ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্র নয়, ‘কর্তৃত্ববাদ’: দ্য প্রিন্টকে হাসিনা
সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন অবৈধ—ভোটের নামে প্রহসন চলবে না
বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত ৫ -দফা
মিয়ানমার-বাংলাদেশ সংঘাতের দিকে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঝুঁকির মুখে
*ঢাকা বিমানবন্দরে চীনা ও ভারতীয় ব্যবসায়ী–পর্যটকদের ন্যক্কারজনক হয়রানি*
‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
অমিত শাহর বক্তব্যে চরম অসন্তুষ্ট বাংলাদেশ, কড়া প্রতিবাদ
ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়তে পারলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করা হবে বলে হুমকি দিয়েছিলেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর এ বক্তব্যকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে শক্ত প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
একই সঙ্গে ভারত সরকারের রাজনৈতিক নেতাদের এ ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে জানানো হয়, বাংলাদেশিদের নিয়ে ভারতের ঝাড়খন্ড সফরে অমিত শাহ অত্যন্ত দুঃখজনক মন্তব্য করেছেন। তার এ মন্তব্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শক্ত প্রতিবাদ জানিয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবাদপত্র ঢাকার ভারতের উপহাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে এ ধরনের
আপত্তিকর ও অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য থেকে ভারত সরকারের রাজনৈতিক নেতাদের বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা। প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এ ধরনের মন্তব্য দুটি বন্ধু দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মনোভাবকে অবজ্ঞা করে বলে জোর দিয়ে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার অমিত শাহ বলেন, ঝাড়খন্ডে বিজেপি সরকার গঠন করতে পারলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করা হবে। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ঝাড়খন্ডের সাহেবগঞ্জ জেলায় ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে দেওয়া ভাষণে অমিত শাহ বলেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে ঝাড়খন্ডে বিজেপি সরকার গঠনের জন্য আবেদন জানাতে চাই। এখানে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা প্রত্যেক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে উল্টো করে
ঝুলিয়ে সোজা করব।’ মাস কয়েক আগে হওয়া লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতারা অভিযোগ করে বলেছিলেন, সাঁওতাল পরগনায় আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে। আর ক্রমেই বাড়ছে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের’ সংখ্যা। এই অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করে অমিত শাহ বলেন, এই জমি আদিবাসীদের। কিন্তু এখানে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। আদিবাসীর সংখ্যা ৪৪ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। যেহেতু অনুপ্রবেশকারীরা জেএমএম, কংগ্রেস ও আরজেডির ভোটব্যাংক, তাই এখানকার সরকার জনকল্যাণের পরিবর্তে অনুপ্রবেশকারীদের কল্যাণে নিযুক্ত রয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, রাজ্যের পাকুড় জেলায় ‘হিন্দুরা ঝাড়খন্ড ছাড়ো’ স্লোগান তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের বিষয়টি তদন্তের জন্য ঝাড়খন্ড হাইকোর্ট একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়ায় আদালতকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এই তদন্তের জন্য
কেন্দ্র শিগগির ঝাড়খন্ড সরকারের সহায়তায় একটি কমিটি গঠন করবে।
আপত্তিকর ও অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য থেকে ভারত সরকারের রাজনৈতিক নেতাদের বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা। প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এ ধরনের মন্তব্য দুটি বন্ধু দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মনোভাবকে অবজ্ঞা করে বলে জোর দিয়ে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার অমিত শাহ বলেন, ঝাড়খন্ডে বিজেপি সরকার গঠন করতে পারলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করা হবে। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ঝাড়খন্ডের সাহেবগঞ্জ জেলায় ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে দেওয়া ভাষণে অমিত শাহ বলেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে ঝাড়খন্ডে বিজেপি সরকার গঠনের জন্য আবেদন জানাতে চাই। এখানে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা প্রত্যেক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে উল্টো করে
ঝুলিয়ে সোজা করব।’ মাস কয়েক আগে হওয়া লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতারা অভিযোগ করে বলেছিলেন, সাঁওতাল পরগনায় আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে। আর ক্রমেই বাড়ছে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের’ সংখ্যা। এই অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করে অমিত শাহ বলেন, এই জমি আদিবাসীদের। কিন্তু এখানে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়ছে। আদিবাসীর সংখ্যা ৪৪ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। যেহেতু অনুপ্রবেশকারীরা জেএমএম, কংগ্রেস ও আরজেডির ভোটব্যাংক, তাই এখানকার সরকার জনকল্যাণের পরিবর্তে অনুপ্রবেশকারীদের কল্যাণে নিযুক্ত রয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, রাজ্যের পাকুড় জেলায় ‘হিন্দুরা ঝাড়খন্ড ছাড়ো’ স্লোগান তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের বিষয়টি তদন্তের জন্য ঝাড়খন্ড হাইকোর্ট একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়ায় আদালতকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এই তদন্তের জন্য
কেন্দ্র শিগগির ঝাড়খন্ড সরকারের সহায়তায় একটি কমিটি গঠন করবে।



