ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস অফিসে ভাঙচুর-লুটপাট
প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় কৃষি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযান, সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার
টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি, অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার আরও ৪
জুলাই চেতনায় তৈরি নতুন নোটের সুযোগে বাড়ছে জাল টাকার কারবার, ঝুঁকিতে ব্যবসায়ী-সাধারণ মানুষ
সাতক্ষীরায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মূলহোতা আমিনী গ্রেফতার
জুলাই যোদ্ধা বানিয়ে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা
জমানো টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারের লোভে বোনকে হত্যা, লাশ ফেলা হয় ধানখেতে
নওগাঁর ধামইরহাটে জমানো টাকা, গবাদিপশু ও স্বর্ণালঙ্কারের লোভে ৬৫ বছর বয়সী হালিমা বেগমকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছোট ভাই ও ভাবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মজনু রহমান (৫৬), তাঁর স্ত্রী হোসনে আরা (৪২) এবং আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলেন- রবিউল ইসলাম (৩৯), হামিদুর রহমান (৫৫) ও মোশারফ হোসেন (৪৫)। তাঁদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত রশি ও ওড়না জব্দ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১৯ অক্টোবর সকালে ধামইরহাটের ছিলিমপুর (তালবোনা) গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ের পাশে ধানখেতের আইলে
হালিমার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর এক কানের লতি কাটা এবং অন্যটি ছেঁড়া অবস্থায় পায়। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হলে অভিযান চালিয়ে প্রথমে মজনু ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিঃসন্তান ও স্বামীপরিত্যক্তা হালিমা বাবার বাড়িতে ছোট ভাই মজনুর ঘরের পেছনে একটি ছাপড়া ঘরে থাকতেন। মানুষের বাড়িতে কাজ করার পাশাপাশি গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। তাঁর জমানো টাকা ও গবাদিপশুর প্রতি মজনু ও তাঁর স্ত্রীর লোভ ছিল। এ ছাড়া মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় রবিউল এবং জমিজমা
নিয়ে পুরোনো বিরোধের জেরে হামিদুর ও মোশারফ তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। এসব কারণে ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন আগে পাঁচজন মিলে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। এসপি আরও জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে হামিদুর কৌশলে হালিমাকে ঘর থেকে ডেকে বের করেন। পরে অন্যরা তাঁর মুখ চেপে ধরে প্রায় ২০০ গজ দূরে খড়ের পালার পেছনে নিয়ে যান। সেখানে হাত বেঁধে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর স্বর্ণের দুল খুলে নিতে তাঁর এক কানের লতি কেটে এবং অন্যটি ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে মরদেহ বাঁশঝাড়ের আড়ালে ফেলে রেখে দুল দুটি ভাগ করে নেন আসামিরা বলে জানিয়েছে
পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হালিমার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর এক কানের লতি কাটা এবং অন্যটি ছেঁড়া অবস্থায় পায়। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হলে অভিযান চালিয়ে প্রথমে মজনু ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিঃসন্তান ও স্বামীপরিত্যক্তা হালিমা বাবার বাড়িতে ছোট ভাই মজনুর ঘরের পেছনে একটি ছাপড়া ঘরে থাকতেন। মানুষের বাড়িতে কাজ করার পাশাপাশি গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। তাঁর জমানো টাকা ও গবাদিপশুর প্রতি মজনু ও তাঁর স্ত্রীর লোভ ছিল। এ ছাড়া মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় রবিউল এবং জমিজমা
নিয়ে পুরোনো বিরোধের জেরে হামিদুর ও মোশারফ তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। এসব কারণে ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন আগে পাঁচজন মিলে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। এসপি আরও জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে হামিদুর কৌশলে হালিমাকে ঘর থেকে ডেকে বের করেন। পরে অন্যরা তাঁর মুখ চেপে ধরে প্রায় ২০০ গজ দূরে খড়ের পালার পেছনে নিয়ে যান। সেখানে হাত বেঁধে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর স্বর্ণের দুল খুলে নিতে তাঁর এক কানের লতি কেটে এবং অন্যটি ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে মরদেহ বাঁশঝাড়ের আড়ালে ফেলে রেখে দুল দুটি ভাগ করে নেন আসামিরা বলে জানিয়েছে
পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



