন করতে হবে আবার সেই উদযাপনের খরচ জোগাতে করও দিতে হবে। আর তাদের প্রভু সরকারকে কর দিতেই বিএনপি বিদ্যুতের দাম বাড়ায়, বেশি দামে গম কিনে, তুলা কিনে, এলএনজি কিনে, অপ্রয়োজনে বোয়িং কিনে। কিছুদিন পর দেশের প্রাকৃতিক তেল-গ্যাসও দিয়ে দিবে, অপেক্ষায় থাকুন। আওয়ামী লীগ আমলে তথাকথিত রাজনীতিবোদ্ধা, নিরপেক্ষ দেশপ্রেমিক, সচেতন নাগরিক, সিভিল সোসাইটি সেজে থাকা সবগুলা একেকটা হিপোক্রেট। সবাই জায়গামতো আত্মা বেচে বসে আছে বহু আগেই। এই
দেশটা একটা কানার হাটবাজার হয়ে গেছে। তাই কাউকে সচেতন করার চেষ্টা বৃথা। নিজের অসহায় ক্ষোভ ফেইসবুকে টুকে রাখি সেল্ফ রিমাইন্ডার হিসেবে।
তৈরি হয়নি। অথচ, আজকে জাতীয় সংসদের ভেতরে অন্য দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। পাতানো ভোটের ভাগ-বাটোয়ারার সংসদের মেনি বিড়ালগুলো আবার সদলবলে গিয়ে সেখানে হাজিরাও দিয়েছে। গদগদ ভাষায় তাদের কফিলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এসেছে। জাতীয় সংসদ কেবল একটি ভবন নয়; এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং জনগণের স্বাধীন ইচ্ছার সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতীক। সেই সংসদের ভেতরে অন্য একটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস পালন নিছক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়; এটি রাষ্ট্রের বর্তমান প্রতীকী মর্যাদা সম্পর্কেও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করে। যে পরাশক্তির বিরোধিতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, ইউনূস-বিএনপি-জামাত-ওয়াকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজ বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষেই সে পরাশক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়েছে। জুলাই দাঙ্গার আড়ালে দেশকে সত্যিকার অর্থেই বেচে
দিয়েছে। বাণিজ্য চুক্তি থেকে শুরু করে আজকের উদযাপন এগুলো সবই দেশ বেচার সাক্ষ্য, প্রামাণ্য দলিল। আমাদের আঞ্চলিক একটা কথা আছে, ‘মাইরও খাবে, ওষুধের টাকাও দিবে’। উপনিবেশ যেহেতু হয়েছে তাহলে নিজের সংসদে বিউগল বাজিয়ে ঔপনিবেশিকের স্বাধীনতা দিবসও পালন করতে হবে আবার সেই উদযাপনের খরচ জোগাতে করও দিতে হবে। আর তাদের প্রভু সরকারকে কর দিতেই বিএনপি বিদ্যুতের দাম বাড়ায়, বেশি দামে গম কিনে, তুলা কিনে, এলএনজি কিনে, অপ্রয়োজনে বোয়িং কিনে। কিছুদিন পর দেশের প্রাকৃতিক তেল-গ্যাসও দিয়ে দিবে, অপেক্ষায় থাকুন। আওয়ামী লীগ আমলে তথাকথিত রাজনীতিবোদ্ধা, নিরপেক্ষ দেশপ্রেমিক, সচেতন নাগরিক, সিভিল সোসাইটি সেজে থাকা সবগুলা একেকটা হিপোক্রেট। সবাই জায়গামতো আত্মা বেচে বসে আছে বহু আগেই। এই
দেশটা একটা কানার হাটবাজার হয়ে গেছে। তাই কাউকে সচেতন করার চেষ্টা বৃথা। নিজের অসহায় ক্ষোভ ফেইসবুকে টুকে রাখি সেল্ফ রিমাইন্ডার হিসেবে।



