ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস অফিসে ভাঙচুর-লুটপাট
জমানো টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারের লোভে বোনকে হত্যা, লাশ ফেলা হয় ধানখেতে
টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযান, সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার
টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি, অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার আরও ৪
জুলাই চেতনায় তৈরি নতুন নোটের সুযোগে বাড়ছে জাল টাকার কারবার, ঝুঁকিতে ব্যবসায়ী-সাধারণ মানুষ
সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মূলহোতা আমিনী গ্রেফতার
জুলাই যোদ্ধা বানিয়ে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা
প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় কৃষি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় সোহাগ ফকির (৩৮) নামে এক কৃষি কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
সোহাগ ফকির বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত। তিনি আব্দুল হালিম ফকির ও বিউটি বেগমের ছেলে। তিনি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের সুতারকান্দি গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
বুধবার সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে
সোহাগ ফকিরের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত চলছে। গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা হয়। পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৫০-এর ৪, ৫ ও ৯(ক) ধারায় মামলাটি করা হয়। পরীক্ষাটি পুনরায় শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে পাস করেছেন ৫ হাজার ৩৮৬ জন প্রার্থী।
সোহাগ ফকিরের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত চলছে। গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা হয়। পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৫০-এর ৪, ৫ ও ৯(ক) ধারায় মামলাটি করা হয়। পরীক্ষাটি পুনরায় শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে পাস করেছেন ৫ হাজার ৩৮৬ জন প্রার্থী।



