ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় অতিরিক্ত ডিআইজি সাময়িক বরখাস্ত
টাঙ্গাইলে দুই চোখ উপড়ে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতিকে হত্যা, নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার
আরেকটি জুলাই প্রতারণার স্বরূপ উন্মোচিত: শরীরে ৯ গুলির দাবি করে শেখ হাসিনার নামে মামলা, তদন্তে জানা গেল ‘ঘটনাই ঘটেনি’
হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন
হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন
সুনামগঞ্জে যুদ্ধাপরাধের মামলার সাক্ষীর বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, নারীদের শ্লীলতাহানী-তাণ্ডব চালাল রাজাকারের দোসররা
বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু কন্যাসহ ইতি রানীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন দাবি পুলিশের!
জুয়ার টাকা জোগাড়ে মসজিদে ইমামতি: ১৫ লাখ টাকা লোপাটের পর গ্রেপ্তার মুফতি মিজান
জুয়া খেলার জন্য অর্থ জোগাড় করতে বিভিন্ন এলাকার মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে মুফতি মিজানুর রহমানের (৪৭) বিরুদ্ধে। ইমাম হিসেবে কাজ করার সুবাদে স্থানীয়দের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করতেন তিনি।
পরে সেই পরিচয় কাজে লাগিয়ে নানা প্রলোভন ও অজুহাতে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জামালপুরের মেলান্দহসহ বিভিন্ন স্থানে এভাবে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে মুফতি মিজানুরের বিরুদ্ধে। মেলান্দহের মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে যোগ দেওয়ার পর স্থানীয়দের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এরপর স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে তিনি আত্মগোপন করেন বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, দিবাগত রাতে কুমিল্লা নগরের শাসনগাছা এলাকা থেকে মেলান্দহ থানা-পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন বৃহস্পতিবার,
২৯শে অক্টোবর, ভুক্তভোগীদের পক্ষে করা একটি মামলায় তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মুফতি মিজানুর রহমান মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেখানে যোগদানের প্রায় তিন মাস পর স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে।
মায়ের নাম মোছা. হাসিনা মাহমুদা নার্গিস। জাতীয় পরিচয়পত্রে তাঁর বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর ৩১২ নম্বর বাড়ি, ডাকঘর ফরিদাবাদ-১২০৪ লেখা রয়েছে। মেলান্দহ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির জানান, মুফতি মিজানুরকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে একেকটি মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন। পরে কুমিল্লায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রথমে তাঁকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে আরও টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, মুফতি মিজানুরের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তাঁরা পেয়েছেন। এ বিষয়ে
আগে মেলান্দহ থানায় অভিযোগও করা হয়েছিল। ভুক্তভোগীদের পক্ষে মালঞ্চ গ্রামের আবদুস সালাম মাস্টারের ছেলে ইসমাইল হোসেন রাজা (৫০) মুফতি মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলাতেই তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুফতি মিজানুর জুয়ার টাকা জোগাড় করতে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। দেশের অন্য এলাকাতেও একই পদ্ধতিতে টাকা নেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
২৯শে অক্টোবর, ভুক্তভোগীদের পক্ষে করা একটি মামলায় তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মুফতি মিজানুর রহমান মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেখানে যোগদানের প্রায় তিন মাস পর স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে।
পড়ুন: সোনা ছাড়ানোর নামে স্থানীয়দের থেকে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছেন মসজিদের ইমাম মুফতি মিজান
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, নানা প্রলোভন ও অজুহাত দেখিয়ে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর গত ৭ অক্টোবর রাতে স্ত্রী-সন্তানসহ আত্মগোপন করেন মুফতি মিজানুর। তিনি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার উত্তর গাজীপুরের আসরা মসজিদবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম ইসমাঈল মজুমদার এবংমায়ের নাম মোছা. হাসিনা মাহমুদা নার্গিস। জাতীয় পরিচয়পত্রে তাঁর বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর ৩১২ নম্বর বাড়ি, ডাকঘর ফরিদাবাদ-১২০৪ লেখা রয়েছে। মেলান্দহ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির জানান, মুফতি মিজানুরকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে একেকটি মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন। পরে কুমিল্লায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রথমে তাঁকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে আরও টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, মুফতি মিজানুরের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তাঁরা পেয়েছেন। এ বিষয়ে
আগে মেলান্দহ থানায় অভিযোগও করা হয়েছিল। ভুক্তভোগীদের পক্ষে মালঞ্চ গ্রামের আবদুস সালাম মাস্টারের ছেলে ইসমাইল হোসেন রাজা (৫০) মুফতি মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলাতেই তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুফতি মিজানুর জুয়ার টাকা জোগাড় করতে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। দেশের অন্য এলাকাতেও একই পদ্ধতিতে টাকা নেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।





